বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ০৫:১২ অপরাহ্ন
জেলা প্রতিনিধি পটুয়াখালী;
বরগুনার আমতলী উপজেলার ১নং গুলিশাখালীর উত্তর পূর্ব কলাগাছিয়ায় শনিবার দুপুর একটার দিকে যুবদল নেতা শ্রী পলাশ চন্দ্র ( মলয়) কতৃক চাঁদাবাজি ও লুটের অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী জাহানারা (৫০) বেগম । পরে জাহানারা বেগমের ছেলে সাইদুল মাদবার বাদী হয়ে ৩ জন আসামি করে থানায় মামলা দায়ের করেন।
জাহানারা বেগমের অভিযোগ মতে তার ভাগ্নে জামাতা মোঃ লিটন মিয়া তাদের বাড়ি বেড়াতে আসে । শনিবার দুপুরে শ্রী পলাশ ও তার দলবল নিয়ে তাদের বাড়ি আসেন এসে তার জামাতার খোঁজ করেন । তার জামাতার নামে থানা থেকে ওয়ারেন্ট রয়েছে ও তাকে ধরতে থানা থেকে তাকে বলা হয়েছে বলে তার জামাতাকে খোঁজ করেন শ্রী পলাশ ।
পরে তাদের কাছে টাকা দাবি করেন টাকা না দেয়ায় যুবদল নেতা ক্ষুব্ধ হয়ে তাদের বাড়ি থেকে টাকা ও অলংকার লুট করেছেন বলে দাবি জাহানারা বেগমের ।
শ্রী পলাশ চন্দ্র শীলের সাথে যোগাযোগ করার জন্য মুঠোফোনে ফোন দিলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি । তার সাথে যোগাযোগ করা যায়নি।
জানা গেছে ভুক্তভোগীর জামাতা নারায়ণগঞ্জের আদমজী এলাকাতে বসবাস করে তিনি আওয়ামী লীগের সংগঠনের সাথে যুক্ত ছিলেন । নারায়ণগঞ্জ থেকে তার আত্মীয়র বাসায় বেড়াতে আসেন । পুলিশের অফিসার শ্রী পলাশ চন্দ্র শীলের কাছে ওয়ারেন্টের কাগজ দিয়েছেন সেই মর্মে তাকে ধরতে আসেন । তাকে না পেয়ে বাড়িতে থাকা স্বর্ণ অলংকারও নগদ অর্থ লুট করে নিয়েছেন বলে অভিযোগ । ২নং ওয়ার্ড গ্রাম পুলিশ মোঃ মিজানুর রহমান বলেন, সাইদুলের মামা ইউনুস মোল্লা আমাকে ফোন দিয়ে জানান ৪-৫ জন লোক আসছে তারা চাঁদা চাচ্ছে । আর পলাশের নিকট পুলিশের ওয়ারেন্ট আছে । আমি বললাম যা হইছে ঐ পর্যন্ত থাকেন বিকেলে বাজারে আসেন মেম্বারও স্থানীয়দের সামনে বসে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে । বিকেলে আমি এসে দেখি আগে থাকতে সাইদুল মোল্লার দোকানে লোকজন জড়ো হয়েছে তারপর মেম্বার জিজ্ঞাসাবাদ করতেছে আমিও জিজ্ঞাসাবাদ করতেছি তিনি কথা ঠিকমত উত্তর না দিয়ে উল্টোপাল্টা জবাব দেয় পরবর্তীতে স্থানীয়রা ক্ষিপ্ত হলে তার সাথে হাতাহাতি শুরু হয় পরবর্তীতে সবাইকে সরিয়ে আমরা তাকে সেভ করি ।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ব্যক্তিরা বলেন, পলাশ মেম্বার সাহেব ও চৌকিদার সাহেবের সাথে অশুভ আচরণ করায় সাধারণ মানুষের সাথে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন ।
আমতলী থানার অফিসার ইনচার্জ জনাব মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, কারো নামে যদি ওয়ারেন্ট থাকে সেই কাগজপত্র কেবল থানার স্টাফদের নিকট থাকে । কোন সাধারণ কিংবা রাজনৈতিক ব্যক্তিদের নিকট থাকবে না থাকতে পারে না । অনেক সময় আসামিদের খোঁজখবর নেওয়ার জন্য আমরা তথ্য চেয়ে থাকি এর বেশি না