বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:০৭ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ :
ডিএজি-এএজি নিয়োগ নিয়ে ক্ষোভ, মাসব্যাপী আন্দোলনে জাতীয়তাবাদী আইনজীবীদের একাংশ; তিতাস নদীতে ৫ মণ বিভিন্ন প্রজাতির মাছের পোনা অবমুক্ত করল কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপি; ধামইরহাটে মুস্তাকিন হত্যা: ১২ ঘণ্টায় ৫ আসামি গ্রেপ্তার; মঠবাড়িয়ায় ফিসার্স ফেডারেশনের ৩ ব্যক্তির বিরুদ্ধে বিভিন্ন ভাউচার দেখিয়ে প্রায় ১২ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ; লালমনিরহাটে শিক্ষককে লাঞ্ছিতের প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের ক্লাস বর্জন ও অবরুদ্ধ ব্যক্তিকে উদ্ধার; কাউখালীতে জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ উপলক্ষে পুরস্কার ও সনদ বিতরণ; ‎বাঁশের সাঁকোয় পার হতে হয় কোটি টাকার ব্রিজ‎; নওগাঁয় অস্ত্রসহ ‘ব্ল্যাকহোল ক্লাবের’ দুই সদস্য গ্রেপ্তার; জনগণের হৃদয়ে স্থান করে নেওয়া তরুণ নেতা মো. রফিকুল ইসলাম ছুমির খান: সততা, উন্নয়ন ও জনকল্যাণের এক অনন্য প্রতীক; দেবিদ্বারে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও সমাবেশে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত; অভিযানের রেশ কাটতে না কাটতেই বেলকুচির মুকুন্দগাঁতীতে ফের ফুটপাত দখল; সুন্দরবনে র‍্যাবের কাছে ৪ বাহিনীর ৫২ জলদস্যুর আত্মসমর্পণ; রামুতে মাছুমিয়া ইসলামিয়া সুন্নিয়া আলিম মাদ্রাসায় সততা স্টোর উদ্বোধন ও সততা সংঘ গঠিত ; আত্রাইয়ে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভা; নওগাঁয় র‍্যালি-আলোচনায় বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন; দখলমুক্ত করে বনায়ন করা হয়েছে ৭৫ একর বনভূমি প্রশংসিত হয়েছেন বনবিট কর্মকর্তা; আত্রাইয়ে মাদ্রাসাছাত্রীকে মারধরের অভিযোগ, ইউএনওর কাছে লিখিত অভিযোগ; কবিতার নাম: লালমনিরহাট-২ রামু কেন্দ্রীয় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে  অভিভাবক সমাবেশ ও বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা; ভাঙ্গুড়ায় নজরুল বর্ষ-২০২৬ উপলক্ষে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা;

ডিএজি-এএজি নিয়োগ নিয়ে ক্ষোভ, মাসব্যাপী আন্দোলনে জাতীয়তাবাদী আইনজীবীদের একাংশ;

  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ২৪ বার পঠিত




সুপ্রিম কোর্ট প্রতিবেদক;

অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল (ডিএজি) ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল (এএজি) নিয়োগকে কেন্দ্র করে ক্ষোভ ও অসন্তোষ ক্রমেই তীব্র হচ্ছে। নিয়োগপ্রক্রিয়ায় বঞ্চিত হওয়ার অভিযোগ তুলে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের একাংশ গত আগস্টের শুরু থেকে ধারাবাহিকভাবে আন্দোলন, বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করে আসছেন।

