বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৩৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ :
দেবিদ্বারে সার ডিলার নিয়োগ নিয়ে বিতর্ক, তদন্তের দাবি বিএনপির; কবিতা-চাওয়া পাওয়া ; চাঁদাবাজির মামলায় নওগাঁর আত্রাইয়ের আলোচিত সিফাত মাহমুদ জেল হাজতে; ​ইঞ্জিন বিকল হয়ে মাঝ নদীতে ৬০ ইজতেমা যাত্রী; আত্রাইয়ে দুই মোটরসাইকেল চোর আটক ; ঢাকাস্থ বরিশাল বিভাগীয় ওলামা পরিষদের সভাপতি মুফতি জুনায়েদ, সেক্রেটারি মুফতি আবুল হাসান; মেধার চর্চায় সমৃদ্ধি, মানবিকতায় গড়ে উঠুক আদর্শ প্রজন্ম; জ্ঞানপাঠক মুজিবুল হকের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীতে রামু পাবলিক লাইব্রেরির স্মরণসভা; সার ডিলারের দুটি আবেদনে সুপারিশ করেছি এর বাইরে নয়, মাজেদা হাসান মুন্সী ; নওগাঁর পোরশায় পুলিশের অভিযানে সাজাপ্রাপ্ত দুই আসামিসহ গ্রেপ্তার ৩; নানিয়ারচর জোনের উদ্যোগে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ; ফসল রক্ষায় দুশ্চিন্তা ও নতুন আশা: তানোর ও মোহনপুরে কৃষকদের নানা অভিজ্ঞতা; মোহনপুরে বারনই নদীতে অবৈধ সুতি জাল ও মাছের ঘের উচ্ছেদ অভিযান; মোহনপুরে বারনই নদীতে অবৈধ সুতি জাল ও মাছের ঘের উচ্ছেদ অভিযান; মোহনপুরে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের মাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত; নওগাঁর পোরশায় পুলিশের অভিযানে সাজাপ্রাপ্ত দুই আসামিসহ গ্রেপ্তার ৩; কাউখালীতে বিআরডিবি’র উদ্যোগে দরিদ্র মহিলাদের ৩ দিনব্যাপী হাঁস-মুরগি পালন প্রশিক্ষণ শুরু; উদ্বোধনের দেড় দশক পেরিয়েও ঘটেনি ভাগ্যোন্নয়ন; দেবিদ্বারে সার ডিলার নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগে বিএনপির বিক্ষোভ; নওগাঁর আত্রাইয়ে শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত ;

নওগাঁয় রোদের তীব্রতায় ঝরে যাচ্ছে আমের গুটি ;

  • Update Time : শনিবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২৫
  • ২৬১ বার পঠিত



