1. hr@dainikbanglaralo.com : দৈনিক বাংলার আলো : দৈনিক বাংলার আলো
  2. info@www.dainikbanglaralo.com : দৈনিক বাংলার আলো : দৈনিক বাংলার আলো
সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ০১:৫৯ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ :
নওগাঁর আত্রাইয়ে ইটভাটা গিলে খাচ্ছে ফসলি জমি; ডিসির পুনর্বহাল আদেশ উপেক্ষা: কার্যালয়ে ঢুকতেই বাধা পেলেন ইউপি চেয়ারম্যান তোফা; কাউখালীতে বিএনপি অফিস ভাঙচুর ও বিস্ফোরক মামলার আসামি গ্রেফতার; আধুনিক ও মাদকমুক্ত ২নং ওয়ার্ড গড়ার প্রত্যয়: পিরোজপুর পৌর নির্বাচনে কাউন্সিলর প্রার্থী এম এ মাসুদ হাওলাদার; আত্রাইয়ে এমপি রেজাউল ইসলামের সঙ্গে বিএনপির দপ্তর প্রধানদের মতবিনিময়,ফুলেল শুভেচ্ছায় সংবর্ধনা; কাউখালীতে বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট স্থাপন বিষয়ক প্রশিক্ষণের সমাপনী; পিরোজপুরে বিদেশী পিস্তল ও গুলিসহ অস্ত্রধারী আটক; ‎​ ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেল কাউখালীর কৃতি শিক্ষার্থী ফাদিলাহ্ নাজলি; আত্রাইয়ে উপজেলা আইন শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত ; নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যের সাথে আত্রাই উপজেলা দপ্তর প্রধানদের মতবিনিময় ;

নওগাঁর আত্রাইয়ে ইটভাটা গিলে খাচ্ছে ফসলি জমি;

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ২ মার্চ, ২০২৬
  • ১ বার পঠিত

মোঃ ফিরোজ আহমেদ
নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি

নওগাঁর আত্রাই উপজেলায় ফসলি জমির উপরিভাগের মাটি কেটে ভাটায় নিয়ে ইট তৈরি করা হচ্ছে। ফলে আবাদি জমির পুষ্টি উপাদান কমে কৃষিপণ্যের ফলন বিপর্যয়ের আশঙ্কা করছেন কৃষি কর্মকর্তারা।
উপজেলা কৃষি কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলায় মোট ৪ হাজার ৩৬০ হেক্টর তিন ফসলি আবাদি জমি রয়েছে। এসব জমিতে ধান, পাট, পেঁয়াজ, গম, ভুট্টা, সরিষা, মরিচ, বেগুনসহ বিভিন্ন জাতের কৃষিপণ্য উৎপাদন করা হচ্ছে। কয়েক বছর ধরে সরকারি নিয়ম অমান্য করে এসব আবাদি জমির উপরিভাগের মাটি কেটে ইট তৈরি করছেন ভাটার মালিকেরা।
ফসল উৎপাদনের জন্য শতকরা ৫ ভাগ যে জৈব উপাদান থাকা দরকার, তা সাধারণত মাটির ওপর থেকে ৮ ইঞ্চি গভীর পর্যন্ত থাকে। কিন্তু ইটভাটার মালিকেরা মাটির উপরিভাগের এক থেকে দেড় ফুট পর্যন্ত কেটে নিচ্ছেন। এতে কেঁচোসহ উপকারী পোকামাকড় নষ্ট হচ্ছে।
আত্রাই উপজেলায় ১৮টি ইটভাটা রয়েছে। বর্তমানে সচল রয়েছে ১১ টি ইটভাটা এর মধ্যে ৬ টি বৈধ এবং ৫ টি অবৈধ সম্প্রতি অনুমোতি না থাকায় পরিবেশ অধিদফতর ৭টি ভাটা গুঁড়িয়ে দিলেও পুনরায় চালু করা হয়েছে বেশ কয়েকটি। সরকারি বিধি মোতাবেক সর্বোচ্চ সাড়ে চার বিঘা অকৃষি জমিতে এবং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তিন কিলোমিটারে মধ্যে  একটি ইটভাটা নির্মাণের নিয়ম থাকলেও তা অনেক ক্ষেত্রে মানা হয়নি। এ ছাড়া বেশির ভাগ ইটভাটা তৈরি করা হয়েছে জনবসতিপূর্ণ এলাকায়। বেশিরভাগ ইটভটায় কয়লা সহ হাজার হাজার মণ কাঠ পুড়ানো হচ্ছে। ইটভাটার জন্য মাটি কাটা হয়েছেইটভাটা সূত্রে জানা গেছে, প্রতিটি ভাটায় বছরে ৫০-৫৫ লাখ ইট তৈরি হয়। প্রতি হাজার ইট তৈরি করতে প্রায় ৮৮ ঘনফুট মাটি প্রয়োজন। সেই হিসাবে একটি ইটভাটায় বছরে প্রায় পাঁচ লাখ ঘনফুট মাটি দরকার হচ্ছে। মালিকেরা এক হাজার ঘনফুট মাটি মাত্র ৫০০-৭০০ টাকায় কৃষকের জমি থেকে কেনেন। প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে ট্রাক্টর করে মাটি পরিবহন করা হয়। এতে ছোটখাটো দুর্ঘটনা ঘটছে। আর যানজট লেগেই থাকে। মাটি পরিবহনে মানা হয়না নিয়ম কানুন। পাকা রাস্তায় মাটি পড়ে তা পথচারীদের বিড়ম্বনার সৃষ্টি করছে।
এলাকার অনেকে জানান, কৃষকেরা জমির উর্বরাশক্তির ক্ষতির দিক চিন্তা না করে সাময়িক লাভের আশায় অবাধে এসব মাটি বিক্রি করছেন।
কচুয়া গ্রামের কৃষক তোফাজ্জল  হোসেন বলেন, ‘টাকার লোভে জমির মাটি বিক্রি করি। কিন্তু মাটিকাটা জমিতে ফসলের এত বড় ক্ষতি হয়, তা আমরা জানি না। একাধিক ইটভাটার মালিক বলেন, ‘ইটভাটা তৈরি করতে কিছুটা অনিয়ম করা হয়। এ ছাড়া জমি ও মাটি পাওয়া যায় না। তাই জমির মালিকদের কাছ থেকে আমরা মাটি ক্রয় করে থাকি।’তবে পুকুর খনন এবং সংস্কারের নামে বিক্রি হচ্ছে মাটি। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ প্রসেনজিৎ তালুকদার বলেন, ‘কৃষিজমির উপরিভাগের মাটি কেটে নেওয়ায় পুষ্টি উপাদান কমে গিয়ে ফলন বিপর্যয়ের আশঙ্কা করা হচ্ছে। ইটভাটা মালিকদের বিরুদ্ধে কৃষি বিভাগ থেকে ব্যবস্থা নেওয়ার কোনও সুযোগ নেই।’উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মো.আলাউল ইসলাম জানান, সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে সাজা প্রদান করা হবে। এছাড়াও এ বিষয়ে জনসচেতনতামূলক প্রচারণার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। অবৈধ ইটভাটা কি ভাবে চলছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন,আমি অবৈধ ইটভাটা সম্পর্কে কিছু জানিনা।

সংবাদটি শেয়ার করুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
Copyright © Frilix Group
Theme Customized BY LatestNews