
মো: সোহরাওয়ার্দী হোসেন
স্টাফ রিপোর্টার;
নোয়াখালী সদর উপজেলার ৪নং কাদির হানিফ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় রাজনীতিতে আসছে নতুন পরিবর্তনের হাওয়া। ‘উন্নয়নের জন্য সঠিক নেতৃত্ব চাই—আপনাদের দোয়া ও সমর্থন আমার শক্তি’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে সাধারণ মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন বাংলাদেশ শ্রমিক অধিকার পরিষদ নোয়াখালী জেলার সাধারণ সম্পাদক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো: নূরনবী টিপু। দলীয় পরিচয়ের ঊর্ধ্বে সততা, তরুণ নেতৃত্ব ও জনসেবাকে মূল মন্ত্র হিসেবে বেছে নেওয়ায় তাঁর গণসংযোগে যোগ হয়েছে সর্বজনীন গ্রহণযোগ্যতা।
রূপরেখা ও ইশতেহারের মূল প্রতিপাদ্য
সর্বজনীন গ্রহণযোগ্যতা: বিভাজনহীন রাজনীতির স্বপ্ন নিয়ে মুসলমানসহ বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ও ভালোবাসা পাচ্ছেন টিপু।
কৃষক ও শ্রমিকের অধিকার: কৃষি, মৎস্যজীবী, দিনমজুর ও শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি, অধিকার সুরক্ষা এবং সরকারি প্রণোদনায় জিরো টলারেন্স নীতি।
মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স: আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার পাশাপাশি যুবসমাজকে সম্পৃক্ত করে গ্রামভিত্তিক পাহারা ও সচেতনতামূলক কমিটি গঠন।
অবকাঠামোগত ও সামাজিক উন্নয়ন: কাঁচা রাস্তা সংস্কার, অভ্যন্তরীণ ড্রেনেজ, কালভার্ট নির্মাণ এবং মসজিদ-মাদ্রাসা ও শ্মশান/কবরস্থান সংস্কারের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা।
জনতার কণ্ঠস্বর
কৃষক ও শ্রমিক আসলাম: “নূরনবী ভাই আমাদের ঘরের মানুষ। তিনি রোদে পোড়া কষ্ট বোঝেন। উনি এলে জুলুম-অবহেলা থাকবে না।”
বয়স্ক মহিলা জুলেখা বেগম: “বুড়া বয়সে ওনি খোঁজখবর নিছেন। চেয়ারম্যান অইলে ভাতা নিয়ে আর ঘুরতে হবে না।”
বিধবা মহিলা আসমা খাতুন: “স্বামী হারানোর পর কেউ খোঁজ নেয়নি। নূরনবী ভাই আমাদের অধিকার মাইরা খাবেন না—এই ভরসা আছে।”
প্রার্থীর অঙ্গীকার
চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো: নূরনবী টিপু বলেন,
“আমি রাজা বা শাসক নই, আপনাদের সন্তান ও সেবক হতে চাই। কৃষক-শ্রমিক-মজুর থেকে শুরু করে মা-বোনদের নিরাপত্তা ও অধিকার নিশ্চিত করা আমার ঈমানী দায়িত্ব। নির্বাচিত হলে কাদির হানিফকে একটি পরিচ্ছন্ন, দুর্নীতিমুক্ত, মাদকমুক্ত এবং উন্নত রোল মডেল ইউনিয়ন হিসেবে উপহার দেব ইনশাআল্লাহ।”