শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ১১:৫১ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ :
মাদকমুক্ত ও আধুনিক মডেল ইউনিয়ন গড়ার প্রত্যয়ে বেলকুচির ভাঙ্গাবাড়ীতে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী জাহাঙ্গীর আলম জুপিটারের গণসংযোগ; চা বিক্রি করে সংসার, দুই সন্তানের বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বপ্ন থমকে যাওয়ার পথে; আত্রাইয়ে মডেল মসজিদ প্রাঙ্গণে গাছের চারা রোপণ করলেন ইউএনও মনিরুজ্জামান; বদলগাছীতে সরকারি খাস পুকুর দখল করে মাছ চাষের অভিযোগ ; কালকিনিতে মহিলা মাদ্রাসায় বিস্ফোরণ, আহত ৫; রিজভীসহ চার নেতাকে অভিনন্দন জানালেন সাইদুর রহমান লিটন; কবিতা -ছয় ঋতু ; কাউখালীতে পুলিশের অভিযানে ইয়াবাসহ আটক ২, নদীতে ঝাঁপ দিয়ে পালালেন সন্দেহভাজন; সংগ্রাম থেকে নেতৃত্বের শিখরে—বেগম খালেদা জিয়ার জীবন যেন এক রাজনৈতিক উপাখ্যান; মঠবাড়িয়ায় যুবদল, ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের বিক্ষোভ সমাবেশ;

জনতার আস্থার প্রতীক, সততার আলোকবর্তিকা: দৌলতপুর ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের কান্ডারি মো: গোলাম মোস্তফা;

  • Update Time : রবিবার, ২ আগস্ট, ২০২৬
  • ৫৯ বার পঠিত

মো: সোহরাওয়ার্দী হোসেন ;
সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি :

​সিরাজগঞ্জ জেলার বেলকুচি উপজেলার অন্তর্গত দৌলতপুর ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের মেম্বার পদপ্রার্থী মো: গোলাম মোস্তফা একজন প্রবীণ, ত্যাগী এবং জনবান্ধব রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। দীর্ঘ ২৪ বছরের রাজনৈতিক জীবনে তিনি সর্বদা সাধারণ মানুষের অধিকার আদায় এবং এলাকার সার্বিক উন্নয়নে নিজেকে উৎসর্গ করেছেন। সততা, ন্যায়পরায়ণতা এবং আপসহীন মনোভাবের কারণে তিনি আজ অত্র অঞ্চলের সর্বস্তরের মানুষের আস্থার প্রতীকে পরিণত হয়েছেন।

​রাজনৈতিক জীবন ও আত্মত্যাগ

​মো: গোলাম মোস্তফার রাজনৈতিক যাত্রা শুরু হয় প্রায় ২৪ বছর আগে। দীর্ঘ এই রাজনৈতিক পথপরিক্রমায় তিনি দলের আদর্শ বাস্তবায়ন ও সাধারণ মানুষের কল্যাণে কাজ করতে গিয়ে বহু প্রতিকূলতার মুখোমুখি হয়েছেন।

​পূর্বের দায়িত্ব: তিনি ২০০৯ সালে দৌলতপুর ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সেক্রেটারির দায়িত্ব অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে পালন করেছেন।

​বর্তমান পরিচয়: বর্তমানে তিনি দৌলতপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহবায়কের দায়িত্বে থেকে দল ও জনগণের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছেন।

​কারাবরণ ও নিপীড়ন: জনগণের অধিকার আদায়ের আন্দোলন করতে গিয়ে তাঁকে নানা দমন-পীড়নের শিকার হতে হয়েছে। বিশেষ করে ২০২২ সালের দিকে তাঁকে মিথ্যা মামলা ও কারাবরণের মতো জেল-জুলুমের শিকার হতে হয়, যা তাঁর রাজনৈতিক সততা ও অটল মনোবলেরই প্রমাণ দেয়।

​কৃষক, শ্রমিক ও মেহনতী মানুষের অধিকার আদায়

​শুরু থেকেই মো: গোলাম মোস্তফা কৃষক, শ্রমিক ও মেহনতী মানুষের পক্ষে সোচ্চার রয়েছেন। খেটে খাওয়া মানুষের ন্যায্য মজুরি, অধিকার রক্ষা এবং তাদের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে তিনি সবসময় আন্দোলন ও সংগ্রাম করে গেছেন। প্রান্তিক চাষিদের সার, বীজ ও সেচ প্রাপ্তির ক্ষেত্রে হয়রানি রোধে তিনি সর্বদা তাদের পাশে থেকেছেন এবং ভবিষ্যতেও তাদের অধিকার সুরক্ষায় দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।

