
মো: সোহরাওয়ার্দী হোসেন
নিজস্ব প্রতিবেদক:
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ৬নং পত্তন ইউনিয়নে পরিবর্তনের হাওয়া বইছে। “সময় এখন পরিবর্তনের, সময় এখন উন্নয়নের”—এমনই এক বলিষ্ঠ স্লোগান নিয়ে সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় হাজির হয়েছেন জনপ্রিয় তরুণ সমাজসেবক ও সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মুফতী রহমতুল্লাহ কাসেমী। এলাকার তৃণমূল মানুষের ভাগ্যোন্নয়নে তিনি এক নতুন রাজনৈতিক ও সামাজিক চেতনার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন।
মেহনতী মানুষের হৃদয়ে স্থান
মুফতী রহমতুল্লাহ কাসেমী মনে করেন, একটি জনপদের প্রকৃত উন্নয়ন তখনই সম্ভব, যখন কৃষক ও শ্রমজীবী মানুষ তাদের অধিকার ফিরে পাবে। এলাকার খেটে খাওয়া মানুষের পাশে দাঁড়ানোকে তিনি নিজের নৈতিক দায়িত্ব বলে মনে করেন। তিনি বলেন, “কৃষক ও শ্রমিকরাই আমাদের অর্থনীতির মূল ভিত্তি। তাদের জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন এবং ফসলের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করাই আমার নির্বাচনী অঙ্গীকারের অন্যতম প্রধান দিক।”
সামাজিক সুরক্ষায় বিশেষ গুরুত্ব
অবহেলিত বিধবা নারী, প্রতিবন্ধী এবং বয়স্ক মানুষদের প্রতি তার বিশেষ সংবেদনশীলতা এলাকার সর্বস্তরের মানুষের নজর কেড়েছে। তিনি ঘোষণা দিয়েছেন, নির্বাচিত হলে বয়স্ক ও প্রতিবন্ধী ভাতা বিতরণে শতভাগ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করবেন। কোনো অসহায় মানুষ যেন সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির বাইরে না থাকে, সে লক্ষ্যে তিনি একটি কার্যকর সেবামূলক কাঠামো গড়ে তোলার রূপরেখা তৈরি করেছেন।
তারুণ্য ও অভিজ্ঞতার সমন্বয়
বর্তমানে তিনি যুব উলামা পরিষদ বিজয়নগর-এর সভাপতি এবং হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ বিজয়নগর উপজেলা শাখার যুগ্ম সম্পাদক হিসেবে নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন। এই দায়িত্বশীল ভূমিকার কারণে ধর্মীয় ও সামাজিক অঙ্গনে তিনি একজন সৎ এবং পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির নেতা হিসেবে পরিচিত। তারুণ্যের শক্তি এবং আদর্শিক দৃঢ়তাকে পুঁজি করে তিনি পত্তন ইউনিয়নকে একটি মডেল ইউনিয়নে রূপান্তর করতে চান।
উন্নয়নই প্রধান লক্ষ্য
তার নির্বাচনি ইশতেহারে আধুনিক অবকাঠামো নির্মাণ, মাদকবিরোধী সমাজ গঠন, মানসম্মত শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। রাজনৈতিক কোনো সংকীর্ণতা নয়, বরং জনকল্যাণই তার রাজনীতির মূলমন্ত্র।
ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণ মনে করছেন, এমন একজন নিবেদিতপ্রাণ ও তরুণ নেতৃত্ব এখন সময়ের দাবি। আগামী দিনে পত্তন ইউনিয়নকে আধুনিক ও সমৃদ্ধ করতে মুফতী রহমতুল্লাহ কাসেমীর বিকল্প নেই বলে মনে করছেন এলাকাবাসীর একটি বড় অংশ।