রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬, ১০:৩২ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ :
শ্বশুর-শাশুড়ি-দেবরের যাবজ্জীবন, স্বামী খালাস; অধ্যাপক মোজাফফর আহমদ: গণতন্ত্র ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার এক নিবেদিতপ্রাণ রাজনীতিক; কবিতাঃ কবি শুকান্ত ভট্টাচাৰ্য ; দেবিদ্বারের সব বেসরকারি হাসপাতাল-ক্লিনিক পরিদর্শনের দাবি এমপি আবুল হাসনাতের; ভাঙ্গুড়া বাজারে পূবালী ব্যাংকের ‘ক্যাশলেস এক দেশ এক QR’ সেবা উদ্বোধন; বেলকুচিতে উদাসীনতা: ময়লার স্তূপ ও জঙ্গলে পড়ে নষ্ট হচ্ছে জনগণের টাকায় কেনা ডিভাইডার; ৫ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ,যুবক পুলিশ হেফাজতে; মাদক ও অপরাধমুক্ত সমাজ গড়ার প্রত্যয়ে দৌলতপুরের মেম্বার পদপ্রার্থী মো: রহিজ ব্যাপারি; পিরোজপুরে বর্ণাঢ্য আয়োজনে স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত: মাসুদ হাওলাদারের বিশাল শোভাযাত্রা; ৩নং ভাঙাবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে মো: মাসুদ রানার গণসংযোগ ও প্রচারণায় সরগরম এলাকা;

শ্বশুর-শাশুড়ি-দেবরের যাবজ্জীবন, স্বামী খালাস;

  • Update Time : রবিবার, ২৩ অগাস্ট, ২০২৬
  • ২ বার পঠিত

মোঃ মাসুদ রানা, কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি;

কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে গৃহবধূ মরিয়ম বেগমকে শ্বাসরোধ করে হত্যার দায়ে তার শ্বশুর, শাশুড়ি ও দেবরকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
তবে মামলার অপর আসামি নিহতের স্বামী আবদুল মতিনের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত।
রোববার (২৩ আগস্ট) দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ চতুর্থ আদালতের বিচারক মো. শামছুল আলম এ রায় ঘোষণা করেন।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন—নিহত মরিয়ম বেগমের শ্বশুর আবদুল মমিন, শাশুড়ি ফাতেমা বেগম ও দেবর মো. নিজাম উদ্দিন।
আদালত সূত্র ও মামলার নথি থেকে জানা যায়, ২০০৫ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর রাতে পারিবারিক কলহের জেরে নাঙ্গলকোট উপজেলার ছফুয়া গ্রামের গৃহবধূ মরিয়ম বেগমকে গলাটিপে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়।
এ ঘটনায় পরদিন নিহতের বাবা মো. সোলেমান বাদী হয়ে নাঙ্গলকোট থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলায় মরিয়মের স্বামী আবদুল মতিন, শ্বশুর আবদুল মমিন, শাশুড়ি ফাতেমা বেগম ও দেবর মো. নিজাম উদ্দিনকে আসামি করা হয়।
মামলার তদন্ত শেষে তদন্তকারী কর্মকর্তা আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার কথা উল্লেখ করে ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় মামলায় ১২ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়।
পরে যুক্তিতর্ক শুনানি শেষে মামলার নথিপত্র, সাক্ষ্য-প্রমাণ ও আসামিদের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি পর্যালোচনা করে আদালত তিন আসামিকে দোষী সাব্যস্ত করেন। একই সঙ্গে নিহতের স্বামী আবদুল মতিনের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাকে খালাস দেওয়া হয়।
রায়ে আবদুল মমিন, ফাতেমা বেগম ও মো. নিজাম উদ্দিনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের পাশাপাশি প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। জরিমানা অনাদায়ে প্রত্যেককে আরও ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
রায় ঘোষণার পর বাদীপক্ষের আইনজীবী অতিরিক্ত পিপি অ্যাডভোকেট মো. ইকরাম হোসেন এবং নিহতের স্বজনরা সন্তোষ প্রকাশ করেন। তারা বলেন, দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ার পর এ রায়ের মাধ্যমে মরিয়ম বেগম হত্যার ঘটনায় ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে

সংবাদটি শেয়ার করুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
Copyright © Frilix Group
Theme Customized By BreakingNews