স্টাফ রিপোর্টার ;
পিরোজপুরের নেছারাবাদ (স্বরূপকাঠী) উপজেলার সমুদয়কাঠী শীতলা মন্দিরের জমি দখলের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মো. শফিকুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তি। তাঁর দাবি, জমি দখলের অভিযোগ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। এ অভিযোগকে কেন্দ্র করে তাঁকে হয়রানি করা হচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি।
মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) স্বরূপকাঠী প্রেস ক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে এসব কথা বলেন শফিকুল ইসলাম।
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, তিনি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর একজন সাধারণ কর্মী। তাঁকে ‘জামায়াত নেতা’ হিসেবে পরিচয় দিয়ে একটি মহল তাঁর ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করছে।
জমির মালিকানা সম্পর্কে শফিকুল ইসলাম বলেন, বি.এস. ১৩০ খতিয়ানের ৫৯২ দাগের জমিটি তিনি সমী রঞ্জন আইচের কাছ থেকে দলিলমূলে কিনেছেন। এরপর থেকে তিনি জমিটি শান্তিপূর্ণভাবে ভোগদখল করে আসছেন। এ বিষয়ে পিরোজপুরের বিজ্ঞ জজ আদালত থেকে ডিক্রি পেয়েছেন এবং আইন অনুযায়ী নিজের নামে জমিটি রেকর্ডভুক্ত করেছেন বলেও দাবি করেন তিনি।
শফিকুল ইসলামের অভিযোগ, জমি নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের লোকজন ২০২৫ সালের ডিসেম্বর ও ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে তাঁর ভোগদখলীয় জমির ফসল জোরপূর্বক নিয়ে যায়। এ ঘটনায় তিনি পিরোজপুরের আদালতে এমপি ৩৩৯/২৫ ও সি আর ৩৮/২৬ নম্বর মামলা দায়ের করেছেন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, মামলা দুটি বর্তমানে বিচারাধীন।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, প্রতিপক্ষ টুটুল আইচের নেতৃত্বে ওই জমিতে শীতলা মন্দিরের সাইনবোর্ড টাঙিয়ে তাঁকে উচ্ছেদের চেষ্টা করা হচ্ছে। পাশাপাশি তাঁকে বিভিন্ন ধরনের হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি। এ পরিস্থিতিতে নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন শফিকুল ইসলাম।
সংবাদ সম্মেলনে শফিকুল ইসলাম প্রশাসনের কাছে প্রয়োজনীয় আইনি সহায়তা ও নিরাপত্তা দাবি করেন। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে তথ্য যাচাই করে সংবাদ প্রকাশের জন্য গণমাধ্যমকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান।
তবে জমির মালিকানা, মন্দিরের জমি দখলের অভিযোগ এবং উভয় পক্ষের বক্তব্যের বিষয়ে স্বাধীনভাবে যাচাই করা তথ্য এ প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি। প্রতিপক্ষের বক্তব্যও এখানে অন্তর্ভুক্ত করা সম্ভব হয়নি।