1. hr@dainikbanglaralo.com : দৈনিক বাংলার আলো : দৈনিক বাংলার আলো
  2. info@www.dainikbanglaralo.com : দৈনিক বাংলার আলো : দৈনিক বাংলার আলো
শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ০৩:২২ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ :
বেলকুচি উপজেলায় মেধার স্বীকৃতি ও অনুপ্রেরণায় কৃতি শিক্ষার্থীদের মাঝে সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত ; মানবাধিকার কর্মে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি সম্মানসূচক পিএইচডি ডিগ্রির জন্য মনোনীত ডিএ পারভেজ; বিজ্ঞানমনস্ক জাতি গড়তে তরুণ উদ্ভাবকদের পাশে জেলা পরিষদ – আলমগীর হোসেন; বিজিবিতে সহকারী পরিচালক পদে কমিশন লাভ করলেন কাউখালীর কৃতি সন্তান জহিরুল ইসলাম প্রিন্স; তেঁতুলিয়ায় সিনিয়র শিক্ষক নুরুল ইসলামকে অবসরজনিত বিদায় সংবর্ধনা; কাউখালীতে বিজ্ঞান ও উদ্ভাবনী মেলা: শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল ভাবনায় ভবিষ্যতের প্রযুক্তির স্বপ্ন; কাউখালীতে নবাগত ওসিকে সংবর্ধনা,আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় সাংবাদিকদের সহযোগিতা কামনা; গ্রাম আদালতের সেবা পৌঁছে দিতে কাউখালীতে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা কর্মশালা; ইতিহাস-ঐতিহ্যের স্মারক পতিসর রবীন্দ্র কাচারিবাড়ী; নওগাঁর বায়তুল্লাহ সেতুর উত্তর পাশে বাঁশের হাট যেন মৃত্যুফাঁদ, বাজার স্থানান্তরের দাবি;

অবরোধ চলাকালীন বন কর্মকর্তার তত্ত্বাবধানে অবৈধ জাল দিয়ে মাছ নিধন;

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৫
  • ১৪৫ বার পঠিত

মোঃ আঃ কুদ্দুস খান, স্টাফ রিপোর্টার, মঠবাড়ীয়া (পিরোজপুর)।

রক্ষক যখন ভক্ষকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হন, তখন আসল রক্ষক কে— সেই প্রশ্নই এখন এলাকার জেলেদের মুখে মুখে। এমনই এক চিত্র দেখা গেল বন খেকো কিছু বন কর্মকর্তার কর্মকাণ্ডে। অবরোধ চলাকালীন সময়ে, অর্থাৎ ২ অক্টোবর থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত বলেশ্বর নদী ও আশপাশের এলাকায় সকল ধরনের মাছ ধরা, নৌকা ও ট্রলার চলাচল নিষিদ্ধ থাকলেও, বন বিভাগের কর্মকর্তাদের তত্ত্বাবধানে চলছে প্রকাশ্যে অবৈধ চড় গড়া জাল দিয়ে মাছ নিধন। ২৪ অক্টোবর দুপুরে সরেজমিনে দেখা যায়— রায়েন্দা স্মরণখোলা বগী বন কর্মকর্তার অফিস সংলগ্ন বলেশ্বর নদী এবং স্মরণখোলা রেঞ্জ কর্মকর্তার অফিসের পাশে শতাধিক অবৈধ চড় গড়া জাল নদীর ধারে আটকানো রয়েছে। এসব জাল সম্পূর্ণভাবে অবৈধ, কিন্তু প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করেই এগুলো দিয়ে মাছ ধরা চলছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বন বিভাগের কিছু অসাধু কর্মকর্তা নদীর এপারে এসে জেলেদের কাছ থেকে মাসিক চাঁদা আদায় করেন। কেউ জাল দিয়ে মাছ ধরতে গেলে তাদের জাল ও নৌকা আটকিয়ে জরিমানা ও জেল দেওয়ার ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করা হয়।
এ বিষয়ে স্মরণখোলা রেঞ্জের এক ফরেস্ট অফিসারের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “এই জালগুলো আমরা পাশ দিয়েছি, পাশ নিয়েই ওরা মাছ ধরে। নদী আমাদের, আমরা অনুমতি দিয়েই মাছ ধরতে দেই।”
তবে প্রশ্ন থেকে যায়— যদি পাশ দেওয়া হয়, তবে একই ধরনের জাল ব্যবহার করায় অন্য জেলেদের জাল ও নৌকা কেন আটক করা হচ্ছে?
স্থানীয় জেলেরা বলছেন, “বন বিভাগের কর্মকর্তাদের এই দ্বিচারিতা ও দুর্নীতিই আমাদের জীবিকা ধ্বংস করছে।”
জনমনে প্রশ্ন উঠেছে— চুরি ও দুর্নীতিই কি এখন বন কর্মকর্তাদের নিয়মিত দায়িত্ব হয়ে গেছে? বন বিভাগের দায়িত্ব কি বন রক্ষা, না মাছ ও নদী লুটপাট করা।

সংবাদটি শেয়ার করুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
Copyright © Frilix Group
Theme Customized BY LatestNews