1. hr@dainikbanglaralo.com : দৈনিক বাংলার আলো : দৈনিক বাংলার আলো
  2. info@www.dainikbanglaralo.com : দৈনিক বাংলার আলো : দৈনিক বাংলার আলো
বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ১০:১৮ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ :
৯নং সাপলেজা ইউনিয়ন পরিষদ ভবন ও গেইট সংস্কারে বদলে গেছে ইউনিয়নের চিত্র; আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি‘আইজিপি ব্যাজ-২০২৫’ পেলেন পিরোজপুরের পুলিশ সুপার ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মঠবাড়ীয়ার সুযোগ্য উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সাপলেজা লায়লা মালেকিয়া বালিকা দাখিল মাদ্রাসা পরিদর্শন; পিরোজপুরে ১৯তম বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস পালিত; নওগাঁর বান্দাইখাড়া ডিগ্রি কলেজে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও পুরস্কার বিতরণ; কোরবানিকে সামনে রেখে কাউখালীতে ভেটেরিনারি ওষুধের দোকানে অভিযান ও জরিমানা; দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সিপিপি ইউনিট টিম লিডারদের দিনব্যাপী কর্মশালা অনুষ্ঠিত; ধান মাড়াইয়ের মেশিন সরানো নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ৪; ঝুলন্ত জেলের মরদেহ উদ্ধার কাউখালীতে,অপমৃত্যু মামলা; নওগাঁয় ভুট্টা চাষে ব্যাপক বিস্তার, বাম্পার ফলনের আশায় কৃষকরা;

বেলকুচিতে আওয়ামী লীগ পূর্ণবাসনের চেষ্টা, সরকারি প্রোগ্রামে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা;

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ১৫ আগস্ট, ২০২৫
  • ১১৮ বার পঠিত

স্টাফ রিপোর্টার;

সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে উপজেলা পর্যায়ের সরকারি প্রোগ্রামগুলোতে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের নিয়মিত উপস্থিতি ও অংশগ্রহণ নিয়ে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে স্থানীয়দের মধ্যে। দীর্ঘ ১৭ বছর ক্ষমতায় থেকে বিরোধী মত দমন, সাধারণ মানুষকে হয়রানি ও নির্যাতনের ইতিহাস থাকা আওয়ামী লীগ এখন আবার সরকারি প্রোগ্রামের মাধ্যমে পুনঃপ্রবেশের চেষ্টা করছেন।
সম্প্রতি বেলকুচি উপজেলা সরকারি অনুষ্ঠানে উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র উপদেষ্টা ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি সাইদুর রহমানকে বিশেষ অতিথি হিসেবে ডাকা হয়।কিন্তু বেলকুচি উপজেলা অন্য অন্য দলের সিনিয়র নেতাদের ডাকা হয়নাই।এই ঘটনায় সাধারণ মানুষের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে— যে রাজনৈতিক দল ক্ষমতায় থাকাকালীন জনগণের স্বার্থ উপেক্ষা করে এসেছে, তারা কীভাবে প্রশাসনিক প্রোগ্রামে অতিথি হয়ে আসতে পারে? এ ঘটনায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আফরিন জাহানের ভূমিকা নিয়েও সমালোচনা চলছে। অভিযোগ, তিনি সরকারি অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগের নেতাদের জন্য নিয়মিত ‘ঠাঁই’ করে দিচ্ছেন, যা প্রশাসনিক নিরপেক্ষতার পরিপন্থী। অনেকেই বলছেন, এই প্রক্রিয়া আসলে আওয়ামী লীগের ‘পূর্ণবাসন’ পরিকল্পনার অংশ। যারা বছরের পর বছর সাধারণ মানুষকে কষ্ট দিয়েছে, তাদের আবার সরকারি মঞ্চে তুলে দেওয়া আমাদের জন্য অপমানজনক। এ নিয়ে এলাকায় রাজনৈতিক অস্থিরতার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক দলের প্রভাব বৃদ্ধি পেলে তা সামাজিক বিভাজন ও উত্তেজনা বাড়াতে পারে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, স্থানীয় পর্যায়ে প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নষ্ট হলে উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড বাধাগ্রস্ত হয় এবং জনগণের আস্থা হারিয়ে যায়। বেলকুচিতে যা ঘটছে, তা ভবিষ্যতে আরও বড় রাজনৈতিক সংঘাতের জন্ম দিতে পারে।

সংবাদটি শেয়ার করুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
Copyright © Frilix Group
Theme Customized BY LatestNews