1. hr@dainikbanglaralo.com : দৈনিক বাংলার আলো : দৈনিক বাংলার আলো
  2. info@www.dainikbanglaralo.com : দৈনিক বাংলার আলো : দৈনিক বাংলার আলো
বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ০৬:৫৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ :
কিস্তির ৪ হাজার টাকা বকেয়া,তবুও মৃত গ্রাহকের পরিবার পেল ৪৬ হাজার টাকা:কাউখালীতে ওয়ালটনের সহায়তা প্রদান; মঠবাড়িয়ায় ভুয়া চিকিৎসক আটক, মোবাইল কোর্টে ৩ মাসের কারাদণ্ড; ​২ নং বাগালী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন: উন্নয়নের নতুন স্বপ্ন নিয়ে চেয়ারম্যান প্রার্থী মাওলানা আফজাল হোসাইন; ৬নং পত্তন ইউনিয়নে উন্নয়নের নতুন স্বপ্নসারথী মুফতী রহমতুল্লাহ কাসেমী; শিক্ষার মানোন্নয়নে মাঠপর্যায়ে তৎপর জেলা প্রশাসক: বেলকুচিতে প্রধান শিক্ষকদের সাথে মতবিনিময়; মাদারীপুরে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে পিকআপ, চাইনিজ কুড়াল ও কাটারসহ ২ গ্রেফতার; অবহেলিত প্রান্তিকের কণ্ঠে এবার তারুণ্যের জয়গান: নতুন দিনের স্বপ্ন ফেরি করছেন বাদশা ফাহাদ; আত্রাইয়ের কৃষক ধান সিদ্ধ-শুকানোর কাজে এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন ; কাউখালীতে মাদক ও অপরাধ দমনে পুলিশের জিরো টলারেন্স অভিযান,জনমনে স্বস্তি; নওগাঁর আত্রাই উপজেলা পরিষদ মাঠের জলাবদ্ধতা দূর করতে ড্রেন নির্মাণ কাজ শুরু;

নওগাঁর প্রাচীন কালের বলিহার রাজবাড়ি;

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ৩১ জুলাই, ২০২৫
  • ১২৬ বার পঠিত

মোঃ ফিরোজ আহমেদ
নওগাঁ জেলা প্রতিনিধিঃ

নওগাঁ জেলা শহর থেকে ১৪ কিলোমিটার দূরে বলিহার ইউনিয়নে প্রাচীন বলিহার রাজবাড়ি অবস্থিত। সম্রাট আওরঙ্গজেব কর্তৃক জায়গির লাভ করে বলিহার জমিদার এই রাজবাড়ি তৈরী করেন। যা বর্তমানে দেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনা হিসেবে সুপরিচিত। দোতালা জমিদার বাড়ির সামনে আছে বিশালাকারের তোরণ এবং ভেতরে আছে নাটমন্দির, রাজ রাজেশ্বরী মন্দির, জোড়া শিব মন্দির ও ২টি শিবলিঙ্গ। মন্দিরের দেয়ালে থাকা মূল্যবান রিলিফের কারুকার্য মন্দিরের সৌন্দর্য আরও বৃদ্ধি করেছে। ১৮২৩ সালে বলিহারের জমিদার রাজেন্দ্র লোকান্তরিত হবার পূর্বে বলিহার রাজবাড়ির দূর্গা মন্দিরে রাজ রাজেশ্বরী দেবীর অপরূপা পিতলের মূর্তি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। এছাড়াও প্রাচীনকালে মন্দির ভবনে অবস্থিত প্রতিটি কক্ষকে এক একটি মন্দির বলে ধারণা করা হয়। বিভিন্ন সময়ে কয়েকজন জমিদার রাজশাহী বিভাগের নওগাঁ জেলার বলিহারের জমিদারিত্বের দায়িত্বে ছিলেন। সর্বশেষ দেশ বিভাগের সময় বলিহারের জমিদার রাজা বিমেলেন্দু রায় ভারতে চলে গেলে রাজ পরিবারের অন্যান্য কর্মচারীরা বলিহার রাজবাড়ী দেখাশোনার দায়িত্ব নেন। একসময় বলিহার জমিদারীর অধীনে ৩৩০টি দীঘি/পুকুর থাকলেও বর্তমানে এর মাত্র কয়েকটি অবশিষ্ট রয়েছে। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় রাজবাড়ীর বিভিন্ন নিদর্শন, আসবাপত্র সহ অনেক মূল্যবান সামগ্রী দুর্বৃত্তরা লুট করে নিয়ে যায়। কিছুদিন আগেও বলিহার রাজবাড়ির একটি ভবন স্থানীয় স্কুলের শ্রেণীকক্ষ হিসেবে ব্যবহৃত হলেও বর্তমানে এটি পরিত্যাক্ত অবস্থায় রয়েছে। তবে রাজবাড়ীর ভিতরের দেবালয়ে নিয়মিয় পূজা অর্চনা করা হয়ে থাকে।

সংবাদটি শেয়ার করুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
Copyright © Frilix Group
Theme Customized BY LatestNews