মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ০৯:৫৯ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ :
পঞ্চগড়ের সাংবাদিক আবু তাহের আনসারী আর নেই ; জনতার বিপদে ছায়ার মতো পাশে থাকা পরীক্ষিত নেতা মো: রহিজ ব্যাপারি: ৮নং ওয়ার্ডবাসীর হৃদয়ের স্পন্দন; পানিবন্দি ১৫ পরিবার, খবর পেয়ে সহায়তার হাত বাড়ালেন ইউএনও; আত্রাইয়ের বান্দাইখাড়া ডিগ্রি কলেজের ৮ কম্পিউটার চুরির ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি; কবিতা: বৃক্ষ এক মহারাজা ; এনায়েতপুরে নিষিদ্ধ ঘোষিত আ’লীগ নেতার মিথ্যা অপপ্রচারের বিরুদ্ধে ভুক্তভোগী কোরবান আলীর সংবাদ সম্মেলন; ইসলামিক ফাউণ্ডেশনের শিক্ষক,শিক্ষিকা,এমসি, জিসিদের মাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত ; আত্রাইয়ে নিজ ঘর থেকে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার; গোসল করতে নেমে স্বামী-স্ত্রীর মর্মান্তিক মৃত্যু, শোকে স্তব্ধ বদলগাছি; নওগাঁর আত্রাইয়ে বর্ষায় ছাতা কারিগরদের ব্যস্ততা;

ঐতিহাসিক বদর দিবস উদযাপন উপলক্ষে আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল;

  • Update Time : মঙ্গলবার, ১৮ মার্চ, ২০২৫
  • ২০৬ বার পঠিত

জেলা প্রতিনিধি পটুয়াখালী।

আজ ১৭ রমাদান, ঐতিহাসিক বদর যুদ্ধের দিন
কুরআনের ভাষায়: এটি সত্য ও মিথ্যার পার্থক্যকারী দিন উক্ত অনুষ্ঠানটি বরিশাল ২৮/২৯ নং ওয়ার্ড অনুষ্ঠিত হয়
এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এ্যাডভোকেট মুয়াযম হোসাইন হেলাল কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য, সহকারী সেক্রেটারী জেনারেল জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাওঃ শাহজাহান গাজী, সভাপতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাওলানা মাহফজুর রহমান।প্রধান অতিথি বলেন
আজ ১৭ রমজান, ইয়াউমুল ফুরকান বা সত্য মিথ্যার পার্থক্যকারী দিন। ঐতিহাসিক বদর যুদ্ধের দিন। দ্বিতীয় হিজরীর আজকের এই দিনে সঙ্ঘটিত হয়েছিল ইসলামের প্রথম ঐতিহাসিক বদর যুদ্ধ। আল্লাহ সেদিন তাঁর রাসূল (সা) ও মুমিনদের বিজয়ী এবং কাফির ও মুশরিকদের পরাজিত করার মাধ্যমে হক ও বাতিলের প্রভেদ প্রতিভাত করে দিয়েছেন। পবিত্র কুরআনে আল্লাহ দিবসটিকে ‘ইয়াওমুল ফুরকান’ তথা সত্য-মিথ্যার পার্থক্য নিরূপণের দিন বলে আখ্যায়িত করেছেন।
বদর যুদ্ধের প্রেক্ষাপট ছিল, রাসূলুল্লাহ (সা) সংবাদ পান যে, আবু সুফিয়ান কুরাইশ কাফিরদের একটি বাণিজ্য দল নিয়ে সিরিয়া থেকে মক্কা ফিরছে। তিনি সাহাবিদের নির্দেশ দেন কুরাইশদের বাণিজ্য কাফেলার গতি রোধ করার জন্য বের হতে। কেননা কুরাইশরা রাসূলুল্লাহ (সা) ও তাঁর সাহাবিদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছিল। কাফির কুরাইশরা মুসলিমদের তাদের ঘরবাড়ি ও ধনসম্পদ থেকে বের করে দিয়েছিল; অবস্থান নিয়েছিল ইসলামের সত্যবাণীর দাওয়াতের বিরুদ্ধে।
রাসূলুল্লাহ (সা) ৩১০-এর বেশি বা ৩১৩ জন সাহাবিকে নিয়ে বদর অভিমুখে রওনা হন। তাদের ছিল কেবল দুইটি ঘোড়া ও ৭০টি উট, যাতে তারা পালাক্রমে চড়ছিলেন। এ যুদ্ধে ৭০ জন মুহাজির এবং অন্যরা আনসার মুজাহিদ ছিলেন। তারা বাণিজ্য কাফেলা ধরতে চেয়েছিলেন, যুদ্ধ করতে চাননি। কিন্তু আল্লাহ তায়ালা নির্ধারিত সময়ে তাঁর সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের জন্য মুসলিম ও শত্রুদেরকে মুখোমুখি দাঁড় করালেন। আবু সুফিয়ান মুসলিমদের অবস্থা জানতে পেরে কুরাইশদের কাছে এ মর্মে একজন চিৎকারকারী সংবাদবাহক পাঠায়, যেন কুরাইশরা মুসলিমদের বিরুদ্ধে তার সাহায্যে এগিয়ে আসে। তাই আবু সুফিয়ান রাস্তা পরিবর্তন করে সমূদ্র উপকূল ধরে রওনা দিল এবং নিরাপদে পৌঁছে গেল। কিন্তু কুরাইশ সম্প্রদায় তাদের কাছে চিৎকারকারীর মাধ্যমে সংবাদ পৌঁছামাত্রই তাদের নেতৃস্থানীয় ১ হাজার লোক সদলবলে যুদ্ধের উদ্দেশ্যে রওনা দিল। তাদের ছিল ১০০টি অশ্ব ও ৭০০ উট। আল্লাহর ভাষায় তারা বের হয়েছিল, ‘অহঙ্কার ও লোক দেখানোর উদ্দেশ্যে এবং আল্লাহর রাস্তা থেকে বাধা প্রদান করতে।’ (সুরা আনফাল : ৪৭)।

সংবাদটি শেয়ার করুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
Copyright © Frilix Group
Theme Customized By BreakingNews