মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ১১:১০ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ :
কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির নতুন আহ্বায়ক কমিটিকে ইঞ্জিনিয়ার মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর অভিনন্দন; প্রশাসনের নাকের ডগায় মঠবাড়ীয়ার খাল-বিল ও নদী-নালা অবৈধ জালে অবরুদ্ধ, জলাবদ্ধতায় কৃষকের চরম ভোগান্তির অভিযোগ; প্রধানমন্ত্রীর ফোনে জলাবদ্ধতার কারণে কুমিল্লায় এইচএসি পরীক্ষার কেন্দ্র পরিবর্তন পরীক্ষার্থীদের জন্য সময় বাড়ানো হলো ৩০ মিনিট; স্বাধীনতার পরও উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি, ৭০ বছর ধরে কাঁচা মোহনপুর-তালতলা সড়ক; মাইঝাইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের আবারও ঈর্ষনীয় সফল্য; প্রশংসায় ভাসছেন শিক্ষকরা ; গোমতী মাদক বিরোধী ও সমাজ উন্নয়ন সংগঠনের উপদেষ্টা হলেন সাংবাদিক মোঃ মাসুদ রানা; কাউখালীতে বাল্যবিবাহ, যৌতুক,মাদক ও পারিবারিক সহিংসতা প্রতিরোধে ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত; সাংবাদিক মাসুদুর রহমানকে প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে তদন্তের নির্দেশ; কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির নতুন ৮ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি গঠন; কাউখালীতে ২৫ গ্রাম গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার;

গাজীপুরে জিহাদি খেজুরের কেজি ২৮০ টাকা ;

  • Update Time : মঙ্গলবার, ১২ মার্চ, ২০২৪
  • ৩৩৭ বার পঠিত

ডেক্স রি‌পোর্টার;

শুরু হয়েছে পবিত্র মাহে রমজান। সারা দিন পানাহারে বিরত থেকে সিয়াম সাধনার পর ইফতারে খেজুর মুখে দেন প্রায় সব মুসল্লি। রোজাদাররা মনে করেন, এই ফল দিয়েই ইফতার করতেন মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) কাজেই ইফতারে ফলটি মুখে দেওয়া সুন্নত। সে কারণেই রমজান মাসে বাংলাদেশে খেজুরের চাহিদা অনেক বেড়ে যায়।রমজান মাস উপলক্ষে দেশে প্রতিবছর মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো থেকে প্রচুর পরিমাণ খেজুর আমদানি করা হয়ে থাকে। এবছরও তার ব্যতিক্রময় হয়নি। তবে দামটা অনন্য বারের থেকে অনেক বেশি। বিক্রেতাদের দাবি, আমরা যেভাবে কিনেছি বিক্রি করছি ঠিক সেই হিসাবেই।মঙ্গলবার (১২ মার্চ) গাজীপুরের বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, সর্বোচ্চ দামে এক কেজি ১৭০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে আম্বার খেজুর। গাজীপুর যেহেতু শিল্পঅধ্যুষিত জেলা। এখানাকার অধিকাংশ মানুষ বিভিন্ন শিল্পকারখানায় কাজ করেন। তাদের আয় স্বল্প। যার কারণে এসব খেটে খাওয়া মানুষ আয়ের সঙ্গে ব্যয়ের মিল রেখে খরচ করেন। ফলে, রমজান উপলক্ষে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হচ্ছে জিহাদি খেজুর। বাজারে এই খেজুর বিক্রি হচ্ছে ২৮০ টাকা কেজি দরে। অথচ গত রোজায় এই খেজুর বিক্রি হয়েছে ১৮০ টাকায়।এছাড়াও, বাজারে ‘লুলু’ খেজুর ১ কেজি ৪০০ টাকা , ‘কালাস’ খেজুর ১ কেজি ৩৫০টাকা , ‘মেডজল’ খেজুর ১ কেজি ১৫০০ টাকা, ‘বরই’ খেজুর ১ কেজি ৬০০ টাকা, ‘আজোয়া’ খেজুর ১ কেজি ১১০০ টাকা, ‘মাবরুম’ খেজুর ১ কেজি ১৩০০ টাকা, ‘ধাপাস’ খেজুর ১ কেজি ৭০০ টাকা, ‘সুক্কারী’ খেজুর ১ কেজি ৬৫০ টাকা, ‘কামরাঙা আজোয়া’ খেজুর ১ কেজি ৬০০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে।খেজুর কিনতে আসা মেজবাহ উদ্দিন বলেন, খেজুরের দাম বেশি, তবুও কিনতে হচ্ছে। ইফতারে খেজুর না থাকলে অপূর্ণতা লাগে। এজন্য ২ কেজি খেজুর নিলাম ৮০০ টাকা দিয়ে। দেখতে কালো এই খেজুরের নাম দোকানদার বললেন লুলু।ছানোয়ার নামে এক দিনমজুর বলেন, সবচেয়ে কমদামি খেজুর ২৮০ টাকা। এই দামেও কিনে খাওয়া আমাদের জন্য কষ্টকর। ভালো খেজুরের আশা করি না।বিক্রেতা ফখরুল বলেন, এবার খেজুর বেশি দামে কিনতে হয়েছে। ফলে স্বাভাবিক ভাবেই দাম একটু বেশি। দাম বেশি হলেও বিক্রিতে প্রভাব পরেনি। সবচেয়ে বেশি বিক্রি হচ্ছে জিহাদি খেজুর।এদিকে, বাজারে তরমুজ ৮০ টাকা কেজি, মুড়ি ৮০ টাকা কেজি, শসা ১০০ টাকা কেজি, ছোলা ১১০ টাকা কেজি, পুদিনাপাতা ১০০ গ্রাম ২০ টাকা, ধনে পাতা ২০ টাকা মুঠি, লেবুর হালি ৬০ থেকে ৭০ টাকাতে বিক্রি হতে দেখা গেছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
Copyright © Frilix Group
Theme Customized By BreakingNews