1. hr@dainikbanglaralo.com : দৈনিক বাংলার আলো : দৈনিক বাংলার আলো
  2. info@www.dainikbanglaralo.com : দৈনিক বাংলার আলো : দৈনিক বাংলার আলো
বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ০৯:১৬ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ :
সুন্দরবন থেকে অস্ত্রসহ করিম  শরীফ বাহিনীর সদস্য আটক-১; প্রেমের ফাঁদে বিয়ে, পরে অস্বীকার—নওগাঁয় শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ; আত্রাইয়ে হোলি উৎসবে মদপানে অসুস্থ ৪ যুবক, চিকিৎসাধীন অবস্থায় একজনের মৃত্যু; আত্রাইয়ে ভ্রাম্যমাণ টিসিবির পণ্য বিক্রি, ৪০০ পরিবার পেলো স্বল্পমূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য; নওগাঁয় সরকারি যাকাত ফান্ডে উদ্বুদ্ধকরণ সেমিনার ও যাকাত বিতরণ অনুষ্ঠিত; মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান, বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস ফাউন্ডেশনের ইফতার ও দোয়া মাহফিল; ‎কোস্টগার্ডের অভিযানে অস্ত্রসহ সুন্দরবনের বনদস্যু আটক; কাউখালীতে পুলিশের অভিযানে ১০ ইয়াবাসহ ১জন মাদক ব্যাবসায়ী আটক; আত্রাইয়ে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস উৎযাপন র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ; মঠবাড়িয়ায় ঈদ উপলক্ষে অসহায়দের মাঝে ভিজিএফ চাল বিতরণ;

ঐতিহাসিক সলঙ্গা বিদ্রোহ দিবস;

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ২৭ জানুয়ারী, ২০২৫
  • ১২১ বার পঠিত

মোঃ সোহরাওয়ার্দী
ব্যুরো প্রধান রাজশাহী

১৯২২ সালের ২৭ জানুয়ারি তদানীন্তন ব্রিটিশ সরকারের লেলিয়ে দেওয়া পুলিশ বাহিনীর গুলিতে সলঙ্গার হাটে বিলেতি পণ্য বর্জন আন্দোলনের কর্মীসহ সাড়ে চার হাজার সাধারণ মানুষ শহীদ হন।
ব্রিটিশ শাসনামলে সাম্রাজ্যবাদবিরোধী অসহযোগ আন্দোলন ও খেলাফত আন্দোলনে জনতা উদ্বেলিত হয়ে বিলেতি পণ্য বর্জন করে স্বদেশি পণ্য ব্যবহারের সংগ্রাম শুরু করেছিলেন। এমনি একটি আন্দোলনের ঢেউ এসে আছড়ে পড়ে সলঙ্গায়। সে সময় তৎকালীন পাবনা জেলার (বর্তমান সিরাজগঞ্জে) সলঙ্গায় একটি ব্যবসায়িক জনপদ হিসেবে সপ্তাহে দু’দিন হাট বসত। ১৯২২ সালের ২৭ জানুয়ারি ছিল বড় হাটবার। মাওলানা আবদুর রশিদ তর্কবাগীশের নেতৃত্বে অসহযোগ ও খেলাফত আন্দোলনের কর্মীরা হাটে নামেন বিলেতি পণ্য কেনাবেচা বন্ধ করতে। আর এই স্বদেশি আন্দোলনের কর্মীদের রুখতে ছুটে আসেন পাবনা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আর এন দাস, জেলা পুলিশ সুপার ও সিরাজগঞ্জ মহকুমা প্রশাসক এস কে সিনহাসহ ৪০ জন সশস্ত্র পুলিশ।
সলঙ্গার গো হাটায় ছিল বিপ্লবী স্বদেশি কর্মীদের অফিস। পুলিশ কংগ্রেস অফিস ঘেরাওপূর্বক গ্রেফতার করে মাওলানা আবদুর রশিদকে। সঙ্গে সঙ্গে তাকে মুক্ত করতে বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। বিদ্রোহে ফেটে পড়ে সলঙ্গার সংগ্রামী জনতা। জনতার ঢল ও আক্রোশ দেখে ম্যাজিস্ট্রেট জনতাকে ছত্রভঙ্গ করার জন্য গুলি চালাতে নির্দেশ দেন। শুরু হয় বুলেট-বৃষ্টি। ৪০টি রাইফেলের মধ্যে মাত্র একটি থেকে কোনো গুলি বের হয়নি। এ রাইফেলটি ছিল একজন বাঙ্গালী পুলিশের। হত্যাকাণ্ডে হতাহতের সরকারি সংখ্যা চার হাজার পাচশত (৪৫০০) দেখানো হলেও বেসরকারি বিভিন্ন সংস্থার মতে এর সংখ্যা দশ হাজার (১০০০০) এরও অধিক।
মাওলানা আবদুর রশিদ সলঙ্গা বিদ্রোহের মাধ্যমে উপনিবেশিক শাসনের ভিত নড়িয়ে দিয়েছিলেন। সলঙ্গার রক্তসিক্ত বিদ্রোহ শুধু বাংলার মাটিকে সিক্ত করেনি, সিক্ত করেছে সমগ্র উপমহাদেশ। যে রক্তে ভেজা পিচ্ছিল পথে অহিংস, অসহযোগ আন্দোলনে যা কিছু অর্জিত হয়েছে, তা সলঙ্গা বিদ্রোহেরই ফসল।

সংবাদটি শেয়ার করুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
Copyright © Frilix Group
Theme Customized BY LatestNews