মোঃ ফিরোজ আহমেদ
নওগাঁ জেলা প্রতিনিধিঃ

দুই সপ্তাহের টানা তাপপ্রবাহের কারণে যেমন জনজীবন অতিষ্ঠ, তেমনই ঝড়ে পড়ছে আমের গুটি। পানি সেচসহ নানা পদ্ধতি অবলম্বন করেও ঝরে পড়া থেকে ঠেকানো যাচ্ছে না আমের গুটি। ফলে চিন্তার ভাঁজ দীর্ঘ হচ্ছে আম চাষিদের কপালে। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, নওগাঁয় এবছর ৩০ হাজার ৩০০ হেক্টর জমিতে বিভিন্ন জাতের আম চাষ হয়েছে, যা গতবছরের তুলনায় ৩০০ হেক্টর বেশি। প্রতি হেক্টর জমিতে ১৪ দশমিক ২৪ টন হিসেবে ৪ লাখ ৩১ হাজার ৫০০ টন আম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। শনিবার ( ২৬ এপ্রিল) বিভিন্ন আম বাগান ঘুরে দেখা যায়, সবুজ পাতায় ভরে আছে গাছ। কিন্তু নেই কাঙ্ক্ষিত আমের দেখা। গাছে গাছে আমের গুটির খরা। রোদের তীব্রতায় গাছের নিচে অসংখ্য ছোট, মাঝারি আমের গুটি ঝরে পড়ে আছে। এমন পরিস্থিতি আমের বাণিজ্যিক রাজধানী খ্যাত নওগাঁর বেশিরভাগ আম বাগানেই। চাষিদের সাথে কথা বলে জানা যায়, বৈরি আবহাওয়ার কারণে এবছর আম বাগানে মুকুল এসেছিল চাহিদার তুলনায় অনেক কম। এরপর চলতি মাসে প্রায় ১৫ দিনের তীব্র তাপপ্রবাহে আমের বোঁটা শুকিয়ে ঝরে পড়ছে গুটি। এতে পানি সেচ ও নানা পদ্ধতি অবলম্বন করেও ঝরে পড়া ঠেকাতে পারছে না। ফলে এদিকে আম চাষে যেমন খরচ বাড়ছে অন্যদিকে আমের উৎপাদনে বিপর্যয়ের আশঙ্কাও করছেন তারা। সাপাহার উপজেলার তিলনা ইউনিয়নের আমচাষি আব্দুর রউফ বলেন, চলতি মৌসুমের শুরুতে কম ছিল মুকুল। যে মুকুল এসেছিলো সেটি টিকিয়ে রাখার জন্য পরিচর্যা করা হয়। মুকুল বের হওয়া শেষ হলে আমের গুটি আসে। কিন্তু গুটি আসার পর অনাবৃষ্টি ও তাপদাহে প্রতিদিনই আমের গুটি ঝরে পড়ছে। সামনের দিনগুলোতে এমন তাপপ্রবাহ অব্যাহত থাকলে গাছে আম টেকানো কঠিন হয়ে পড়বে। একই এলাকার আরেক আমচাষি আসিফ বলেন, বাগানের আম রক্ষার জন্য দিনরাত পরিশ্রম করে যাচ্ছি। পানি, ওষুধ দেওয়ার পরও প্রচণ্ড গরম আর রোদের কারনে আমগুলো ঝরে পড়ছে। গাছে আম টেকানো যাচ্ছে না। আবার কালবৈশাখী ঝড় হলে আম নষ্ট হবে। সব মিলিয়ে আম চাষিরা এবছর বড় ক্ষতির মুখে পড়বে। বরেন্দ্র অ্যাগ্রো পার্কের উদ্যোক্তা সোহেল রানা বলেন, সাপাহার উপজেলা এমনিতেই পানি সংকটাপন্ন এলাকায়। এর মধ্যে শুরু হয়েছে তীব্র তাপপ্রবাহ। কোন বৃষ্টি নেই। এ অবস্থা আরও কয়েকদিন চলতে থাকলে ২০ থেকে ৩০ শতাংশ গাছ থেকে আমের গুটি ঝরে যাবে। যেসব বাগানগুলোতে সেচের ব্যবস্থা আছে সেসব বাগানগুলোতে সেচ দেওয়া হচ্ছে। আর যেসব বাগানে সেচের ব্যবস্থা নেই সেসব বাগানগুলো থেকে আম ঝরে যাচ্ছে। তাই আমাদের সরকারের কাছে দাবি বাগানগুলোতে যেন সেচের ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়। নওগাঁ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক বলেন, প্রতিবছরই স্বাভাবিকভাবে এমন সময় গাছ থেকে আমের গুটি ঝরে পড়ে। তবে এই সময়ে গাছে বাড়তি পরিচর্যা করলে অস্বাভাবিকভাবে গুটি ঝরে পড়া বন্ধ হবে। আম গাছের গোড়ায় পর্যাপ্ত সেচের পাশাপাশি প্রয়োজনে গাছের পাতায় পানি স্প্রে করা যেতে পারে। আমরা মাঠ পর্যায়ে চাষিদের আমের গুটি ঝরা রোধে সব ধরনের পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছি। তবে এখনো পর্যন্ত আমের উৎপাদনে বিপর্যয়ে কোন আশঙ্কা নেই। কারণ আমের গুটি ঝরে যাওয়র পরও যে পরিমাণ আম থাকবে তা দিয়েই আমাদের উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
Copyright © Frilix Group
Theme Customized By BreakingNews