সোহরাওয়ার্দী হোসেন
স্টাফ রিপোর্টার :
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে পটিয়া উপজেলার কুসুমপুরা ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডের সদস্য (মেম্বার) পদপ্রার্থী হিসেবে প্রচারণার শুরু থেকেই এলাকায় এক আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন তরুণ ও প্রগতিশীল সমাজসেবক মো: সাইফুল ইসলাম রাসেল। ধর্ম, বর্ণ ও দলীয় পরিচয় নির্বিশেষে এলাকার সর্বস্তরের মানুষের কাছে তিনি এক আস্থার প্রতীকে পরিণত হয়েছেন। তাঁর সততা, মিশুক স্বভাব ও নিঃস্বার্থ জনসেবার কারণে এলাকার প্রতিটি মানুষ তাকে আপনজন হিসেবে ভালোবেসে সমর্থন জুগিয়ে যাচ্ছেন।
ব্যক্তিগত রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিচয়ে তিনি ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক কমিটির সদস্য, ২৭ নং ওয়ার্ডের সাবেক যুবদলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক এবং বর্তমানে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী পেশাজীবী দল চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী পেশাজীবী দল পটিয়া উপজেলা সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
কৃষক, শ্রমিক ও মেহনতী মানুষের ন্যায্য অধিকার আদায়ে কঠোর অবস্থান:
এলাকার খেটে খাওয়া মানুষ, দিনমজুর, কৃষক ও শ্রমিকদের অধিকার রক্ষায় সবসময় সোচ্চার ভূমিকা পালন করে আসছেন মো: সাইফুল ইসলাম রাসেল। কৃষকদের সার, বীজ ও সেচ সুবিধা প্রাপ্তি এবং শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি ও অধিকার আদায়ে তিনি সবসময় মালিক ও প্রশাসনের সাথে দৃঢ় অবস্থান নেন। সাধারণ মেহনতী মানুষের যেকোনো সংকটে তিনি আস্থার আশ্রয়স্থল হয়ে পাশে দাঁড়ান, যা তাকে সাধারণ মানুষের আরও কাছাকাছি নিয়ে গেছে।
মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি:
তরুণ সমাজকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করতে মাদকের বিরুদ্ধে অত্যন্ত কঠোর অবস্থান নিয়েছেন এই প্রার্থী। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, কুসুমপুরা ১ নং ওয়ার্ডে কোনো ধরনের মাদক কারবারি ও সেবনকারীর স্থান হবে না। যুবসমাজকে খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক চর্চা এবং গঠনমূলক কাজে সম্পৃক্ত করার মাধ্যমে একটি মাদকমুক্ত ও অপরাধমুক্ত আধুনিক ওয়ার্ড গড়ে তোলার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন তিনি।
বয়স্ক, বিধবা ও প্রতিবন্ধী ভাতা কার্ড প্রদানে স্বচ্ছতা:
সরকারি বিভিন্ন সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় থাকা বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা এবং প্রতিবন্ধী কার্ড বিতরণে অতীতে নানা অনিয়মের অভিযোগ থাকলেও, সাইফুল ইসলাম রাসেল ঘোষণা দিয়েছেন যে তিনি নির্বাচিত হলে এসব ক্ষেত্রে শতভাগ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করবেন। কোনো প্রকৃত অসহায় ও দুস্থ মানুষ যেন দালাল বা অনিয়মের শিকার হয়ে কার্ড থেকে বঞ্চিত না হয়, সে বিষয়ে তিনি সদা সতর্ক ও কঠোর থাকবেন বলে জানান।
এলাকায় রাস্তাঘাট, স্কুল, কলেজ ও কবরস্থানের উন্নয়ন:
১ নং ওয়ার্ডের সার্বিক অবকাঠামোগত উন্নয়নে ব্যাপক পরিকল্পনা হাতে নিয়েছেন মো: সাইফুল ইসলাম রাসেল। এলাকার ভাঙা রাস্তাঘাট সংস্কার ও নতুন রাস্তা নির্মাণ, স্থানীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের (স্কুল ও কলেজ) শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধিতে বিশেষ নজর দেওয়ার কথা বলেন তিনি। এছাড়া এলাকার কবরস্থানগুলোর সংস্কার, সংরক্ষণ এবং পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার জন্য দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন এই উদীয়মান নেতা।
এলাকাবাসীর প্রতিক্রিয়া:
আসমা বেগম (৬৫) নামের স্থানীয় এক বয়স্ক মহিলা আবেগমুক্ত কণ্ঠে বলেন, "আমাদের এই দুর্দিনে রাসেল ভাইয়ের মতো এমন দরদি মানুষ আগে দেখিনি। বয়স্ক কার্ড পাওয়ার জন্য দ্বারে দ্বারে ঘুরে যখন নিরাশ হয়েছিলাম, তখন রাসেল ভাই নিজ উদ্যোগে আমার পাশে দাঁড়িয়েছেন। তিনি শুধু মেম্বার পদপ্রার্থী নন, তিনি আমাদের সন্তানের মতো। আমরা তার সার্বিক মঙ্গল ও জয় কামনা করি।"
এ বিষয়ে মেম্বার পদপ্রার্থী মো: সাইফুল ইসলাম রাসেল বলেন, "আমি ক্ষমতার লোভে নয়, জনগণের সেবা করার ব্রত নিয়ে প্রার্থী হয়েছি। কুসুমপুরা ১ নং ওয়ার্ডের অবহেলিত মানুষের মুখে হাসি ফোটানো এবং একটি আধুনিক, মডেল ওয়ার্ড গড়ে তোলাই আমার একমাত্র লক্ষ্য। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে এলাকার সবাই আমাকে যেভাবে ভালোবেসেছেন ও সমর্থন জুগিয়েছেন, আমি নির্বাচিত হয়ে তাদের আস্থার প্রতিদান দেবো এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠায় আজীবন কাজ করে যাবো।"
web;https://www.dainikbanglaralo.com, ✉️ banglaralodainik@gmail.com
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, Dainik Banglaralo