
মোঃ নুরুজ্জামান খোকন
(পিরোজপুর)
“নার্সারি কেবল একটি ব্যবসা নয়,এটি পরিবেশ সুরক্ষার একটি পবিত্র মাধ্যম। এই পেশার সঙ্গে মানবিকতা ও সামাজিক দায়বদ্ধতা গভীরভাবে জড়িত। তাই ব্যবসার স্থান বা কাজের আঙিনা যেন কোনোভাবেই ডেঙ্গুর বাহক এডিস মশার জন্মস্থানে পরিণত না হয়—সে বিষয়ে নার্সারি মালিক,শ্রমিক ও স্থানীয়দের সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে।”
শুক্রবার পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলার অলংকারকাঠিতে আয়োজিত ‘ডেঙ্গু প্রতিরোধে কমিউনিটি সংলাপে’প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোঃ আবদুল জলিল। ইউনিসেফ(UNICEF) বরিশালের সহযোগিতায় পিরোজপুর জেলা তথ্য অফিস স্থানীয় নার্সারি মালিক ও শ্রমিকদের নিয়ে এই সচেতনতামূলক সংলাপের আয়োজন করে।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মহাপরিচালক বলেন, নেছারাবাদ তথা সমগ্র পিরোজপুর জেলাকে ডেঙ্গুমুক্ত রাখতে হলে বাড়িঘর ও কর্মক্ষেত্রের আশপাশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার কোনো বিকল্প নেই। অসচেতনতাবশত নার্সারির অভ্যন্তরে টব বা অন্যান্য পাত্রে পানি জমিয়ে রাখা যাবে না।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, ডেঙ্গু মোকাবিলায় সরকারের সময়োচিত পদক্ষেপে রোগী বৃদ্ধির হার কমতে শুরু করেছে। তবে স্থায়ী প্রতিরোধের জন্য সর্বাগ্রে প্রয়োজন জনসচেতনতা। নিজের বাড়ি ও পেশাগত প্রতিষ্ঠানের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার প্রাথমিক দায়িত্ব নিজেদেরই নিতে হবে।
পিরোজপুর জেলা তথ্য অফিসের উপপরিচালক পরীক্ষিৎ চৌধূরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রচার ও সমন্বয়) ডালিয়া ইয়াসমিন এবং পরিচালক (প্রশাসন) এম এ মোমেন।
কমিউনিটি সংলাপ শেষে মহাপরিচালকের নেতৃত্বে অলংকারকাঠি মহাসড়কে একটি সচেতনতামূলক বর্ণাঢ্য র্যালি বের করা হয়। র্যালি থেকে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও পথচারীদের মাঝে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার বার্তা দেওয়া হয়।