সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ০২:৫৮ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ :
বেলকুচি ১নং সদর ইউনিয়ন উন্নয়নের রোল মডেল ও মাদকমুক্ত হিসেবে গড়ে তুলতে চান গোলাম আজম; থানা থেকে দুই আ.লীগ নেতাকে ছাড়িয়ে নিলেন যুবশক্তি নেতা; শ্বশুর-শাশুড়ি-দেবরের যাবজ্জীবন, স্বামী খালাস; অধ্যাপক মোজাফফর আহমদ: গণতন্ত্র ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার এক নিবেদিতপ্রাণ রাজনীতিক; কবিতাঃ কবি শুকান্ত ভট্টাচাৰ্য ; দেবিদ্বারের সব বেসরকারি হাসপাতাল-ক্লিনিক পরিদর্শনের দাবি এমপি আবুল হাসনাতের; ভাঙ্গুড়া বাজারে পূবালী ব্যাংকের ‘ক্যাশলেস এক দেশ এক QR’ সেবা উদ্বোধন; বেলকুচিতে উদাসীনতা: ময়লার স্তূপ ও জঙ্গলে পড়ে নষ্ট হচ্ছে জনগণের টাকায় কেনা ডিভাইডার; ৫ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ,যুবক পুলিশ হেফাজতে; মাদক ও অপরাধমুক্ত সমাজ গড়ার প্রত্যয়ে দৌলতপুরের মেম্বার পদপ্রার্থী মো: রহিজ ব্যাপারি;

ইন্দুরকানীতে সরকারি রাস্তার পাশের গাছ কাটার চেষ্টা বন বিভাগের হস্তক্ষেপে বন্ধ, সরঞ্জাম জব্দ;

  • Update Time : রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ২৩৬ বার পঠিত

পিরোজপুর প্রতিনিধি:

ইন্দুরকানী উপজেলা-তে সরকারি রাস্তার পাশের একটি গাছ কেটে নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে এক অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে। সময়মতো বন বিভাগের হস্তক্ষেপে গাছ কাটা বন্ধ করা হয়।
সরেজমিনে জানা যায়, উপজেলার দক্ষিণ ভবানীপুর গ্রামের ৮ নম্বর ওয়ার্ডে মাসুম হাওলাদারের বাড়ির সামনে ইন্দুরকানী–কলারণ–সন্ন্যাসী সড়কের পাশে রোপণ করা একটি মেহগনি গাছ কাটার চেষ্টা করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, ভবানীপুর গ্রামের হাজি বাড়ির আব্দুস ছত্তারের ছেলে, অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্য মো. নজরুল ইসলাম লোকজন দিয়ে গাছটির ডালপালা কেটে ফেলেন এবং গোড়ায়ও কাট দেন।
এ সময় বাংলাদেশ বন বিভাগ-এর কর্মকর্তারা বালিপাড়া যাওয়ার পথে ঘটনাটি প্রত্যক্ষ করেন। তারা গাছ কাটার অনুমতি সম্পর্কে জানতে চাইলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি কোনো বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেননি। পরে বন বিভাগের কর্মকর্তারা তাৎক্ষণিকভাবে গাছ কাটা বন্ধ করে কাটার সরঞ্জাম জব্দ করেন এবং স্থানীয় গ্রাম পুলিশ সদস্যের জিম্মায় রাখেন।
এলাকাবাসীর দাবি, রাস্তার পাশের গাছ সরকারি সম্পত্তি এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যথাযথ অনুমতি ছাড়া এভাবে গাছ কাটার চেষ্টা বেআইনি ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
উপজেলা বন বিভাগের কর্মকর্তা এফ এম কেরামত আলী বলেন, “ঘটনাস্থলে গিয়ে আমরা গাছ কাটার সরঞ্জাম জব্দ করে গ্রাম পুলিশের জিম্মায় রেখে এসেছি। তবে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না, সে বিষয়ে এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি।”
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও প্রশাসক হাসান মোহাম্মাদ হাফিজুর রহমান বলেন, অভিযুক্ত ব্যক্তি তার সঙ্গে দেখা করে গাছটি নিজের বলে দাবি করেছেন। “গাছটি কার জমিতে রয়েছে তা যাচাই করা হবে। যদি এটি সরকারি সম্পত্তি হিসেবে প্রমাণিত হয়, তাহলে নিলামের মাধ্যমে বিক্রি করা হবে। আর যদি ব্যক্তিমালিকানাধীন জমিতে হয়ে থাকে, তাহলে যিনি গাছ কেটেছেন তাকে গাছটি ফেরত দেওয়া হবে,”—বলেন তিনি।
অভিযুক্ত মো. নজরুল ইসলাম দাবি করেন, যে গাছটি কাটা হচ্ছিল সেটি তাদের নিজস্ব উদ্যোগে রোপণ করা হয়েছিল। তিনি বলেন, “সরকারি কোনো গাছ আমি কাটিনি।”

সংবাদটি শেয়ার করুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
Copyright © Frilix Group
Theme Customized By BreakingNews