শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৫২ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ :
কুমিল্লায় ডেঙ্গুর আতঙ্ক শহর থেকে গ্রামগঞ্জে ছড়িয়ে পড়ছে সংক্রমণ; মোহনপুরে পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় আনসার-ভিডিপি ; ভাঙ্গুড়ায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা সপ্তাহের কর্মসূচি উদ্বোধন; দেবিদ্বারে জোবেদা খাতুন মহিলা কলেজে নবীনবরণ ও কৃতী শিক্ষার্থী সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত; বিসিবির ক্রিকেট দলের মালামাল চুরি রাজশাহীতে ৪জন গ্রেপ্তার; বই পড়ার অভ্যাস ফিরিয়ে আনার অনন্য উদ্যোগ; দেবিদ্বারে সার ডিলার নিয়োগ নিয়ে বিতর্ক, তদন্তের দাবি বিএনপির; কবিতা-চাওয়া পাওয়া ; চাঁদাবাজির মামলায় নওগাঁর আত্রাইয়ের আলোচিত সিফাত মাহমুদ জেল হাজতে; ​ইঞ্জিন বিকল হয়ে মাঝ নদীতে ৬০ ইজতেমা যাত্রী; আত্রাইয়ে দুই মোটরসাইকেল চোর আটক ; ঢাকাস্থ বরিশাল বিভাগীয় ওলামা পরিষদের সভাপতি মুফতি জুনায়েদ, সেক্রেটারি মুফতি আবুল হাসান; মেধার চর্চায় সমৃদ্ধি, মানবিকতায় গড়ে উঠুক আদর্শ প্রজন্ম; জ্ঞানপাঠক মুজিবুল হকের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীতে রামু পাবলিক লাইব্রেরির স্মরণসভা; সার ডিলারের দুটি আবেদনে সুপারিশ করেছি এর বাইরে নয়, মাজেদা হাসান মুন্সী ; নওগাঁর পোরশায় পুলিশের অভিযানে সাজাপ্রাপ্ত দুই আসামিসহ গ্রেপ্তার ৩; নানিয়ারচর জোনের উদ্যোগে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ; ফসল রক্ষায় দুশ্চিন্তা ও নতুন আশা: তানোর ও মোহনপুরে কৃষকদের নানা অভিজ্ঞতা; মোহনপুরে বারনই নদীতে অবৈধ সুতি জাল ও মাছের ঘের উচ্ছেদ অভিযান; মোহনপুরে বারনই নদীতে অবৈধ সুতি জাল ও মাছের ঘের উচ্ছেদ অভিযান;

অবরোধ চলাকালীন বন কর্মকর্তার তত্ত্বাবধানে অবৈধ জাল দিয়ে মাছ নিধন;

  • Update Time : শনিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৫
  • ১৯৯ বার পঠিত



মোঃ আঃ কুদ্দুস খান, স্টাফ রিপোর্টার, মঠবাড়ীয়া (পিরোজপুর)।

রক্ষক যখন ভক্ষকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হন, তখন আসল রক্ষক কে— সেই প্রশ্নই এখন এলাকার জেলেদের মুখে মুখে। এমনই এক চিত্র দেখা গেল বন খেকো কিছু বন কর্মকর্তার কর্মকাণ্ডে। অবরোধ চলাকালীন সময়ে, অর্থাৎ ২ অক্টোবর থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত বলেশ্বর নদী ও আশপাশের এলাকায় সকল ধরনের মাছ ধরা, নৌকা ও ট্রলার চলাচল নিষিদ্ধ থাকলেও, বন বিভাগের কর্মকর্তাদের তত্ত্বাবধানে চলছে প্রকাশ্যে অবৈধ চড় গড়া জাল দিয়ে মাছ নিধন। ২৪ অক্টোবর দুপুরে সরেজমিনে দেখা যায়— রায়েন্দা স্মরণখোলা বগী বন কর্মকর্তার অফিস সংলগ্ন বলেশ্বর নদী এবং স্মরণখোলা রেঞ্জ কর্মকর্তার অফিসের পাশে শতাধিক অবৈধ চড় গড়া জাল নদীর ধারে আটকানো রয়েছে। এসব জাল সম্পূর্ণভাবে অবৈধ, কিন্তু প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করেই এগুলো দিয়ে মাছ ধরা চলছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বন বিভাগের কিছু অসাধু কর্মকর্তা নদীর এপারে এসে জেলেদের কাছ থেকে মাসিক চাঁদা আদায় করেন। কেউ জাল দিয়ে মাছ ধরতে গেলে তাদের জাল ও নৌকা আটকিয়ে জরিমানা ও জেল দেওয়ার ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করা হয়।
এ বিষয়ে স্মরণখোলা রেঞ্জের এক ফরেস্ট অফিসারের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “এই জালগুলো আমরা পাশ দিয়েছি, পাশ নিয়েই ওরা মাছ ধরে। নদী আমাদের, আমরা অনুমতি দিয়েই মাছ ধরতে দেই।”
তবে প্রশ্ন থেকে যায়— যদি পাশ দেওয়া হয়, তবে একই ধরনের জাল ব্যবহার করায় অন্য জেলেদের জাল ও নৌকা কেন আটক করা হচ্ছে?
স্থানীয় জেলেরা বলছেন, “বন বিভাগের কর্মকর্তাদের এই দ্বিচারিতা ও দুর্নীতিই আমাদের জীবিকা ধ্বংস করছে।”
জনমনে প্রশ্ন উঠেছে— চুরি ও দুর্নীতিই কি এখন বন কর্মকর্তাদের নিয়মিত দায়িত্ব হয়ে গেছে? বন বিভাগের দায়িত্ব কি বন রক্ষা, না মাছ ও নদী লুটপাট করা।

সংবাদটি শেয়ার করুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
Copyright © Frilix Group
Theme Customized By BreakingNews