সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ০২:২৮ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ :
ভাঙাবাড়ী ইউনিয়নে পরিবর্তন আনতে চেয়ারম্যান পদে লড়ছেন তরুণ নেতা জাহিদ তালুকদার; জনগণের অধিকার রক্ষায় আপসহীন নেতৃত্ব: পীরগাছার ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. রাজু আহমেদ ​; আত্রাইয়ে বৈঠাখালী সরকারি ডহর (জলপথ)দখল মুক্তের দাবিতে এলাকাবাসীর অবস্থান; সর্ব সাধারনের অবগতির জন্য সতর্কিকরন; সদিয়া চাঁদপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় ছাত্রদল নেতা ইসমাইল হোসেন শুভ; দৈনিক সংগ্রামের কাউখালী প্রতিনিধি অধ্যাপক সাইদুল কবির সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত,ঢাকায় হাঁটুতে সফল অস্ত্রোপচার; নওগাঁর আত্রাই নদীর পাড়ে হতে পারে দৃষ্টিনন্দন বিনোদন কেন্দ্র; আত্রাইয়ে বাল্যবিবাহ বন্ধ করতে গিয়ে হামলার চেষ্টা,বর-কনেসহ আটক ৩; দৈনিক সংগ্রামের কাউখালী প্রতিনিধি অধ্যাপক সাইদুল কবির সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত,; ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ৫০ কিলোমিটার যানজট; রামুর দক্ষিণ মিঠাছড়িতে প্রবাসীর বাড়িতে ডাকাতি, স্বর্ণ-নগদ টাকা লুট; সংস্কারের নামে দেবিদ্বার ভানী-রাজামেহার সড়কে অনিয়মের অভিযোগ; শোষণ ও বৈষম্যের অবসান: খুকনী ইউনিয়নকে বদলে দিতে প্রস্তুত আপসহীন নেতা সাইদুল ইসলাম রাজ; সৌদি আরবে নিহত আত্রাইয়ের ৭ প্রবাসীর জানাজা সম্পন্ন, পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর; কাউখালীতে গাঁজা ও ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার, আদালতে প্রেরণ; বাণী ছন্দ – ৩; মাদক, সন্ত্রাস ও দুর্নীতিমুক্ত এলাকা গড়ার প্রত্যয়ে বেলকুচির ভাঙাবাড়ী ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী জাহিদ তালুকদার; প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ; কঁচা নদীতে নৌ পুলিশের অভিযান,২লাখ ৫০ হাজার মিটার কারেন্ট জাল জব্দ; আত্রাইয়ে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচিতে ১৫ টাকা কেজি দরে চাল বিতরণ;

নওগাঁয় রোদের তীব্রতায় ঝরে যাচ্ছে আমের গুটি ;

  • Update Time : শনিবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২৫
  • ২২৬ বার পঠিত



