স্টাফ রিপোর্টার;
বরগুনা জেলাধীন সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন এসডিএফ জেলা অফিস থেকে সূএ সিপিএসপি প্রশা/২০২৪-২৩৩ এ আনিত মোঃ তৌহিদুল ইসলাম এর প্রতি অভিযোগ বানোয়াট ভিত্তিহীন বদরখালি ক্লাস্টারের আওতাধীন দক্ষিন বাওয়াল কর গ্রাম সমিতির ভিসিওর লিডারের স্বিকারক্তি অনুযায়ী গত১১/০৫/২০২৩ইং তারিখ হিসাব নং ১২৭৮৯/৬, চেক নং ৬০০০১৪৯৫৯৪৯ এর মাধ্যমে ভিসিওর লিডার নূরজাহান বেগম ১১২৫০০/- একলক্ষ বারো হাজার পাঁচশত টাকা উওোলন করেন,এবং মঞ্জু/ জালাল কে ৪০০০০/- এবং ভিসিওর লিডারের স্বিকারক্তি অনুযায়ী তার মেয়ের নামে ৭০০০০/- সওর হাজার টাকা ঋণ বিতরন করেন,আর ২৫০০/- টাকা তাদের যাতায়াত নেন।উক্ত টাকা আয়শার নামে ছাড়িয়ে বদরখালি ক্লাস্টার এনজেসিসিএস এর ক্যাশিয়ার ডলি কে প্রদান করেন, যা অফিসের কেউ জানেনা।উক্ত টাকা ডলি দশ মাসে পরিশোধ করে দেন। সে গ্রামে জেলা কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির চৌধুরী ও জেলা জুনিয়ার হিসাব রক্ষক জহিরুল ইসলাম পরিদর্শন করেন এবং মোঃ তৌহিদুল ইসলাম উপজেলা অফিসার সিপিএসপি বরগুনা সদর উপজেলা তার প্রতি ব্যাংক সুপারিশের আপত্তি তোলেন যে সে টাকা আত্মসাৎ করেছেন,ভিসিওর লিডার নুরজাহান ফোন দিলে সে বলে আমাদের গ্রামের জন্য ১১২৫০০/-টাকার সুপারিশ উপজেলা অফিসার সিপিএসপি তৌহিদুল ইসলাম এর কাছ থেকে আনি এবং আমার মেয়ের নামে ৭০০০০/- টাকা ঋণ বিতরন করে সে টাকা এনজেসিসিএস ক্যাশিয়ার ডলি কে প্রদান করা হয়,ডলি কিস্তিতে তা পরিশোধ করেন।অন্য দিকে এনজেসিসিএস ক্যাশিয়ার ডলির সাথে কথা বললে সে নিজে আয়শার নামের ৭০০০০/- টাকা ঋণ হিসাবে নিয়ে কিস্তিতে পরিশোধ করেন বলে জানান,যুব সদস্য আয়শার সাথে ফোনে আলাপ কালে তিনি ঋণ টাকা ছাড়িয়ে ডলিকে দিয়েছে বলে জানান,অন্য দিকে জেলা কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির চৌধুরী জেলা এ এনজেডিসিএস এর ক্যাশিয়ার লাখির দ্বারা ২০২২-২০২৩ সালের ট্রেনি করান বাবদ ৮০০০/- হাজার টাকা তোলে ট্রেনিং করানো হয়, তৎকালিন সভাপতি দিলোয়ারা বেগম কে পরিষদের অধিবেশনে হুমায়ুন কবির চৌধুরী জেলা অফিসারের চাপে বাদ দেওয়া হয়, প্রতি দুই বছর পর পর কমের আলোকে কমিটি পরিবর্তন করতে হয় কিন্ত লাখির দ্বারা জেলা কর্মকর্তা কর্ম হাসিল করার জন্য ৫/৬ বছরেও তাকে পাল্টায়নি, সাবেক সভাপতি দিলারা বেগম, নতুন সভাপতি, সেক্রেটা্রির ও ক্যাশিয়ারের হাতে ট্রেনিং এর টাকা সহ সব হিসাব নিকাশ বুজিয়ে দিয়ে যান। সাবেক সভাপতি দিলোয়ারার সাথে কথা বললে সে সব কিছুই লিখিত আকারে বুজিয়ে দিয়ে আসছে বলে জানান,উক্ত টাকার সাথে উপজেলা অফিসার সিপিএসপি তৌহিদুল ইসলাম এর সাথে কোন সম্পর্ক নেই। তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ ও বিভিন্ন কৌশলে আমাদের ভিসিওর লোক দ্বারা কথা বার্তা রেকট বানিয়ে নেয়া বানোয়াট ভিত্তিহীন। এসডিএফ জেলা ও উদ্বর্তন কর্মকর্তা আওয়ামী লীগের খাছ লোক বিদায় উপজেলা অফিসার সিপিএসপি ডানপন্থী থাকায় এবং বৈষম্য ছাএ আন্দলোনের কথা বলায় তাকে অফিসে না আসতে বলা হয়,তাই পূনরায় অফিসে এসে সাবাবিক জীবন যাপন করার উর্ধতন কর্মকর্তা দের দৃস্টি আকর্ষন করছি।