
নিজস্ব প্রতিবেদন:
সমাজের এক শ্রেণির বিত্তশালী মানুষের হাতে প্রতিনিয়ত নিপীড়নের শিকার হচ্ছেন সাধারণ গরিব মানুষ। টাকা আর ক্ষমতার দাপটে শ্রমিকের ঘাম ঝরে যাচ্ছে, কিন্তু ন্যায্য মজুরি মিলছে না। জমি-বাড়ি কেড়ে নেওয়া হচ্ছে জোর করে। অভিযোগ করলেই চাকরি হারানো, মামলা-হামলার ভয় দেখানো হচ্ছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শ্রমিক বলেন, “দিনে ১২ ঘণ্টা খাটাই, মাস শেষে যে টাকা পাই তা দিয়ে সংসার চলে না। প্রতিবাদ করলেই বলে ‘যাও, তোমার জায়গায় হাজার লোক দাঁড়ায়ে আছে’।”বিশ্লেষকদের মতে, এই বৈষম্যের মূল কারণ ইনসাফের অভাব। আইন থাকলেও তা প্রয়োগ হয় টাকার অঙ্ক দেখে। ফলে গরিবের অভিযোগ থানার দরজায়ই আটকে যায়। শিক্ষা, চিকিৎসা, চাকরি—সব জায়গায় ধনীর সন্তান এগিয়ে, মেধা থাকলেও গরিবের সন্তান পিছিয়ে পড়ে।
সমাজকর্মীরা বলছেন, এটা শুধু অর্থনৈতিক শোষণ নয়, এটা মানবিকতার ওপর আঘাত। ধনীকে মনে রাখতে হবে সম্পদ আল্লাহর আমানত। যাকাত, ন্যায্য মজুরি, মানবিক আচরণ—এগুলো শুধু ধর্মীয় নির্দেশ নয়, সমাজ টিকিয়ে রাখার শর্ত।স্থানীয়রা বলছেন, আর চুপ থাকা যায় না। আইনের শাসন, ন্যায্য মজুরি আর সামাজিক মর্যাদা নিশ্চিত না হলে এই নীরব জুলুম একদিন বিস্ফোরণ ঘটাবে।