মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ১২:৫১ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ :
কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির নতুন আহ্বায়ক কমিটিকে ইঞ্জিনিয়ার মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর অভিনন্দন; প্রশাসনের নাকের ডগায় মঠবাড়ীয়ার খাল-বিল ও নদী-নালা অবৈধ জালে অবরুদ্ধ, জলাবদ্ধতায় কৃষকের চরম ভোগান্তির অভিযোগ; প্রধানমন্ত্রীর ফোনে জলাবদ্ধতার কারণে কুমিল্লায় এইচএসি পরীক্ষার কেন্দ্র পরিবর্তন পরীক্ষার্থীদের জন্য সময় বাড়ানো হলো ৩০ মিনিট; স্বাধীনতার পরও উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি, ৭০ বছর ধরে কাঁচা মোহনপুর-তালতলা সড়ক; মাইঝাইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের আবারও ঈর্ষনীয় সফল্য; প্রশংসায় ভাসছেন শিক্ষকরা ; গোমতী মাদক বিরোধী ও সমাজ উন্নয়ন সংগঠনের উপদেষ্টা হলেন সাংবাদিক মোঃ মাসুদ রানা; কাউখালীতে বাল্যবিবাহ, যৌতুক,মাদক ও পারিবারিক সহিংসতা প্রতিরোধে ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত; সাংবাদিক মাসুদুর রহমানকে প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে তদন্তের নির্দেশ; কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির নতুন ৮ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি গঠন; কাউখালীতে ২৫ গ্রাম গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার;

মধুপুরে জামাত নেতার বাসা ৭ বছর যাবত বেদখল দিয়েছে উপজেলা পরিষদের ড্রাইভার;

  • Update Time : শুক্রবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
  • ৪৬৭ বার পঠিত

নজরুল ইসলাম; বিশেষ প্রতিনিধিঃ

টাঙ্গাইলের মধুপুর পৌরসভাধীন উত্তরা আবাসিক এলাকার জামাত নেতা আব্দুল খালেকের ক্রয়কৃত ১০শতাংশ জমির উপর টিনশেড বিল্ডিং করা বাসা বিগত ৭ বছর যাবত জোরপুর্বক বেদখল করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
ভুক্তভোগী জামাত নেতা আব্দুল খালেক জানান, ২০১৬ সালের ১১ ডিসেম্বর রাত আনুমানিক ৯টার দিকে সাবেক উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সরোয়ার আলম খান আবুর প্রভাব খাঁটিয়ে তার পরিষদের ড্রাইভার বাচ্চু মিয়া অস্ত্রধারী আওয়ামী সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে অতর্কিত হামলা চালিয়ে আমার বাসার সমস্ত কিছু লুটপাট করে নিয়ে যায় এবং তার সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে আমাকে স্ব-পরিবারে বাসা থেকে বের করে দেয়।
ভুক্তভোগী আব্দুল খালেক বলেন, তৎকালীন আওয়ামী সরকারের আমলে প্রশাসনের দ্বারে দ্বারে ঘুরে আমি কোনো ন্যায় বিচার পাইনি। উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ছরোয়ার আলম খান আবুর কাছে বারবার গিয়েও কোন বিচার পাইনি। তিনি আমাকে বলেন, এটা কোনো বাসাবাড়ী নয়, জামাতের অফিস। মধুপুরের কোথাও কোনো জামাতের অফিস করতে দেওয়া হবেনা। আজ থেকে এই বাসা আমাদের দখলে থাকবে।
এবিষয়ে তৎসময় জেলা প্রশাসকের কাছে সুষ্ঠু বিচারের দাবিতে আমি একটি লিখিত অভিযোগ করি। সে অভিযোগের ভিত্তিতে জেলা প্রশাসক তদন্তের জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট প্রেরণ করেন কিন্তু অদৃশ্য কারনে তিনি কালক্ষেপণ করতে থাকেন। আমার ক্রয়কৃত জমির উপর করা বাসা থেকে অবৈধ দখলদার উচ্ছেদের জন্য প্রশাসনের কাছে যাওয়ার কারণে বাচ্চু তার সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে আমাকে মেরে গুম করে ফেলার হুমকি দেয়। পরবর্তীতে আমি ভয়ে মধুপুর থেকে পালিয়ে দেশের বাহিরে চলে যাই।
তিনি বলেন, আমার সমস্ত দলিলপত্র পর্ষবেক্ষণ করে উপজেলা সহকারী কমিশনার(ভুমি) রিফাত আনজুম পিয়া জমির প্রকৃত মালিক আব্দুল খালেক এই মর্মে একটি লিখিত আদেশ প্রদান করেন কিন্তু অবৈধ দখলদার বাচ্চু মিয়া প্রশাসনের নির্দেশ অমান্য করে জোরপুর্বক এখনও আমার বাসা দখল করে আছে। আমি প্রশাসনের কাছে এ-ই অবৈধ দখলদার উচ্ছেদের জন্য জোর দাবি জানাচ্ছি।

সংবাদটি শেয়ার করুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
Copyright © Frilix Group
Theme Customized By BreakingNews