নিজস্ব প্রতিবেদক:
গাজীপুর পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) সাব-ইন্সপেক্টর (এসআই) মো. আলতাফ হোসেনের বিরুদ্ধে পুলিশ মহাপরিদর্শকের (আইজিপি) দপ্তরে ঘুষ দাবি ও পক্ষপাতদুষ্ট তদন্তের অভিযোগ তোলা হয়েছে। তবে এসব অভিযোগকে মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার পক্ষের সূত্রগুলো। তাদের দাবি, একটি মামলার তদন্তের ফলাফল নিজেদের অনুকূলে না আসায় একটি পক্ষ ওই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে তার পেশাগত ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করছে।
অনুসন্ধানে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে দায়ের করা একটি মামলার তদন্তের দায়িত্ব পান এসআই মো. আলতাফ হোসেন। মামলাটির তদন্তকালে বাদী-বিবাদী ও সাক্ষীদের বক্তব্য, মেডিকেল রিপোর্টসহ সংশ্লিষ্ট তথ্য-উপাত্ত পর্যালোচনা করে আইনানুগ প্রক্রিয়ায় তদন্ত কার্যক্রম সম্পন্ন করেন বলে দাবি করেছেন তিনি।
সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, তদন্তকালে এসআই আলতাফ হোসেন কোনো পক্ষের কাছ থেকে আর্থিক সুবিধা গ্রহণ করেননি কিংবা তদন্তে পক্ষপাতিত্ব করেননি। বরং মামলার তথ্য-প্রমাণ বিশ্লেষণ করে বস্তুনিষ্ঠ তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেছেন। তবে তার বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগের পক্ষে কী ধরনের তথ্য-প্রমাণ আইজিপির দপ্তরে জমা দেওয়া হয়েছে, তা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
সংশ্লিষ্টদের মতে, কোনো তদন্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ঘুষ গ্রহণ বা পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ উঠলে তা যথাযথভাবে যাচাই করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত কাউকে দোষী সাব্যস্ত করা সমীচীন নয়। অভিযোগের নিরপেক্ষ অনুসন্ধানের পাশাপাশি তদন্ত কর্মকর্তার বক্তব্য ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্রও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা প্রয়োজন।
এ বিষয়ে এসআই মো. আলতাফ হোসেন বলেন, “আমি মামলাটি গভীরভাবে তদন্ত করেছি। বাদী-বিবাদী ও সাক্ষীদের জবানবন্দি এবং মেডিকেল রিপোর্ট পর্যালোচনা করে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সম্পূর্ণ আইনগত ও বস্তুনিষ্ঠ তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছি।”
তার দাবি, তদন্তের প্রকৃত তথ্য ও প্রমাণের ভিত্তিতেই প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগের বিষয়ে অভিযোগকারীদের বক্তব্য ও আইজিপির দপ্তরের পরবর্তী পদক্ষেপ জানা গেলে বিষয়টির পূর্ণাঙ্গ চিত্র পাওয়া যাবে।