
মো: সোহরাওয়ার্দী হোসেন
সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি :
সিরাজগঞ্জ উল্লাপাড়া উপজেলা পঞ্চক্রোশী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে এলাকার প্রতিটি প্রান্তে গণজোয়ার তৈরি করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো: লুৎফর রহমান (এম.এ)। তার নির্বাচনী প্রচারণায় দেখা যাচ্ছে সব শ্রেণি-পেশার মানুষের ব্যাপক সাড়া। বয়স্ক, বৃদ্ধ, প্রতিবন্ধী থেকে শুরু করে কৃষক, শ্রমিক এবং সকল মেহনতি মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত হচ্ছেন তিনি। এলাকায় তার গ্রহণযোগ্যতা অন্যান্য সব প্রার্থীকে ছাড়িয়ে গেছে।
মো: লুৎফর রহমান (এম.এ), যিনি এলাকার একজন সমাজসেবক এবং সাবেক সভাপতি (বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ১২নং পঞ্চক্রোশী ইউনিয়ন শাখা), গত কয়েক দশক ধরে নিঃস্বার্থভাবে এলাকার উন্নয়নে কাজ করে আসছেন। তার নির্বাচনী ইশতেহার এবং জনকল্যাণমূলক চিন্তাধারা এলাকার সাধারণ মানুষের মনে নতুন আশার আলো জাগিয়েছে।
আজকের এই নির্বাচনী প্রচারণায় এলাকার বিভিন্ন স্তরের মানুষের সাথে কথা বলে জানা যায়, তারা এবার একজন যোগ্য ও নিষ্ঠাবান চেয়ারম্যান দেখতে চান, যিনি তাদের পাশে দাঁড়াবেন।
এলাকার কৃষক ফয়সাল বলেন, “আমরা কৃষকরা সারাবছর রোদ-বৃষ্টিতে ভিজে ফসল ফলাই। কিন্তু আমাদের ন্যায্য মূল্য অনেক সময় পাই না। লুৎফর রহমান সাহেব একজন কৃষি ও কৃষক-বান্ধব মানুষ। তিনি ওয়াদা করেছেন, চেয়ারম্যান হলে আমাদের কথা সরাসরি সরকারের উচ্চ মহলে পৌঁছাবেন এবং কৃষি ব্যবস্থার উন্নয়নে কাজ করবেন। আমরা তাকে বিশ্বাস করি।”
বৃদ্ধ মহিলা আসমা বলেন, “আমার বয়স হয়েছে, স্বামী নেই। সন্তানদের ওপর নির্ভর করতে হয়। লুৎফর সাহেবকে আমি ছেলেবেলা থেকেই চিনি। তিনি একজন ভদ্র ও ন্যায়পরায়ণ মানুষ। আমার বিশ্বাস, তিনি চেয়ারম্যান হলে বয়স্ক ভাতা ও আমাদের মতো অসহায় নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবেন।”
এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি আসলাম বলেন, “আমাদের পঞ্চক্রোশী ইউনিয়নে অনেক সমস্যা। এর মধ্যে মাদক একটা বড় অভিশাপ। অনেক ছেলেমেয়ে মাদকে আসক্ত হয়ে তাদের জীবন ধ্বংস করছে। লুৎফর রহমানের ‘মাদকের বিরুদ্ধে’ যে যুদ্ধ ঘোষণা করেছেন, তা আমাদের মতো সমাজ সচেতন মানুষকে আশ্বস্ত করেছে। তিনি একজন সমাজ সংস্কারক। আমরা তাকে চেয়ারম্যান হিসেবে চাই।”
বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আল আমিন বলেন, “ব্যবসায়ীদের জন্য প্রয়োজন একটি শান্তিপূর্ণ ও চাঁদাবাজমুক্ত পরিবেশ। লুৎফর রহমান সাহেবের ব্যক্তিগত ইমেজ খুব ভালো। তিনি এলাকায় শান্তি প্রতিষ্ঠা এবং চাঁদাবাজি নির্মূলে জোরালো ভূমিকা পালন করতে পারবেন বলে আমাদের বিশ্বাস। তার যোগ্যতা ও দক্ষতা আমাদের ইউনিয়নের অর্থনীতিকে আরো উন্নত করবে।”
বয়স্ক মহিলা সুমি বলেন, “আমার নাতি-নাতনির ভবিষ্যৎ নিয়ে আমি চিন্তিত। ভালো স্কুল, নিরাপদ রাস্তাঘাট — এসব তো আমাদের চাওয়া। লুৎফর রহমান সাহেব একজন শিক্ষিত মানুষ, তিনি ইউনিয়নের শিক্ষা ও কাঠামোগত উন্নয়নে সঠিক পরিকল্পনা করবেন বলে আমি মনে করি।”
নির্বাচনী প্রচারণায় মো: লুৎফর রহমান (এম.এ) বলেন, “আমি ১২নং পঞ্চক্রোশী ইউনিয়নের জনগণের সেবক হিসেবে নিজেকে নিয়োজিত রাখতে চাই। আমার মূল লক্ষ্য হলো এলাকায় একটি সুস্থ, নিরাপদ এবং শান্তিপূর্ণ পরিবেশ গড়ে তোলা, যেখানে চাঁদাবাজ ও দুর্নীতিবাজদের কোনো স্থান থাকবে না। আমি এলাকার সকল শ্রেণী-পেশার মানুষের পাশে থাকব এবং তাদের অধিকার আদায়ে কাজ করব। আমার নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী, আমি মাদকমুক্ত ইউনিয়ন গঠন, সড়ক ও কাঠামোগত উন্নয়ন এবং শিক্ষা ও স্বাস্থ্য ব্যবস্থার আধুনিকীকরণে কাজ করব। আমি আপনাদের সবার দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করছি।”
নির্বাচনের তারিখ যতই এগিয়ে আসছে, ১২নং পঞ্চক্রোশী ইউনিয়নে মো: লুৎফর রহমান (এম.এ) এর বিজয় নিয়ে জনমনে উদ্দীপনা ততই বাড়ছে। এলাকার মানুষ এখন একটি পরিবর্তন এবং একনিষ্ঠ অভিভাবক পাওয়ার আশায় ভোট দেওয়ার দিন গুনছেন।