বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:৫০ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ :
তাফালবাড়ীয়া হাকিমিয়া মাদ্রাসায় গোপনে ছাত্রী ভর্তির অভিযোগ; দৈবজ্ঞহাটীতে প্রস্তাবিত সেলিমাবাদ থানা বাস্তবায়ন এখন সময়ের ব্যাপার; পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) আজ; ​ভাণ্ডারিয়ায় মাছে ক্ষতিকর রং মেশানোয় ৩ব্যবসায়ীকে জরিমানা; উল্লাপাড়ায় ৩টার সময় ১২নং পঞ্চক্রুশী ইউপি কার্যালয়ে তালা: সচিব রাফিজুলের বিরুদ্ধে সেবাগ্রহীতাদের ক্ষোভ; জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দিলেন এমপি রেজাউল ইসলাম রেজু; বাণী ছন্দ – ৩; দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রামে আলোচনায় জুয়েল মোল্লা; দেবিদ্বারে বিএনপির সাংগঠনিক শক্তি বাড়াতে সক্রিয় সাইদুর রহমান লিটন; কাউখালীর মানুষের হৃদয়ে সুদীপ্ত দেবনাথ:সততা, মানবিকতা ও সুশাসনের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত;

মেলান্দহে শোকজকে কেন্দ্র করে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তদন্তের নির্দেশ;

  • Update Time : শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২৬
  • ৭২ বার পঠিত

মাসুদুর রহমান, জামালপুর প্রতিনিধি:

জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলার ঘোষেরপাড়া ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি ও বেলতৈল উচ্চ বিদ্যালয়ের অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলামকে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দেওয়াকে কেন্দ্র করে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। এ নিয়ে বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও কর্মচারীরা চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছে৷ তবে প্রধান শিক্ষক অভিযোগগুলোকে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন দাবি করে এর সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জিন্নাতুল আরা বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, উভয় পক্ষের বক্তব্য ও দাখিলকৃত কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করে বিধি মোতাবেক প্রতিবেদন দিতে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ আজাদুর রহমান ভূঁইয়াকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, তাকে শোকজ করা হয়েছে। তাই তিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

অন্যদিকে প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন, গত ১ মার্চ তিনি অফিস সহকারী সিরাজুল ইসলামকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেন। এর জবাব ৮ মার্চ দেওয়া হলেও তা সন্তোষজনক ছিল না। পরে ১৬ মার্চ সিরাজুল ইসলাম নিজেকে রক্ষার উদ্দেশ্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ করেন। তিনি দাবি করেন, অভিযোগে তার বিরুদ্ধে যে বিষয়গুলো উল্লেখ করা হয়েছে, সেগুলো সত্য নয় এবং এতে তার সামাজিক ও পেশাগত সম্মান ক্ষুণ্ন হয়েছে। তিনি এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচার কামনা করেন।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ আজাদুর রহমান ভূঁইয়া বলেন, বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে। তদন্ত শেষে প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জিন্নাতুল আরা বলেন, উভয় পক্ষের অভিযোগ গ্রহণ করা হয়েছে। সরেজমিনে তদন্ত, সংশ্লিষ্ট নথিপত্র ও ফাইল যাচাই-বাছাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।তিনি আরও জানান, অভিযোগকারীর বিরুদ্ধেও বিদ্যালয়ে একাধিক অভিযোগ রয়েছে। তাকে এর আগে তিন থেকে চারবার কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে বলেও তথ্য পাওয়া গেছে। এছাড়া একই সময়ে ওই বিদ্যালয়ে চাকরির পাশাপাশি জেলা পরিষদ থেকেও বেতন গ্রহণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ বিষয়টিও তদন্তের আওতায় আনা হবে। সবকিছু যাচাই-বাছাই শেষে বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান তিনি।

সংবাদটি শেয়ার করুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
Copyright © Frilix Group
Theme Customized By BreakingNews