1. hr@dainikbanglaralo.com : দৈনিক বাংলার আলো : দৈনিক বাংলার আলো
  2. info@www.dainikbanglaralo.com : দৈনিক বাংলার আলো : দৈনিক বাংলার আলো
সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬, ০২:৪২ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ :
গলাচিপার খারিজ্জমায় ইজিবাইক-ট্রলির মুখোমুখি সংঘর্ষ, আহত ৫; কাউখালী-পিরোজপুর পুলিশের যৌথ অভিযানে অবৈধ শর্টগান উদ্ধার,একজন আটক; পিরোজপুরে পুলিশের অভিযানে শটগান উদ্ধার, আটক ১; আক্কেলপুরের মাসুম বিল্লাহ হত্যা মামলা: ৩ বারের সফল মেম্বার নান্নুকে রাজনৈতিকভাবে ফাঁসানোর চেষ্টা ; মান্দায় জমি বিরোধে বৃদ্ধ নিহত, ছাত্রশিবির নেতাসহ আটক ৪; পটুয়াখালী-কুয়াকাটা মহাসড়কের ঘাটখালীতে ডলফিন পরিবহন ও ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ; পটুয়াখালীতে সাকুরা পরিবহনের সঙ্গে ইজিবাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৮; পটুয়াখালীর পাগলায় বরিশাল গামি পরিবহনে মুখামুখি সংঘর্ষ; নওগাঁর আহসানগঞ্জ স্টেশনে আরও ঢাকাগামী ট্রেনের যাত্রাবিরতির দাবিতে এলাকাবাসী; ধুকুরিয়াবেড়া ইউনিয়নের উন্নয়নে তরুণ ও যোগ্য নেতৃত্বের ডাক: জনমানুষের প্রত্যাশা ও চ্যালেঞ্জ;

অবরোধ চলাকালীন বন কর্মকর্তার তত্ত্বাবধানে অবৈধ জাল দিয়ে মাছ নিধন;

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৫
  • ১৪২ বার পঠিত

মোঃ আঃ কুদ্দুস খান, স্টাফ রিপোর্টার, মঠবাড়ীয়া (পিরোজপুর)।

রক্ষক যখন ভক্ষকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হন, তখন আসল রক্ষক কে— সেই প্রশ্নই এখন এলাকার জেলেদের মুখে মুখে। এমনই এক চিত্র দেখা গেল বন খেকো কিছু বন কর্মকর্তার কর্মকাণ্ডে। অবরোধ চলাকালীন সময়ে, অর্থাৎ ২ অক্টোবর থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত বলেশ্বর নদী ও আশপাশের এলাকায় সকল ধরনের মাছ ধরা, নৌকা ও ট্রলার চলাচল নিষিদ্ধ থাকলেও, বন বিভাগের কর্মকর্তাদের তত্ত্বাবধানে চলছে প্রকাশ্যে অবৈধ চড় গড়া জাল দিয়ে মাছ নিধন। ২৪ অক্টোবর দুপুরে সরেজমিনে দেখা যায়— রায়েন্দা স্মরণখোলা বগী বন কর্মকর্তার অফিস সংলগ্ন বলেশ্বর নদী এবং স্মরণখোলা রেঞ্জ কর্মকর্তার অফিসের পাশে শতাধিক অবৈধ চড় গড়া জাল নদীর ধারে আটকানো রয়েছে। এসব জাল সম্পূর্ণভাবে অবৈধ, কিন্তু প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করেই এগুলো দিয়ে মাছ ধরা চলছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বন বিভাগের কিছু অসাধু কর্মকর্তা নদীর এপারে এসে জেলেদের কাছ থেকে মাসিক চাঁদা আদায় করেন। কেউ জাল দিয়ে মাছ ধরতে গেলে তাদের জাল ও নৌকা আটকিয়ে জরিমানা ও জেল দেওয়ার ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করা হয়।
এ বিষয়ে স্মরণখোলা রেঞ্জের এক ফরেস্ট অফিসারের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “এই জালগুলো আমরা পাশ দিয়েছি, পাশ নিয়েই ওরা মাছ ধরে। নদী আমাদের, আমরা অনুমতি দিয়েই মাছ ধরতে দেই।”
তবে প্রশ্ন থেকে যায়— যদি পাশ দেওয়া হয়, তবে একই ধরনের জাল ব্যবহার করায় অন্য জেলেদের জাল ও নৌকা কেন আটক করা হচ্ছে?
স্থানীয় জেলেরা বলছেন, “বন বিভাগের কর্মকর্তাদের এই দ্বিচারিতা ও দুর্নীতিই আমাদের জীবিকা ধ্বংস করছে।”
জনমনে প্রশ্ন উঠেছে— চুরি ও দুর্নীতিই কি এখন বন কর্মকর্তাদের নিয়মিত দায়িত্ব হয়ে গেছে? বন বিভাগের দায়িত্ব কি বন রক্ষা, না মাছ ও নদী লুটপাট করা।

সংবাদটি শেয়ার করুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
Copyright © Frilix Group
Theme Customized BY LatestNews