মো: সোহরাওয়ার্দী হোসেন; সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি :
সিরাজগঞ্জ জেলার বেলকুচি উপজেলার ২ নং রাজাপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আলহাজ্ব মাওঃ মোঃ আব্দুল কুদ্দুস। সততা, কর্মদক্ষতা ও জনসেবার ব্রত নিয়ে তিনি নির্বাচনী মাঠে নেমেছেন। এলাকার সাধারণ মানুষের মুখে মুখে এখন শুধুই তার নাম। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সর্বস্তরের মানুষের প্রত্যাশা পূরণ ও ইউনিয়নকে একটি আধুনিক ও স্মার্ট ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তোলার স্বপ্ন নিয়ে তিনি প্রচারণায় ব্যস্ত সময় পার করছেন।
দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স:
আলহাজ্ব মাওঃ মোঃ আব্দুল কুদ্দুস ঘোষণা করেছেন, তিনি নির্বাচিত হলে ইউনিয়ন পরিষদে দুর্নীতির কোনো জায়গা থাকবে না। স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক প্রশাসনিক কাঠামো গড়ে তোলার মাধ্যমে প্রতিটি নাগরিকের সেবা নিশ্চিত করবেন। সরকারি বরাদ্দের সঠিক ও সুষম বণ্টনের মাধ্যমে তিনি রাজাপুরকে একটি মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে বদ্ধপরিকর।
মাদক ও অপরাধমুক্ত ইউনিয়ন:
তরুণ প্রজন্মকে মাদকের ভয়াল থাবা থেকে রক্ষা করতে তিনি কঠোর অবস্থানে রয়েছেন। তিনি বলেন, “মাদক ও অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনই আমার অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। এলাকার যুবসমাজকে খেলাধুলা ও গঠনমূলক কাজে সম্পৃক্ত করার পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নিয়ে মাদকের বিরুদ্ধে আমি যুদ্ধ ঘোষণা করছি।”
অবকাঠামো ও সামগ্রিক উন্নয়ন:
রাস্তাঘাট সংস্কার, আধুনিক ড্রেনেজ ব্যবস্থা, স্কুল-কলেজ-মাদ্রাসার মানোন্নয়ন এবং কবরস্থান ও শ্মশানঘাটের যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তিনি। তিনি জানান, এলাকায় ধর্মীয় ও সামাজিক সহাবস্থান অটুট রেখে প্রতিটি মানুষের নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করা তার অঙ্গীকার।
সাধারণ মানুষের কণ্ঠে আব্দুল কুদ্দুস:
ভ্যান শ্রমিক আসলাম: “আমাদের কুদ্দুস ভাই সবসময় পাশে থাকেন। বিপদে-আপদে তাকে কাছে পাওয়া যায়। তিনি চেয়ারম্যান হলে আমাদের কষ্টের দিন ফুরাবে।”
কৃষক আব্দুল বারেক: “আমরা সাধারণ কৃষক। তিনি আমাদের কথা বোঝেন। সার, বীজ ও কৃষি সহায়তায় তিনি সবসময় আমাদের সাথে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন।”
বিধবা নারী আসমা বলেন: “অসহায় মানুষগুলোর জন্য তিনি নিবেদিত প্রাণ। তিনি ভাতা কার্ড বা সরকারি সাহায্য নিয়ে কখনো অনিয়ম হতে দেবেন না, এই বিশ্বাস আমাদের আছে।”
তাঁত শ্রমিক জুবায়ের: “বেলকুচির তাঁত শিল্পকে টিকিয়ে রাখতে ও শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার আদায়ে আব্দুল কুদ্দুসের কোনো বিকল্প নেই।”
চাকরিজীবী হাবিবুল্লাহ বলেন : “একজন শিক্ষিত, ভদ্র ও মার্জিত মানুষ হিসেবে তিনি যে কোনো পরিবর্তনের কারিগর হতে পারেন। এলাকায় শান্তি ও উন্নয়নের জন্য আমরা সবাই তাকেই চাই।”
প্রার্থীর শেষ কথা:
আলহাজ্ব মাওঃ মোঃ আব্দুল কুদ্দুস সকল শ্রেণী-পেশার মানুষের কাছে দোয়া চেয়ে বলেন, “আমি শুধু একটি পদ নয়, বরং আপনাদের সেবা করার একটি সুযোগ চাই। আমি দলমতের ঊর্ধ্বে উঠে রাজাপুরবাসীর কল্যাণে নিজের জীবন উৎসর্গ করতে চাই। ইনশাআল্লাহ, আপনাদের মূল্যবান ভোটে আমি নির্বাচিত হলে রাজাপুরকে একটি আধুনিক ও স্মার্ট ইউনিয়নে রূপান্তর করবো।”
রাজাপুরের আপামর জনতার মাঝে এখন উৎসবের আমেজ। সব বয়সের মানুষ যেন মুখিয়ে আছেন সৎ ও যোগ্য প্রার্থী হিসেবে তাকে জয়যুক্ত করতে।
web;https://www.dainikbanglaralo.com, ✉️ banglaralodainik@gmail.com
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, Dainik Banglaralo