
নিজস্ব প্রতিবেদক: আব্দুল হান্নান শেখ
কোরবানির ঈদ। চারদিকে মাংস কাটার ধুম। কিন্তু গরিবের টিনের ঘরে চুলায় বসে পানি আর আলুর পাতিল। বছরের একটা দিনেও পাতিলে গরুর মাংস জোটে না।ঈদ আমাদের জন্য না। ঈদ হলো যাদের সামর্থ্য আছে তাদের জন্য” – চোখ নামিয়ে বলেন এক অসহায় মা। স্বামী নাই, ছেলে যা আয় করে তাতে ১ কেজি মাংস মানে ৩ দিনের বাজার।
ধনীর সন্তান নতুন জামা পরে, গরিবের সন্তান গত বছরের জামা ধুয়ে পরে। ধনীর ঘরে পোলাও-কোরমা, গরিবের ঘরে শুধু সেমাই। মাংসের ঘ্রাণ আসে পাশের বাড়ি থেকে। বাচ্চাটা আবদার করে, “মা মাংস খাবো”। মা বুকে জড়িয়ে মিথ্যা বলে – “আল্লাহ এবার দেয় নাই রে মা।তবুও তারা ঈদ করে। গোসল করে, নামাজ পড়ে। বড়লোকের দেয়া এক বাটি মাংস বাচ্চাদের মুখে তুলে দেয়। নিজে খায় না।কোরবানি মানে শুধু পশু জবাই না। পাশের অভুক্ত মানুষটার মুখে হাসি ফোটানোও কোরবানি। ঈদ আসুক সবার ঘরে, শুধু বিত্তবানের ঘরে না।