
মোঃ মাসুদ রানা, কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি;
কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার দাসনাইপাড়া ইসলামিয়া মহিলা দাখিল মাদ্রাসায় ১২ জন শিক্ষক কর্মরত থাকলেও চলতি বছরের দাখিল পরীক্ষায় অংশ নেওয়া একমাত্র শিক্ষার্থীও অকৃতকার্য হয়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় শিক্ষা কার্যক্রম ও পাঠদানের মান নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে।
উপজেলার রায়কোট উত্তর ইউনিয়নের দাসনাইপাড়া ইসলামিয়া মহিলা দাখিল মাদ্রাসা থেকে ২০২৬ সালের দাখিল পরীক্ষায় দুজন শিক্ষার্থীর ফরম পূরণ করা হয়েছিল। তবে শেষ পর্যন্ত পরীক্ষায় অংশ নেয় মাত্র একজন। মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের প্রকাশিত ফলাফলে দেখা যায়, অংশ নেওয়া ওই শিক্ষার্থীও পাস করতে পারেনি।
সোমবার (১০ আগস্ট) মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড দাখিল পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর বিষয়টি সামনে আসে। ফলাফল প্রকাশের পর অভিভাবক ও স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা দেখা দিয়েছে।
অভিভাবকদের অভিযোগ, একটি প্রতিষ্ঠানে পর্যাপ্তসংখ্যক শিক্ষক কর্মরত থাকার পরও পরীক্ষার্থী পাস না করায় পাঠদানের মান ও শিক্ষকদের দায়িত্বশীলতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তারা বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি মাদ্রাসাটির শিক্ষার পরিবেশ ও পাঠদানের মান উন্নয়নের দাবি জানিয়েছেন।
দাসনাইপাড়া ইসলামিয়া মহিলা দাখিল মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত সুপার মো. একরামুল হক বলেন, “মাদ্রাসা থেকে দুজন শিক্ষার্থীর দাখিল পরীক্ষার ফরম পূরণ করা হয়েছিল। তবে পরীক্ষায় অংশ নেয় একজন। সেই শিক্ষার্থীও অকৃতকার্য হয়েছে।”
নাঙ্গলকোট উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইউনুস বলেন, দাসনাইপাড়া ইসলামিয়া মহিলা দাখিল মাদ্রাসা থেকে দাখিল পরীক্ষায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছে। মাদ্রাসার শিক্ষকদের বিষয়ে বিধি অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, এ ছাড়া শ্যামপুর এখলাছিয়া মহিলা দাখিল মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষকেও কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হবে।