মোঃ হাসমত আলী, সিরাজগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি:
বহুল আলোচিত সিরাজগঞ্জ জেলার এনায়েতপুর থানার কার্যক্রম শুরু। উপস্থিত ছিলেন, পুলিশ হেডকোয়ার্টার থেকে,ডি আই জি সহিব রিয়াজ আলম, জেলা ডিসি সাহেব, জেলা এসপি সাহেব, রেঞ্জ ডিআইজি, এবং আরও পুলিশের অফিসার, আর্মি থেকে লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোঃ নাহিদ আমির, আরও কয়েকজন সেনা অফিসার,ডিবি সহ অনেকেই।
তাহাদের উপস্থিতীতে এনায়েতপুর এর ছাত্র জনতা একসাথে থানা পরিস্কার এর কাজে লাগে, এবং সিরাজগঞ্জ জেলা সদর থেকে একজন অফিসার ইনচার্জ ওসি মোঃ আসিফ কে এই এনায়েতপুর থানার কার্যক্রম এর দ্বায়িত্ব দেন,
উপস্থিত সবাই।
ডি আই জি সহিব রিয়াজ আলম বলেন, আপনারা জানেন, এগুলো কিসের জন্য হয়েছে। এগুলো আমি আর আলোচনা করতে চাই না। এখন মানুষ কে সেবা দিতে হবে, থানার কার্যক্রম চালু করতে হবে। আপনারা জানেন বিভিন্ন জায়গায় ডাকাতি হচ্ছে,ছিনতাই হচ্ছে, আসলেই যারা প্রফেশনাল ছিনতাই কারী তারাই সুবিধা গুলো নিচ্ছে। আমরা সাধারণ মানুষ আগে ও কস্ট করছি এখন ও বিপদে পরেছি। থানা কার্যক্রম শুরু করব আমরা আজকে,
ইনিস্পেক্টর মোঃ হাসিব সাহেব আছেন, তিনি, আপনাদের সাহায্য সহযোগিতা নিয়ে থানার কার্যক্রম শুরু করবেন, সিরাজগঞ্জ সদর থেকে পোস্টিং দেয়া হয়েছে। তিনি অত্যন্ত ভালো মানুষ, আজকে তিনি প্রতিকি ভাবে শুরু করবেন কালকে আমাদের" নাহিদ সাহেব এর ৪০ জন লোক চলে আসবেন।অন্য বিল্ডিং এ কাজ শুরু করব,এই বলে কার্যক্রম ঘোষণা দেন ডিআইজি। ডিআইজি আর ও বলেন, স্টুডেন্ট দের জন্য ই এই বিপ্লব হয়েছে এর আগেও স্টুডেন্ট রাই বিপ্লব করেছেন কিন্তু স্বাধীনতার পর এটাই সবচেয়ে বড় বিপ্লব। সেজন্য আপনারা থাকবেন সহযোগিতা করবেন কালকে ও থাকবেন (পালা) করে সাহায্য করবেন, এখানে আর কোন হামলা হবে না আশা করি।
এস পি সাহেব বলেন, লেফটেন্যান্ট কর্নেল নাহিদ ভাই,,গত তিন সপ্তাহ ধরে এখানে জনগণের জন্য নির্লস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন, তিনি আরও বলেন, এনায়েতপুর থানা এটি আপনাদের সম্পদ, এখান যারা আসবে তাঁদের সবাইকে নিয়ে আপনারা কাজ করবেন,এটি আপনাদের পবিত্র আমানত,সবাই কাজে সহযোগিতা করবেন।
তিনি আরও বলেন, থানার সবকিছুই যেহেতু পুরে গেছে আপনাদেরকে বলছি,কেউ ১ টা চেয়ার কেউ ১ টা টেবিলের ব্যবস্থা করে দিবেন,
জেলা ডিআইজি বলেন, সন্মানিত ছাত্র বৃন্দ আপনারা এই পরিচ্ছন্নতার কাজে যে সহযোগিতা করছেন, একটি থানার অসম্ভব গুরুত্ব এখানে পুলিশ এর পনের জন সদস্য মরলে ও এখানে অনেক ছাত্র জনতা ও মারা গেছে এতে আমি দুঃখ প্রকাশ করছি।
লেফটেন্যান্ট কর্নেল নাহিদ বলেন, আমি এখানে এসে যা দেখলাম, ছাত্র জনতা যেভাবে এলাকা, রাস্তা, থানার ভেতরে ভেতরে বাহিরে পরিস্কার এর কাজ করছে তারা অবশ্যই প্রশংসার দাবিদার। আপনারা সব সময় বাকি দিন গুলো এভাবে সহযোগিতা করবেন, শৃংখলা একটা জায়গার জন্য খুব জরুরী বিষয়। তাই শৃংখলা দেখাতে থানার বিকল্প নাই। আপনারা থানাটি অ্যাক্টিভ করে নেন, পুলিশ ভাই এরা সহযোগিতা করবে আপনারা সহযোগীতা করবেন আমি ও মাঝখান থেকে এগিয়ে আসব সাথে থাকব।