মো: সোহরাওয়ার্দী হোসেন
স্টাফ রিপোর্টার
কর্মী হওয়ার চেয়ে বড় কোনো পদ হতে পারে না। আমার সবচেয়ে বড় পরিচয় আমি একজন শ্রমিক নেতা। পদ-পদবি মানুষকে বড় করে না; বরং ত্যাগ, সততা, মেহনতি মানুষের প্রতি ভালোবাসা ও কর্মই একজন নেতাকে প্রকৃত সম্মান দেয়।”
সম্প্রতি বাংলাদেশ শ্রমিক অধিকার পরিষদের সিনিয়র সহ-সভাপতির দায়িত্ব পাওয়ার পর এক বিবৃতিতে এসব কথা বলেন তরুণ ও উদীয়মান শ্রমিক নেতা ইমরান খান।
বিগত ১৮ মাস সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব নিষ্ঠার সাথে পালন শেষে তার কাজের মূল্যায়নে তাকে এ নতুন দায়িত্ব দেওয়া হয়। দায়িত্ব গ্রহণকালে তৃণমূলের নেতাকর্মী, সহযোদ্ধা ও শ্রমজীবী মানুষের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা ও শুভকামনা জানান তিনি।
বক্তব্যে ইমরান খান বলেন, “সংগঠনের নতুন দায়িত্বকে আমি কোনো পদমর্যাদা হিসেবে দেখিনি, দেখেছি এক পবিত্র আমানত হিসেবে। শ্রমিকের ন্যায্য মজুরি, নিরাপদ কর্মপরিবেশ, কর্মক্ষেত্রে মর্যাদা এবং ন্যায্য পাওনা আদায়ে আমাদের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে। অধিকার আদায়ের এ লড়াইয়ে কোনো শ্রমিক বা তৃণমূল কর্মী একা নন—আমি সবসময় তাদের পাশে ছিলাম, আছি এবং থাকব।”
তৃণমূলকে সংগঠনের মূল শক্তি উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, “সংগঠনের প্রকৃত শক্তি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে নয়; প্রত্যন্ত অঞ্চলের প্রতিটি শ্রমিক, ওয়ার্ড, ইউনিয়ন এবং ত্যাগী কর্মীর মাঝে ছড়িয়ে আছে। যে কর্মীরা রোদ-বৃষ্টি উপেক্ষা করে দিনরাত মেহনতি মানুষের পাশে দাঁড়ান, তাদের ত্যাগ কখনোই বৃথা যেতে দেওয়া যাবে না। আজ যিনি সাধারণ কর্মী, তিনিই আগামী দিনে নেতৃত্বের অন্যতম ভরসা।”
তিনি সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও শুভানুধ্যায়ীদের ব্যক্তিগত বিভেদ, মান-অভিমান এবং নেতৃত্বের প্রতিযোগিতা ভুলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বান জানান। সংগঠনের স্বার্থে এবং মেহনতি মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় তৃণমূল নেতাকর্মীদের মতামত ও পরামর্শের সর্বোচ্চ মূল্যায়ন নিশ্চিত করা হবে বলে তিনি প্রতিশ্রুতি দেন।