​এলাকার অবকাঠামোগত ও সামাজিক উন্নয়ন

​দৌলতপুর ইউনিয়ন তথা ৭নং ওয়ার্ডের সার্বিক উন্নয়নে তাঁর অবদান অনস্বীকার্য। নির্বাচিত হলে এলাকার উন্নয়নে তিনি যে বিষয়গুলোকে অগ্রাধিকার দেবেন তা হলো:

​রাস্তাঘাট ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন: গ্রামীণ জনপদের যোগাযোগ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন, কাঁচা রাস্তা পাকাকরণ এবং চলাচলের উপযোগী করে তোলা।

​শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান: স্থানীয় স্কুল, কলেজ এবং মাদ্রাসার মানোন্নয়ন এবং শিক্ষার পরিবেশ উন্নত করা।

​কবরস্থান ও সামাজিক প্রতিষ্ঠান: এলাকার কবরস্থানগুলোর সংস্কার, সংরক্ষণ এবং সামাজিক অবকাঠামোগত উন্নয়ন নিশ্চিত করা।

​সাধারণ মানুষের মূল্যায়ন ও মতামত

​কৃষক আব্দুল হাই-এর অভিব্যক্তি:

​”গোলাম মোস্তফা ভাই আমাদের সুখ-দুঃখে সবসময় পাশে থাকেন। আমরা চাষিরা কোনো বিপদে পড়লে, সার-বীজের সমস্যা হলে তিনি নিজ উদ্যোগে আমাদের সাহায্য করেন। তিনি গরিবের কষ্ট বোঝেন, তাই আমরা তাঁকে ওয়ার্ডের মেম্বার হিসেবে দেখতে চাই।”

​ব্যবসায়ী দুলাল-এর অভিব্যক্তি:

​”আমাদের বাজারে এবং এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে গোলাম মোস্তফা ভাইয়ের ভূমিকা অনন্য। তিনি একজন সৎ ও ন্যায়পরায়ণ মানুষ। তাঁর মতো একজন সাহসী ও পরিচ্ছন্ন ইমেজসম্পন্ন নেতা এলাকার উন্নয়নে সবচেয়ে বেশি উপযোগী।”

​বয়স্ক মহিলা শাপলা-এর অভিব্যক্তি:

​”গোলাম মোস্তফা সাহেব খুব ভালো মনের মানুষ। তিনি মুরুব্বিদের সম্মান করেন এবং গরিব মানুষের খোঁজখবর নেন। তাঁর মাঝে কোনো অহংকার নেই, তিনি সবার বিপদে আপদে ছুটে আসেন।”

​বয়স্ক ও বিধবা ভাতার সঠিক বন্টন

​সরকারি সহায়তা ও সামাজিক নিরাপত্তার বিভিন্ন কার্ড (যেমন—বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা, স্বামী পরিত্যক্তা ভাতা এবং প্রতিবন্ধী ভাতা) প্রদানে অতীতে নানা অনিয়মের অভিযোগ থাকলেও, মো: গোলাম মোস্তফা এই বিষয়ে সম্পূর্ণ স্বচ্ছতা বজায় রাখার ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন যে, কোনো ধরনের দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি বা ঘুষ ছাড়াই প্রকৃত ও مستحق (অভাবী) মানুষের দোরগোড়ায় এসব কার্ড পৌঁছে দেওয়া হবে।

​ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সর্বজনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব

​রাজনীতি ও সমাজসেবা করতে গিয়ে তিনি কখনো মানুষের মধ্যে ভেদাভেদ তৈরি করেননি। দলমত, ধর্ম ও বর্ণ নির্বিশেষে দৌলতপুর ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের আপামর জনসাধারণ তাঁকে ভালোবাসে এবং শ্রদ্ধা করে। তাঁর এই সর্বজনীন গ্রহণযোগ্যতাই তাঁকে প্রতিদ্বন্দীদের চেয়ে এগিয়ে রেখেছে এবং এলাকার উন্নয়নের রূপকার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
Copyright © Frilix Group
Theme Customized By BreakingNews