গত ৩০ জুলাই আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের সলিসিটর অনুবিভাগের পৃথক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে আগের সব ডিএজি ও এএজির নিয়োগ বাতিল করে নতুন করে ৮৬ জন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এবং ১৭৯ জন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল নিয়োগ দেওয়া হয়।
নতুন নিয়োগের পরই নিয়োগবঞ্চিত আইনজীবীদের একাংশ অভিযোগ তোলেন, জাতীয়তাবাদী আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় থাকা এবং বিভিন্ন সময়ে মামলা, হামলা ও হয়রানির শিকার অনেক আইনজীবীকে যথাযথভাবে মূল্যায়ন করা হয়নি। ২ আগস্ট অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ের সামনে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের ব্যানারে আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশে তাঁরা নিয়োগপ্রক্রিয়ায় অনিয়ম ও আর্থিক লেনদেনের অভিযোগও করেন। তবে এসব অভিযোগের স্বতন্ত্র প্রমাণ বা সরকারি তদন্তের ফলাফল এখনো প্রকাশ্যে পাওয়া যায়নি।
আন্দোলনকারীদের দাবি, রাষ্ট্রের পক্ষে উচ্চ আদালতে মামলা পরিচালনার জন্য আইন কর্মকর্তা নিয়োগের ক্ষেত্রে পেশাগত দক্ষতা, অভিজ্ঞতা, যোগ্যতা এবং দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ও পেশাগত ত্যাগকে যথাযথ গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। তাঁদের অভিযোগ, নতুন তালিকায় এসব মানদণ্ড যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়নি।
আন্দোলনকারীদের পক্ষ থেকে আরও দাবি করা হয়েছে, জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের অনেক ত্যাগী ও দীর্ঘদিনের সক্রিয় আইনজীবী ডিএজি-এএজি পদে নিয়োগের জন্য প্রত্যাশিত থাকলেও তাঁদের পরিবর্তে অপেক্ষাকৃত কম পরিচিত বা ভিন্ন রাজনৈতিক মতাদর্শের সঙ্গে সম্পৃক্ত ব্যক্তিদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্যও সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন আইনসংশ্লিষ্টরা।
এদিকে, নিয়োগকে কেন্দ্র করে আন্দোলন শুধু বিক্ষোভের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকেনি। সাম্প্রতিক সময়ে সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে আইনজীবীদের দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ও হাতাহাতির ঘটনাও ঘটেছে। ১ সেপ্টেম্বরের ঘটনায় কয়েকজন আইনজীবী আহত হওয়ার খবর প্রকাশিত হয়েছে।
এর আগে ৩ আগস্টও অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ের সামনে বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের একাংশ বিক্ষোভ করেন। তাঁদের অভিযোগ ছিল, নতুন নিয়োগে যোগ্যতা ও পেশাগত অভিজ্ঞতার পরিবর্তে অন্য বিষয়কে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে, সরকারি প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, আগের সব ডিএজি ও এএজির নিয়োগ বাতিল করে রাষ্ট্রপতির প্রদত্ত ক্ষমতাবলে নতুন করে ৮৬ জন ডিএজি ও ১৭৯ জন এএজি নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
ফলে প্রশ্ন উঠেছে—রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের মামলা পরিচালনার মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে আইন কর্মকর্তা নিয়োগের ক্ষেত্রে কী কী মানদণ্ড অনুসরণ করা হয়েছে এবং নিয়োগপ্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও পেশাগত যোগ্যতার যথাযথ মূল্যায়ন হয়েছে কি না।
প্রায় এক মাস ধরে চলা এই আন্দোলনের ফলে অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয় ও সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে বিষয়টি এখন আইনজীবী মহলে ব্যাপক আলোচনার কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। আন্দোলনকারীরা তাঁদের দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন।
তবে নিয়োগপ্রক্রিয়া নিয়ে উত্থাপিত অনিয়ম, আর্থিক লেনদেন কিংবা রাজনৈতিক পক্ষপাতের অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুনির্দিষ্ট বক্তব্য এবং কোনো আনুষ্ঠানিক তদন্তের ফলাফল পাওয়া গেলে বিষয়টির পূর্ণাঙ্গ চিত্র আরও স্পষ্ট হবে।
সম্পাদক সাহেব এধরনের নিউজ করা যাবে?

সংবাদটি শেয়ার করুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
Copyright © Frilix Group
Theme Customized By BreakingNews