বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১০:৫৯ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ :
তাফালবাড়ীয়া হাকিমিয়া মাদ্রাসায় গোপনে ছাত্রী ভর্তির অভিযোগ; দৈবজ্ঞহাটীতে প্রস্তাবিত সেলিমাবাদ থানা বাস্তবায়ন এখন সময়ের ব্যাপার; পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) আজ; ​ভাণ্ডারিয়ায় মাছে ক্ষতিকর রং মেশানোয় ৩ব্যবসায়ীকে জরিমানা; উল্লাপাড়ায় ৩টার সময় ১২নং পঞ্চক্রুশী ইউপি কার্যালয়ে তালা: সচিব রাফিজুলের বিরুদ্ধে সেবাগ্রহীতাদের ক্ষোভ; জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দিলেন এমপি রেজাউল ইসলাম রেজু; বাণী ছন্দ – ৩; দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রামে আলোচনায় জুয়েল মোল্লা; দেবিদ্বারে বিএনপির সাংগঠনিক শক্তি বাড়াতে সক্রিয় সাইদুর রহমান লিটন; কাউখালীর মানুষের হৃদয়ে সুদীপ্ত দেবনাথ:সততা, মানবিকতা ও সুশাসনের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত;

পিরোজপু‌রের মঠবা‌ড়িয়ায় ম‌মিন না‌মে ভুয়া ডাক্তারের সন্ধান;

  • Update Time : শুক্রবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪
  • ২৮২ বার পঠিত

‌ডেক্স রি‌পোর্টার;

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার সাফা বাজারে চেম্বার খুলে ডাক্তার পরিচয়ে রোগী দেখার অভিযোগ উঠেছে টিএমএ মমিন নামে এক ভুয়া চিকিৎসকের বিরুদ্ধে। সে ধানিসাফা ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ড বুড়ির চর গ্রামের মোদাচ্ছের তালুকদারের পুত্র।

টিএমএ মমিন রোগীর ব্যবস্থাপত্রে (প্রেসক্রিপসন) তার নামের পূর্বে ডাঃ লিখে ১৩ বছর ধরে চিকিৎসা পেশায় নিয়োজিত রয়েছেন।তার চেম্বারেও বড় অক্ষরে নামের পূর্বে ডাঃ লেখা রয়েছে। সে নিজেকে ডিএমএ (ডিপ্লোমা মেডিকেল এসিস্ট্যান্ট) কোর্স সম্পন্ন দাবি করলেও প্রতিষ্ঠানের নাম বলতে পারেনি।রোগীর ব্যবস্থাপত্রে কুষ্টিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমএ ডিগ্রি অর্জন করার কথা উল্লেখ করেন তিনি।যদিও বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমএ ডিগ্রি অর্জন করার কোন সনদ তার কাছে নেই।তিনি ডাক্তারি পেশায় যোগ্যতা হিসেবে মঠবাড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বিসিএইচসিপি পরিচয় দেন।যদিও মঠবাড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ সরোয়ার জাহান এই পদ পদবি সম্পর্কে অবগত নন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, নিজেকে ডাঃ পরিচয় দেওয়া মমিন প্রেসক্রিপসনে ভুয়া যোগ্যতা উল্লেখ করে দীর্ঘদিন ধরে অপচিকিৎসা করে আসছে।নিজেকে নিরাপদ রাখতে কখনো কখনো সাংবাদিক পরিচয় দেন তিনি। স্বাস্থ্য বিভাগ ও আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে চিকিৎসার নামে প্রতারনা করে আসছেন তিনি।তার প্রেসক্রিপসনে লেখা রয়েছে এমএএইচএফডাব্লিউ এবং আরসিএএইচসিআইবি।রোগীরা এগুলোকে উচ্চতর ডিগ্রি মনে করেন।যা রোগীদের সাথে এক ধরনের প্রতারনা।

৬ ডিসেম্বর ইয়াসিন নামে ১০ বছরের এক রোগীর ব্যবস্থাপত্রে তিনি ভুল চিকিৎসা দেন।ব্যবস্থাপত্রটি দেখালে তিনি তার ভুল স্বীকার করে বলেন, ঔষধ কোম্পানির লোকদের দেখানোর জন্য প্রয়োজনের চেয়ে বেশি ওষুধ লেখা হয়েছে।

এ ব্যাপারে মঠবাড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ সরোয়ার হোসেন জানান,এমবিবিএস ও বিডিএস পাস করা ছাড়া কেউ নামের আগে ডাঃ লিখতে পারে না।যদি কেউ লিখে তার বিরুদ্ধে সিভিল সার্জন অফিস থেকে অভিযান পরিচালনা করা হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
Copyright © Frilix Group
Theme Customized By BreakingNews