মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ০৬:৫১ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ :
কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির নতুন আহ্বায়ক কমিটিকে ইঞ্জিনিয়ার মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর অভিনন্দন; প্রশাসনের নাকের ডগায় মঠবাড়ীয়ার খাল-বিল ও নদী-নালা অবৈধ জালে অবরুদ্ধ, জলাবদ্ধতায় কৃষকের চরম ভোগান্তির অভিযোগ; প্রধানমন্ত্রীর ফোনে জলাবদ্ধতার কারণে কুমিল্লায় এইচএসি পরীক্ষার কেন্দ্র পরিবর্তন পরীক্ষার্থীদের জন্য সময় বাড়ানো হলো ৩০ মিনিট; স্বাধীনতার পরও উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি, ৭০ বছর ধরে কাঁচা মোহনপুর-তালতলা সড়ক; মাইঝাইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের আবারও ঈর্ষনীয় সফল্য; প্রশংসায় ভাসছেন শিক্ষকরা ; গোমতী মাদক বিরোধী ও সমাজ উন্নয়ন সংগঠনের উপদেষ্টা হলেন সাংবাদিক মোঃ মাসুদ রানা; কাউখালীতে বাল্যবিবাহ, যৌতুক,মাদক ও পারিবারিক সহিংসতা প্রতিরোধে ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত; সাংবাদিক মাসুদুর রহমানকে প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে তদন্তের নির্দেশ; কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির নতুন ৮ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি গঠন; কাউখালীতে ২৫ গ্রাম গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার;

এনায়েতপুর তীব্র ভাঙন যমুনায় নদীগর্ভে বিলীন ঘরবাড়ি-ফসলি জমি ;

  • Update Time : শনিবার, ২৫ মে, ২০২৪
  • ২১৬ বার পঠিত

মোঃ হাসমত আলী,সিরাজগঞ্জ, জেলা প্রতিনিধিঃ

সিরাজগঞ্জ এনায়েতপুর থানার জালালপুরে গত কয়েক দিনে বাড়তে শুরু করেছে যমুনা নদীতে পানি। সিরাজগঞ্জ শহর রক্ষা বাঁধ হার্ড পয়েন্ট এলাকায় ৪ সেন্টিমিটার বেড়েছে। পানিতে তলিয়ে যাচ্ছে নদীর তীরবর্তী নিম্নাঞ্চল ও ফসলি জমি। পানি বাড়ার সঙ্গে দেখা দিয়েছে তীব্র নদীভাঙন।
গত কয়েকদিনে জালালপুর গ্রামে যমুনার ভাঙনে সাতটি বসতবাড়ি, ফসলি জমি ও পরিত্যক্ত বসতবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। ভাঙনের মুখে পড়েছে জালালপুর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ, জালালপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, জালালপুর রাহেলা খাতুন হাফিজিয়া মাদ্রাসা, বাঐখোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ বেশ কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বসতভিটা ও ফসলি জমি। ভাঙনের মুখে থাকা স্থাপনা অন্যত্র সরিয়ে নিচ্ছেন এলাকাবাসী।
সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) পানি পরিমাপক হাসানুজ্জামন বলেন, গত কয়েক দিন হলো আবারও যমুনা নদীতে পানি বাড়ছে। যমুনা নদীর সিরাজগঞ্জ শহর রক্ষা বাঁধ হার্ড পয়েন্ট এলাকায় পানি রেকর্ড করা হয়েছে ৭ দশমিক ৭৫ সেন্টিমিটার। একই সময় বৃহস্পতিবার পানি রেকর্ড করা হয়েছে ৭ দশমিক ৭১ সেন্টিমিটার।
জালালপুর গ্রামের হোসেন বলেন, গত বুধবার রাত থেকে জালালপুর গ্রামের তীব্র নদীভাঙন শুরু হয়। মুহূর্তের মধ্যে ঘরবাড়ি, ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। গতকয়েকদিন নদীভাঙন অব্যাহত আছে। সাতটি বাসতবাড়ি ভেঙে নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। ভাঙনের মুখে থাকা স্থাপনা ভেঙে অন্যত্র সরিয়ে নিচ্ছেন গ্রামবাসী।
সিরাজগঞ্জ পাউবোর উপবিভাগীয় প্রকৌশলী মো. মিল্টন হোসেন বলেন, ভাঙন রোধে কাজ করছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। প্রায় দুই মাস যাবৎ জালালপুর এলাকায় ভাঙন রোধে বালির বস্তা ফেলা হচ্ছে। এই কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

মোঃ হাসমত আলী সিরাজগঞ্জ
তারিখ ২৫-০৫-২৪
মোবাইল 01816548883

সংবাদটি শেয়ার করুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
Copyright © Frilix Group
Theme Customized By BreakingNews