মোঃ হাসমত আলী,সিরাজগঞ্জ, জেলা প্রতিনিধিঃ
সিরাজগঞ্জ এনায়েতপুর থানার জালালপুরে গত কয়েক দিনে বাড়তে শুরু করেছে যমুনা নদীতে পানি। সিরাজগঞ্জ শহর রক্ষা বাঁধ হার্ড পয়েন্ট এলাকায় ৪ সেন্টিমিটার বেড়েছে। পানিতে তলিয়ে যাচ্ছে নদীর তীরবর্তী নিম্নাঞ্চল ও ফসলি জমি। পানি বাড়ার সঙ্গে দেখা দিয়েছে তীব্র নদীভাঙন।
গত কয়েকদিনে জালালপুর গ্রামে যমুনার ভাঙনে সাতটি বসতবাড়ি, ফসলি জমি ও পরিত্যক্ত বসতবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। ভাঙনের মুখে পড়েছে জালালপুর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ, জালালপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, জালালপুর রাহেলা খাতুন হাফিজিয়া মাদ্রাসা, বাঐখোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ বেশ কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বসতভিটা ও ফসলি জমি। ভাঙনের মুখে থাকা স্থাপনা অন্যত্র সরিয়ে নিচ্ছেন এলাকাবাসী।
সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) পানি পরিমাপক হাসানুজ্জামন বলেন, গত কয়েক দিন হলো আবারও যমুনা নদীতে পানি বাড়ছে। যমুনা নদীর সিরাজগঞ্জ শহর রক্ষা বাঁধ হার্ড পয়েন্ট এলাকায় পানি রেকর্ড করা হয়েছে ৭ দশমিক ৭৫ সেন্টিমিটার। একই সময় বৃহস্পতিবার পানি রেকর্ড করা হয়েছে ৭ দশমিক ৭১ সেন্টিমিটার।
জালালপুর গ্রামের হোসেন বলেন, গত বুধবার রাত থেকে জালালপুর গ্রামের তীব্র নদীভাঙন শুরু হয়। মুহূর্তের মধ্যে ঘরবাড়ি, ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। গতকয়েকদিন নদীভাঙন অব্যাহত আছে। সাতটি বাসতবাড়ি ভেঙে নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। ভাঙনের মুখে থাকা স্থাপনা ভেঙে অন্যত্র সরিয়ে নিচ্ছেন গ্রামবাসী।
সিরাজগঞ্জ পাউবোর উপবিভাগীয় প্রকৌশলী মো. মিল্টন হোসেন বলেন, ভাঙন রোধে কাজ করছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। প্রায় দুই মাস যাবৎ জালালপুর এলাকায় ভাঙন রোধে বালির বস্তা ফেলা হচ্ছে। এই কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
মোঃ হাসমত আলী সিরাজগঞ্জ
তারিখ ২৫-০৫-২৪
মোবাইল 01816548883
সম্পাদক ও প্রকাশক; মোঃ জহিরুল ইসলাম , ব্যাবস্থাপনা সম্পাদক -এ্যড: মো: নজরুল ইসলাম, নির্বাহী সম্পাদক -মো: মাইনুল কবির মূঈন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, Dainik Banglaralo