মোঃ ফিরোজ আহমেদ
নওগাঁ জেলা প্রতিনিধিঃ

দুই সপ্তাহের টানা তাপপ্রবাহের কারণে যেমন জনজীবন অতিষ্ঠ, তেমনই ঝড়ে পড়ছে আমের গুটি। পানি সেচসহ নানা পদ্ধতি অবলম্বন করেও ঝরে পড়া থেকে ঠেকানো যাচ্ছে না আমের গুটি। ফলে চিন্তার ভাঁজ দীর্ঘ হচ্ছে আম চাষিদের কপালে। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, নওগাঁয় এবছর ৩০ হাজার ৩০০ হেক্টর জমিতে বিভিন্ন জাতের আম চাষ হয়েছে, যা গতবছরের তুলনায় ৩০০ হেক্টর বেশি। প্রতি হেক্টর জমিতে ১৪ দশমিক ২৪ টন হিসেবে ৪ লাখ ৩১ হাজার ৫০০ টন আম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। শনিবার ( ২৬ এপ্রিল) বিভিন্ন আম বাগান ঘুরে দেখা যায়, সবুজ পাতায় ভরে আছে গাছ। কিন্তু নেই কাঙ্ক্ষিত আমের দেখা। গাছে গাছে আমের গুটির খরা। রোদের তীব্রতায় গাছের নিচে অসংখ্য ছোট, মাঝারি আমের গুটি ঝরে পড়ে আছে। এমন পরিস্থিতি আমের বাণিজ্যিক রাজধানী খ্যাত নওগাঁর বেশিরভাগ আম বাগানেই। চাষিদের সাথে কথা বলে জানা যায়, বৈরি আবহাওয়ার কারণে এবছর আম বাগানে মুকুল এসেছিল চাহিদার তুলনায় অনেক কম। এরপর চলতি মাসে প্রায় ১৫ দিনের তীব্র তাপপ্রবাহে আমের বোঁটা শুকিয়ে ঝরে পড়ছে গুটি। এতে পানি সেচ ও নানা পদ্ধতি অবলম্বন করেও ঝরে পড়া ঠেকাতে পারছে না। ফলে এদিকে আম চাষে যেমন খরচ বাড়ছে অন্যদিকে আমের উৎপাদনে বিপর্যয়ের আশঙ্কাও করছেন তারা। সাপাহার উপজেলার তিলনা ইউনিয়নের আমচাষি আব্দুর রউফ বলেন, চলতি মৌসুমের শুরুতে কম ছিল মুকুল। যে মুকুল এসেছিলো সেটি টিকিয়ে রাখার জন্য পরিচর্যা করা হয়। মুকুল বের হওয়া শেষ হলে আমের গুটি আসে। কিন্তু গুটি আসার পর অনাবৃষ্টি ও তাপদাহে প্রতিদিনই আমের গুটি ঝরে পড়ছে। সামনের দিনগুলোতে এমন তাপপ্রবাহ অব্যাহত থাকলে গাছে আম টেকানো কঠিন হয়ে পড়বে। একই এলাকার আরেক আমচাষি আসিফ বলেন, বাগানের আম রক্ষার জন্য দিনরাত পরিশ্রম করে যাচ্ছি। পানি, ওষুধ দেওয়ার পরও প্রচণ্ড গরম আর রোদের কারনে আমগুলো ঝরে পড়ছে। গাছে আম টেকানো যাচ্ছে না। আবার কালবৈশাখী ঝড় হলে আম নষ্ট হবে। সব মিলিয়ে আম চাষিরা এবছর বড় ক্ষতির মুখে পড়বে। বরেন্দ্র অ্যাগ্রো পার্কের উদ্যোক্তা সোহেল রানা বলেন, সাপাহার উপজেলা এমনিতেই পানি সংকটাপন্ন এলাকায়। এর মধ্যে শুরু হয়েছে তীব্র তাপপ্রবাহ। কোন বৃষ্টি নেই। এ অবস্থা আরও কয়েকদিন চলতে থাকলে ২০ থেকে ৩০ শতাংশ গাছ থেকে আমের গুটি ঝরে যাবে। যেসব বাগানগুলোতে সেচের ব্যবস্থা আছে সেসব বাগানগুলোতে সেচ দেওয়া হচ্ছে। আর যেসব বাগানে সেচের ব্যবস্থা নেই সেসব বাগানগুলো থেকে আম ঝরে যাচ্ছে। তাই আমাদের সরকারের কাছে দাবি বাগানগুলোতে যেন সেচের ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়। নওগাঁ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক বলেন, প্রতিবছরই স্বাভাবিকভাবে এমন সময় গাছ থেকে আমের গুটি ঝরে পড়ে। তবে এই সময়ে গাছে বাড়তি পরিচর্যা করলে অস্বাভাবিকভাবে গুটি ঝরে পড়া বন্ধ হবে। আম গাছের গোড়ায় পর্যাপ্ত সেচের পাশাপাশি প্রয়োজনে গাছের পাতায় পানি স্প্রে করা যেতে পারে। আমরা মাঠ পর্যায়ে চাষিদের আমের গুটি ঝরা রোধে সব ধরনের পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছি। তবে এখনো পর্যন্ত আমের উৎপাদনে বিপর্যয়ে কোন আশঙ্কা নেই। কারণ আমের গুটি ঝরে যাওয়র পরও যে পরিমাণ আম থাকবে তা দিয়েই আমাদের উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
Copyright © Frilix Group
Theme Customized By BreakingNews