1. hr@dainikbanglaralo.com : দৈনিক বাংলার আলো : দৈনিক বাংলার আলো
  2. info@www.dainikbanglaralo.com : দৈনিক বাংলার আলো : দৈনিক বাংলার আলো
বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ০৯:২৯ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ :
কোস্টগার্ড পশ্চিম জোনের বিশেষ অভিযানে সুন্দরবনের”দস্যু নানা বাহিনীর”কাছে জিম্মি থাকা ৬ জেলে উদ্ধার; পিরোজপুর জেলাবাসীর প্রতি জেলা প্রেসক্লাব আহ্বায়ক ফেরদৌস ওয়াহিদ রাসেল এর ঈদের শুভেচ্ছা; পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে শংকরপাশা ইউনিয়নবাসীকে মোঃ সুমন খানের শুভেচ্ছা; দুঃস্থ ও অসহায়দের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ; পিরোজপুর-১ আসনের সর্বস্তরের জনগণকে সংসদ সদস্য মাসুদ সাঈদীর ঈদ শুভেচ্ছা; কদমতলা ইউনিয়নবাসীকে ঈদ শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিএনপি নেতা আব্দুল আলীম খান; আত্রাইয়ে গঙ্গাস্নান উপলক্ষে দই-চিড়া ও মিষ্টির জমজমাট বেচাকেনা, বসেছে মেলা; আত্রাইয়ে সরকারি যাকাত ফান্ডের অর্থ দরিদ্রদের মাঝে বিতরণ; পবিত্র লাইলাতুলকদর কেন তালাশ করবো আমরা ; সাপলেজা ইউনিয়নে ছাদ ঢালাইয়ের সময় দুর্ঘটনা: নির্মাণ শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যু;

বেলকুচিতে আওয়ামী লীগ পূর্ণবাসনের চেষ্টা, সরকারি প্রোগ্রামে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা;

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ১৫ আগস্ট, ২০২৫
  • ৯৮ বার পঠিত

স্টাফ রিপোর্টার;

সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে উপজেলা পর্যায়ের সরকারি প্রোগ্রামগুলোতে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের নিয়মিত উপস্থিতি ও অংশগ্রহণ নিয়ে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে স্থানীয়দের মধ্যে। দীর্ঘ ১৭ বছর ক্ষমতায় থেকে বিরোধী মত দমন, সাধারণ মানুষকে হয়রানি ও নির্যাতনের ইতিহাস থাকা আওয়ামী লীগ এখন আবার সরকারি প্রোগ্রামের মাধ্যমে পুনঃপ্রবেশের চেষ্টা করছেন।
সম্প্রতি বেলকুচি উপজেলা সরকারি অনুষ্ঠানে উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র উপদেষ্টা ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি সাইদুর রহমানকে বিশেষ অতিথি হিসেবে ডাকা হয়।কিন্তু বেলকুচি উপজেলা অন্য অন্য দলের সিনিয়র নেতাদের ডাকা হয়নাই।এই ঘটনায় সাধারণ মানুষের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে— যে রাজনৈতিক দল ক্ষমতায় থাকাকালীন জনগণের স্বার্থ উপেক্ষা করে এসেছে, তারা কীভাবে প্রশাসনিক প্রোগ্রামে অতিথি হয়ে আসতে পারে? এ ঘটনায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আফরিন জাহানের ভূমিকা নিয়েও সমালোচনা চলছে। অভিযোগ, তিনি সরকারি অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগের নেতাদের জন্য নিয়মিত ‘ঠাঁই’ করে দিচ্ছেন, যা প্রশাসনিক নিরপেক্ষতার পরিপন্থী। অনেকেই বলছেন, এই প্রক্রিয়া আসলে আওয়ামী লীগের ‘পূর্ণবাসন’ পরিকল্পনার অংশ। যারা বছরের পর বছর সাধারণ মানুষকে কষ্ট দিয়েছে, তাদের আবার সরকারি মঞ্চে তুলে দেওয়া আমাদের জন্য অপমানজনক। এ নিয়ে এলাকায় রাজনৈতিক অস্থিরতার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক দলের প্রভাব বৃদ্ধি পেলে তা সামাজিক বিভাজন ও উত্তেজনা বাড়াতে পারে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, স্থানীয় পর্যায়ে প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নষ্ট হলে উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড বাধাগ্রস্ত হয় এবং জনগণের আস্থা হারিয়ে যায়। বেলকুচিতে যা ঘটছে, তা ভবিষ্যতে আরও বড় রাজনৈতিক সংঘাতের জন্ম দিতে পারে।

সংবাদটি শেয়ার করুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
Copyright © Frilix Group
Theme Customized BY LatestNews