মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬, ০৭:০৬ পূর্বাহ্ন
স্টাফ রিপোর্টার;
সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন এসডিএফ বরগুনা জেলা অফিস থেকে আনিত উপজেলা কর্মকর্তা সিপিএসপি মোঃতৌহিদুল ইসলাম এর প্রতি অভিযোগটি বদরখালি ক্লাস্টারের আওতাধীন দক্ষিন বাওয়াল কর গ্রাম সমিতির ভিসিওর লিডারের স্বিকারক্তি অনুযায়ী গত১১/০৫/২০২৩ইং তারিখ হিসাব নং ১২৭৮৯/৬, চেক নং ৬০০০১৪৯৫৯৪৯ এর মাধ্যমে ভিসিওর লিডার নূরজাহান বেগম ১১২৫০০/- একলক্ষ বারো হাজার পাঁচশত টাকা উওোলন করেন,এবং মঞ্জু/ জালাল কে ৪০০০০/- এবং ভিসিওর লিডারের স্বিকারক্তি অনুযায়ী তার মেয়ের নামে ৭০০০০/- সওর হাজার টাকা ঋণ বিতরন করেন,আর ২৫০০/- টাকা তাদের যাতায়াত নেন,
এই বিষয়ের উপর জেলা কর্মকর্তার অভিযোগে বরিশাল রিজোন অফিস থেকে রিজওনাল ম্যানেজার অরুন কুমার মন্ডল মনিটরিংও জনাব, ফারুক হোসেন কমিউনিটি ফিনান্স অডিটে আসেন গ্রামে, কিন্ত অজ্ঞাত কারনে হুমায়ন কবির চৌধুরী ফারুক সাহেব কে নিয়ে অন্য গ্রামে ঘুরতে জান, আর অরুন কুমার মন্ডল গ্রাম বাসির সাথে না বসে, তাদের কথা না শুনে জেলা অফিসে চলে আসেন,।জেলা থেকে হুমায়ুন কবির চৌধুরীর অনুসারীদের কাছ থেকে অরুন বাবু লিখিত নিয়ে জান,ভিকটিমের কাছে বিস্তারিত কিছু জানতে বা শুনতে চান নি,ভিকটিম কিছু বলতে গেলে তাকে চুপ থাকতে বলেন, এবং প্রশ্ন তুলেন আপনি বিএনপি করেন না জামাতে ইসলাম করেন।দঃ বাওয়াল কর গ্রাম সমিতির সভাপতি,সেক্রটারী,ও ভিসিওর লিডার,সেক্রেটারী সহ ক্লাস্টার এনজেসিসিএস ক্যাশিয়ারের কাছে জিজ্ঞাসা করলে তারা বলেন আমাদের কোন কথা স্যারেরা শুনে নাই এবং গ্রামেও ভালো ভাবে বসে নি সর্বচ্ছ বিশ মিঃ বসেন এবং গরম লাগে বলে চলে যান।
জেলা কর্মকর্তার আর্সিবাদ পুষ্ট জেলা এনজেডিসিএস এর ক্যাশিয়ার লাখি ও সহসভাপতি রাশিদাকে ফিট করে তাদের দ্বারা আজেবাজে লিখে তদন্ত টিমকে দিয়েছেন,অন্য দিকে মোঃ তৌহিদুল ইসলাম উপজেলা অফিসার কে ফোন দিয়ে জানতে চাইলে সে বলে আমাকে তদন্ত কমিটি কিছু জিগায় নি, জহিরুল ইসলাম ও হুমায়ুন কবির চৌধুরী জেলা কর্মকর্তা তারা যা বলছে এবং মহিলাগো দিয়ে মিথ্যা ভিডিও বানাইয়া সরবরাহ করছে, জহির কম্পিউটারে কাটাছিড়া ভালো পারে বিধায় তার দ্বারা এগুলা করাইছে।আমি অনেক আগথেকেই তাদের রোশানলে পরেছি।আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা বানোয়াট ভিত্তিহীন অভিযোগ দ্বায়ের করেন।উর্ধতন কতৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ পূনরায় তদন্তের দাবি জানাই।