
মো: সোহরাওয়ার্দী হোসেন সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি ;
শাহজাদপুর উপজেলার ৯নং খুকনী ইউনিয়নবাসীর আশার কেন্দ্রবিন্দু, বারবার কারানির্যাতিত রাজপথের লড়াকু সৈনিক, কৃষক-শ্রমিক ও মেহনতী মানুষের অধিকার আদায়ের প্রবক্তা মো: লিয়াকত হোসেন লাবু(বি, বি, এস) আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে সর্বস্তরের মানুষের মাঝে ব্যাপক সাড়া ফেলেছেন।
তিনি সদ্য ঘোষিত শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদ, সিরাজগঞ্জ জেলা শাখার আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে তিনি এনায়েতপুর থানা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম-আহবায়ক, খুকনী ইউনিয়ন বিএনপি আহ্বায়ক কমিটির সাবেক সদস্য ও ব্রিগেডের সাবেক সদস্য এবং এনায়েতপুর থানা বিএনপির সাবেক যুগ্ম-আহবায়ক হিসেবে অত্যন্ত নিষ্ঠা ও সাহসিকতার সাথে রাজনৈতিক দায়িত্ব পালন করেছেন।
রাজনৈতিক পরিচিতি ও কারানির্যাতন
গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ের আন্দোলনে লিয়াকত হোসেন লাবু সবসময় সামনের সারিতে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। ফ্যাসিবাদী সরকারের আমলে রাজপথে আন্দোলন করতে গিয়ে তিনি বহুবার রাজনৈতিক নিপীড়নের শিকার হয়েছেন এবং কারানির্যাতন সহ্য করেছেন। সর্বশেষ গত ১৮ই মার্চ ২০২৪ সালে মিথ্যা ও গায়েবি মামলায় তাকে অন্যায়ভাবে গ্রেফতার করা হয়। কারাবাস শেষে মুক্তি পেয়ে তিনি আরও দৃঢ় মনোবল নিয়ে খুকনী ইউনিয়নের অবহেলিত মানুষের সেবা ও কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করেছেন।
কৃষক, শ্রমিক ও মেহনতী মানুষের কণ্ঠস্বর
খুকনী ইউনিয়নের খেটে খাওয়া মানুষ, কৃষক এবং শ্রমিকদের সুখ-দুঃখে লিয়াকত হোসেন লাবু সবসময় ছায়ার মতো পাশে থাকেন। ফসলের ন্যায্যমূল্য প্রাপ্তি, শ্রমিকের ঘামের সঠিক মূল্যায়ন এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে তিনি সর্বদা সোচ্চার। তার এই জনবান্ধব ভূমিকার কারণে এলাকার সাধারণ মানুষ তাকে নিজেদের প্রকৃত অভিভাবক হিসেবে মনে করেন।
এলাকার সাধারণ মানুষের অনুভূতি প্রকাশ পেয়েছে তাদের নিজস্ব কথায়:
কৃষক আব্দুল কালাম বলেন: “লিয়াকত ভাই আমাদের সুখের দিনে তো বটেই, বিপদে-আপদেও সবসময় আমাদের পাশে থাকেন। কৃষকদের সার, বীজ ও সেচ সমস্যা নিয়ে তিনি সবসময় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট মহলে কথা বলেন। আমরা এমন একজন সৎ ও সাহসী মানুষকেই খুকনী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চাই।”
বয়স্ক মহিলা মরিয়ম বেগম বলেন: “আমার বয়স্ক ভাতা ও সাহায্য পাওয়ার ক্ষেত্রে লিয়াকত ভাই অনেক সহযোগিতা করেছেন। তিনি গরিবের কষ্ট বোঝেন। আমাদের সুখে-দুঃখে তাকে আমরা সবসময় কাছে পাই। আল্লাহ তাকে আমাদের সেবা করার সুযোগ দিক।”
ভ্যানশ্রমিক ইলিয়াস বলেন: “আমরা গরিব মানুষ, রাস্তায় ভ্যান চালাতে গিয়ে বিভিন্ন সময় হয়রানির শিকার হই। লিয়াকত ভাই সবসময় আমাদের অধিকারের পক্ষে কথা বলেন। তিনি আমাদের আইনি ও নৈতিক সাহস জোগান। তার মতো নেতা খুকনী ইউনিয়নে খুব দরকার।”
নীতি ও আদর্শ: ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে ঐক্যের প্রতীক
লিয়াকত হোসেন লাবু শুধু একটি দলের বা নির্দিষ্ট কোনো গোষ্ঠীর নন; তিনি খুকনী ইউনিয়নের সর্বস্তরের মানুষের নেতা। দলমত, ধর্ম ও বর্ণ নির্বিশেষে সমাজের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষ তাকে এক বাক-আয়ত্তে ভালোবাসেন এবং আগামী দিনে ইউনিয়ন পরিষদের নেতৃত্বে দেখতে চান। তার উদার মানসিকতা ও সবার সাথে মিশে যাওয়ার গুণ তাকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে।
অপরাধ ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি
মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান: যুবসমাজকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করতে এলাকায় মাদকের বিরুদ্ধে আপসহীন অবস্থান নিয়েছেন লিয়াকত হোসেন লাবু। তিনি স্পষ্ট ঘোষণা দিয়েছেন, খুকনী ইউনিয়নে কোনো মাদক ব্যবসায়ী ও সেবনকারীর ঠাঁই হবে না। যুবসমাজকে খেলাধুলা ও গঠনমূলক কাজে সম্পৃক্ত করতে তিনি বদ্ধপরিকর।
দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান: ইউনিয়ন পরিষদের সেবা পেতে সাধারণ মানুষ যেন কোনো ধরনের হয়রানি বা ঘুষ বাণিজ্যের শিকার না হয়, সে বিষয়ে তিনি কঠোর প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠা করাই তার মূল লক্ষ্য।
শিক্ষা ও সামাজিক অবকাঠামো উন্নয়ন পরিকল্পনা
খুকনী ইউনিয়নকে একটি আধুনিক, উন্নত ও মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে লিয়াকত হোসেন লাবু বহুমুখী উন্নয়নের রূপরেখা তৈরি করেছেন:
শিক্ষাখাত: এলাকার স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার মানোন্নয়ন এবং শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার উপযুক্ত পরিবেশ তৈরিতে বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ।
ধর্মীয় ও সামাজিক প্রতিষ্ঠান: মসজিদ, ঈদগাহ এবং কবরস্থানের সার্বিক উন্নয়ন ও সংস্কার কাজ জোরদার করা।
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের উন্নয়ন: এলাকার শ্মশানঘাট ও ধর্মীয় উপাসনালয়গুলোর উন্নয়ন এবং নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ।