
কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি ;
মাদক নির্মূল ও যুবসমাজকে রক্ষা করতে সমাজের আধ্যাত্মিক ও নৈতিক অভিভাবক হিসেবে ইমামদের ভূমিকা অপরিসীম। মসজিদ ও ধর্মীয় প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে ইমামরা মাদকের ভয়াবহতা রোধে অত্যন্ত কার্যকর অবদান রাখতে পারেন। আর এই লক্ষ্যে দেবিদ্বার উপজেলা মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতি কেন্দ্রের সভাকক্ষে আজকে হয়ে গেল মাদক নির্মূলে ইমামদের ভূমিকা বিষয়ক আলোচনাসভা।
মাদকদ্রব্যের ক্ষতিকর প্রভাব ও মাদক নির্মূলে ইমামদের এগিয়ে আসার লক্ষ্যে দেবিদ্বার পৌরসভার সম্ভাব্য মেয়র পদপ্রার্থী হাজী মোহাম্মদ মহসিন এর উদ্যোগ আলোচনা সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।
শনিবার (১৮ জুলাই) দেবিদ্বার উপজেলা মডেল মসজিদ ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে পৌরসভার সকল মসজিদের ইমাম ও খতিবদের নিয়ে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় দেবিদ্বার থানা মসজিদের ইমাম ও খতিব মাওলানা এমরান হোসাইন এর সভাপতিত্বে, প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মুফতি জামসেদ হুসাইন হাবিবী এবং প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মুফতি আশরাফুল আলম ওবাইদী।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, দেবিদ্বার পৌরসভার মেয়র পদপ্রার্থী হাজী মোহাম্মদ মহসিন, আমাদের দেবিদ্বার পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক এটিএম সাইফুল ইসলাম মাসুম, মুফতি রাশেদুল ইসলাম, মুফতী আওলাদ হোসেন মুরাদী, হাফেজ মাওলানা মুফতি আব্দুল আহাদ, মুফতি আরিফুল ইসলাম জালালী, মোঃ পারভেজ ভূইয়া প্রমুখ।
সভায় বক্তরা বলেন, মাদক নির্মূল ও যুবসমাজকে রক্ষা করতে সমাজের আধ্যাত্মিক ও নৈতিক অভিভাবক হিসেবে ইমামদের ভূমিকা অপরিসীম। তাই জুমার বয়ান ও খুতবায় মাদকের কুফলঃ জুমার নামাজে সমাজের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মানুষ একত্রিত হন। ইমাম সাহেবরা জুমার বয়ানে নিয়মিত মাদকদ্রব্যের উইকিপিডিয়া ভয়াবহতা, যেমন—শারীরিক ও মানসিক ক্ষতি, পারিবারিক অশান্তি এবং সামাজিক অপরাধ বৃদ্ধির বিষয়গুলো তুলে ধরতে পারেন।
পারিবারিক সচেতনতা বৃদ্ধি: মাদক সেবনের ফলে পরিবারে যে আর্থিক ও মানসিক বিপর্যয় ঘটে, সে বিষয়ে নারী ইমামরা মা ও গৃহিণীদের সচেতন করতে পারেন। পরিবারকে আগলে রাখতে ও সন্তানদের নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত করতে তারা ভূমিকা রাখেন।
এছাড়াও আলোচনায় আসন্ন পৌর নির্বাচনে সৎ, আর্দশ ব্যক্তিদের নির্বাচনে সমর্থন দিয়ে পাশে দাঁড়ানোর আহবান করেন৷ সৎ জনপ্রতিনিধিই একমাত্র মাদক নির্মূল করতে পারবে।