গত ২৩/১০/২০২৫ ইং অনলাইন "পএিকা শিক্ষা বার্তায়" পটুয়াখালী মরিচবুনিয়া সিনিয়র মাদ্রাসার অবৈধ নিয়োগের এমপিওভুক্তিতে ৩০ লাখ টাকার চুক্তি, অগ্রিম নিলেন ১০ লাখ টাকার নেয়ার শিরোনাম টি সাবেক সভাপতি হিসাবে আমি কাওছার মাহমুদের দৃস্টি গোচর হয়,উক্ত রিপোর্টের প্রতিবাদ জানাচ্ছি। উক্ত সংবাদ সম্পুর্ন ভিওিহীন, মিথ্যা ও উদ্দেশ্যেপ্রণোদিত।
প্রকৃতপক্ষে অধ্যক্ষসহ পাঁচ পদে নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত হবার আট মাস পরে নিয়োগ পরীক্ষার কাগজপত্রে ব্যাকডেটে স্বাক্ষর দেখিয়ে নিয়োগ কার্যক্রম সম্পন্ন করার অভিযোগ করা হয়েছে কিছু স্বার্থনেসি মহাল স্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে সাংবাদিকদের বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রদান করে মাদ্রাসার ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করার চেস্টা দির্ঘ দিন থেকে অভ্যহত রেখেছে,। "" দৈনিক শিক্ষা বার্তা অনলাইনে ""অবৈধ কার্যক্রমের সাথে জড়িত মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের উপ পরিচালক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, উপজেলা আইসিটি অফিসার ও গভর্নিং বডির সাবেক সভাপতি এবং সাবেক ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অভিযোগ বানোয়াট ও ভিত্তিহীন।নিয়োগ কার্যক্রম নিয়ম তান্তিক ভাবেই সম্পন্ন করা হয়। এমপিওভুক্ত করার জন্য ৩০ লাখ টাকার চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন শিক্ষা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক (প্রশাসন) মোহাম্মদ আরিফুর রহমান মজুমদারেে মধ্যে কুয়াকাটায় একটি হোটেলে বসে ১০ লাখ টাকা অগ্রিম নিয়েছেন মর্মে নিউজ টা সম্পুর্ন ভুয়া, বানোয়াট হীনমান্যতার বহিঃপ্রকাশ। তখন কার উপ পরিচালক (প্রশাসন) হিসাবে জনাব,জাকির হোসেন নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে গেছেন। অভিযোগকারীর বিষয়টি স্বীকার করেছেন অর্থ দেওয়া নিয়োগ প্রত্যাশী অধ্যক্ষ প্রার্থী মর্মে প্রতিবেদনটি মিথ্যা বানোয়াট, মানহানিকর মামলার যোগ্য বলে জানিয়েছেন অধ্যক্ষ প্রত্যাশি জনাব মাওঃ আলমগীর হোসেন। পটুয়াখালীর সদর উপজেলাধীন মরিচবুনিয়া ইসলামিয়া নেছারিয়া আলিম মাদ্রাসার সকল নিয়োগ পরীক্ষা শেষ করে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরে পাঠানো হয়েছে দ্রুত এমপিওভুক্তির জন্য ব্যবস্থা নিতে।পরিচালক প্রশাসন পাঁচই আগস্ট পরবর্তী সময় বদলি হওয়ার কারনে নিয়োগ প্রতি বেশ টাকা দাবি করায় নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে বিলম্বিত হয়।
আর জালিয়াতির সাথে জড়িত মর্মে মাদ্রাসা শিক্ষা অধদিপ্তরের ডিডি আরিফুর রহমান মজুমদার, পটুয়াখালীর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইফফাত আরা জামান উর্মি, মাদ্রাসার সাবেক ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ফাতেমা ইয়াসমিন, মাদ্রাসার সাবেক গভর্নিং বডির সভাপতি কাওছার মাহমুদ ও উপজেলা আইসিটি কর্মকর্তা মোঃ শাহ মুসাব্বির মিরাজের বিরুদ্বে যে ৭০ লাখ টাকার অভিযোগ আনা হয় তা সম্পুর্ন ভিত্তিহীন ও হীনমন্যতার বহিঃপ্রকাশ। ২০২৪ সালের ২ আগষ্ট জাতীয় দৈনিক ‘আজকের প্রভাত’ ও স্থানীয় দৈনিক গণদাবী পত্রিকায় অধ্যক্ষ, অফিস সহকারী কাম-হিসাব সহকারী, অফিস সহকারী কাম-কম্পিউটার অপারেটর, নিরাপত্তা কর্মী ও আয়া পদে মাদ্রাসার শিক্ষক কর্মচারি সহ সকল কে জানিয়ে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়। নিয়োগ বোর্ডে ২০ জানুয়ারি ২০২৫ ইং তারিখে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের প্রতিনিধি মনোনয়ন দেওয়া হয়। গত ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ ইং তারিখে মরিচবুনিয়া ইসলামিয়া নেছারিয়া আলিম মাদরাসার গভর্নিং বডির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইফফাত আরা জামান উর্মির কার্যালয়ে তাতক্ষনিক প্রশ্ন করে নিয়োগ পরীক্ষা নেওয়া হয়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও গভর্নিং বডির সভাপতি ইফফাত আরা জামান উর্মি স্থানীয় সাংবাদিকদের কাছে নিয়োগ পরীক্ষার এক ভিডিও স্বাক্ষাৎকারে বলেন যে নিয়োগ কার্যক্রম নিয়োগ বোর্ডের ডিজি প্রতিনিধির স্বাক্ষর না হলে নিয়োগ পএ দেয়া যায় না,কিন্ত নিয়োগ কার্যক্রম হয়েছে মর্মে প্রত্যায়ন দেয়া হয়েছে।
তাই প্রকাশিত সংবাদের প্রতি আমি তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাচ্ছি এবং সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যমকে সত্য যাচাই করে পরবর্তী সময় সংবাদ প্রকাশের অনুরোধ জানাচ্ছি।