রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:১০ পূর্বাহ্ন

সর্বশেষ সংবাদ :
Welcome To Our Website...
সংবাদ শিরোনাম :
৩০ আসনের ফলাফল স্থগিত ও পুনর্গণনার আবেদন জামায়াতের, শপথ স্থগিতেও আইনি উদ্যোগ; কাউখালীতে বিএনপি প্রার্থী সোহেল মনজুর সুমনকে ফুলেল শুভেচ্ছা,শৃঙ্খলা ভঙ্গের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি; মোহাম্মদ আনিসুর রহমান খোকন তালুকদার-কে ফুলেল শুভেচ্ছা; দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান: নওগাঁর আত্রাই পেল এবার নিজস্ব এমপি; মাদারীপুর-০৩ আসনে জামানত হারালেন যারা; সংযমের বার্তায় পিরোজপুর-২ এ সোহেল মনজুর সুমনের জয়; পটুয়াখালী মরিচবুনিয়ায় শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট গ্রহন; নওগাঁয় ভোট গণনার আগেই ফলাফল শিটে স্বাক্ষর, প্রিজাইডিং কর্মকর্তা প্রত্যাহার; নওগাঁর আত্রাইয়ে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ চলছে; মাদারীপুরের তিনটি আসনে পৌঁছেছে ব্যালটসহ নির্বাচনি সরঞ্জাম; কুটার খ্যাড়ে অগ্নিসংযোগ: তিনটি গরু পুড়ে মারা গেছে, গোয়ালঘরসহ দুইটি খ্যাড় ছাই; কড়া নিরাপত্তায় আত্রাইয়ের ভোট কেন্দ্রে পৌঁছানো হলো ব্যালট বাক্স ও সরঞ্জাম; মোংলায় কেন্দ্রে কেন্দ্রে পৌঁছানো হচ্ছে নির্বাচনি সরঞ্জাম; নির্বাচন ও গণভোট ঘিরে নওগাঁয় পুলিশের কড়া বার্তা অনিয়ম হলে তাৎক্ষণিক আইনানুগ ব্যবস্থা; আত্রাইয়ে বিএনপির উঠান বৈঠক ও মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার রূহের মাগফিরাত কামনায়  দোয়া অনুষ্ঠিত ; নির্বাচন পর্যবেক্ষক কার্ড: অহংকার নয়, পেশাগত দায়িত্বের সীমারেখা-সম্পাদক, দৈনিক বাংলার আলো;; হিন্দুদের বাড়িতে হুমকির অভিযোগ — রুহুল আমিন দুলাল; লালমনিরহাট-২ আসনে জামায়াত প্রার্থীর গাড়িবহর আটক, পরে ছেড়ে দেয় বিজিবি; নওগাঁতে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা প্রকল্পের নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত; আত্রাইয়ে বিএনপির বিশাল নির্বাচনী প্রচারণা ও পথসভা অনুষ্ঠিত;

ঐতিহাসিক সলঙ্গা বিদ্রোহ দিবস;

মোঃ সোহরাওয়ার্দী
ব্যুরো প্রধান রাজশাহী

১৯২২ সালের ২৭ জানুয়ারি তদানীন্তন ব্রিটিশ সরকারের লেলিয়ে দেওয়া পুলিশ বাহিনীর গুলিতে সলঙ্গার হাটে বিলেতি পণ্য বর্জন আন্দোলনের কর্মীসহ সাড়ে চার হাজার সাধারণ মানুষ শহীদ হন।
ব্রিটিশ শাসনামলে সাম্রাজ্যবাদবিরোধী অসহযোগ আন্দোলন ও খেলাফত আন্দোলনে জনতা উদ্বেলিত হয়ে বিলেতি পণ্য বর্জন করে স্বদেশি পণ্য ব্যবহারের সংগ্রাম শুরু করেছিলেন। এমনি একটি আন্দোলনের ঢেউ এসে আছড়ে পড়ে সলঙ্গায়। সে সময় তৎকালীন পাবনা জেলার (বর্তমান সিরাজগঞ্জে) সলঙ্গায় একটি ব্যবসায়িক জনপদ হিসেবে সপ্তাহে দু’দিন হাট বসত। ১৯২২ সালের ২৭ জানুয়ারি ছিল বড় হাটবার। মাওলানা আবদুর রশিদ তর্কবাগীশের নেতৃত্বে অসহযোগ ও খেলাফত আন্দোলনের কর্মীরা হাটে নামেন বিলেতি পণ্য কেনাবেচা বন্ধ করতে। আর এই স্বদেশি আন্দোলনের কর্মীদের রুখতে ছুটে আসেন পাবনা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আর এন দাস, জেলা পুলিশ সুপার ও সিরাজগঞ্জ মহকুমা প্রশাসক এস কে সিনহাসহ ৪০ জন সশস্ত্র পুলিশ।
সলঙ্গার গো হাটায় ছিল বিপ্লবী স্বদেশি কর্মীদের অফিস। পুলিশ কংগ্রেস অফিস ঘেরাওপূর্বক গ্রেফতার করে মাওলানা আবদুর রশিদকে। সঙ্গে সঙ্গে তাকে মুক্ত করতে বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। বিদ্রোহে ফেটে পড়ে সলঙ্গার সংগ্রামী জনতা। জনতার ঢল ও আক্রোশ দেখে ম্যাজিস্ট্রেট জনতাকে ছত্রভঙ্গ করার জন্য গুলি চালাতে নির্দেশ দেন। শুরু হয় বুলেট-বৃষ্টি। ৪০টি রাইফেলের মধ্যে মাত্র একটি থেকে কোনো গুলি বের হয়নি। এ রাইফেলটি ছিল একজন বাঙ্গালী পুলিশের। হত্যাকাণ্ডে হতাহতের সরকারি সংখ্যা চার হাজার পাচশত (৪৫০০) দেখানো হলেও বেসরকারি বিভিন্ন সংস্থার মতে এর সংখ্যা দশ হাজার (১০০০০) এরও অধিক।
মাওলানা আবদুর রশিদ সলঙ্গা বিদ্রোহের মাধ্যমে উপনিবেশিক শাসনের ভিত নড়িয়ে দিয়েছিলেন। সলঙ্গার রক্তসিক্ত বিদ্রোহ শুধু বাংলার মাটিকে সিক্ত করেনি, সিক্ত করেছে সমগ্র উপমহাদেশ। যে রক্তে ভেজা পিচ্ছিল পথে অহিংস, অসহযোগ আন্দোলনে যা কিছু অর্জিত হয়েছে, তা সলঙ্গা বিদ্রোহেরই ফসল।

সংবাদটি শেয়ার করুন :

Copyright © Frilix Group
প্রযুক্তি সহায়তায় মাল্টিকেয়ার