রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৪৬ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ :
মনোহরদীতে মেধার স্বীকৃতি, সংবর্ধনা পেল ১৮৭ কৃতী শিক্ষার্থী; ভাঙ্গুড়ার খানমরিচে বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা; ডিজিটাল কৃষির ছোঁয়া মোহনপুরে; দুর্গাপূজায় বিশালপুরবাসীকে শুভেচ্ছা জানালেন স্বাধীন চন্দ্র সরকার; পাবনা-৩ আসনের তিন উপজেলায় ২৫০ শাড়ি বিতরণ; ১৬বছর জাল সনদে শিক্ষকতা ; নির্বাচনী গণসংযোগে জামায়াতের চেয়ারম্যান প্রার্থী তৈয়্যব; আত্রাইয়ে চেকপোস্টে চোরাই চার্জার অটোরিক্সাসহ আটক আন্তজেলা চুরির মামলার আসামি; নওগাঁর আত্রাইয়ে ৪৮ টি মণ্ডপে দুর্গোৎসব শুরু; নওগাঁর আত্রাইয়ে নারকেল দাম বেশী হলেও দুর্গাপূজাকে ঘিরে বেড়েছে বিক্রয় ; ​কাউখালীতে বিএনপি নেতাকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম, গ্রেপ্তার ১: কুমিল্লায় ডেঙ্গুর আতঙ্ক শহর থেকে গ্রামগঞ্জে ছড়িয়ে পড়ছে সংক্রমণ; মোহনপুরে পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় আনসার-ভিডিপি ; ভাঙ্গুড়ায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা সপ্তাহের কর্মসূচি উদ্বোধন; দেবিদ্বারে জোবেদা খাতুন মহিলা কলেজে নবীনবরণ ও কৃতী শিক্ষার্থী সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত; বিসিবির ক্রিকেট দলের মালামাল চুরি রাজশাহীতে ৪জন গ্রেপ্তার; বই পড়ার অভ্যাস ফিরিয়ে আনার অনন্য উদ্যোগ; দেবিদ্বারে সার ডিলার নিয়োগ নিয়ে বিতর্ক, তদন্তের দাবি বিএনপির; কবিতা-চাওয়া পাওয়া ; চাঁদাবাজির মামলায় নওগাঁর আত্রাইয়ের আলোচিত সিফাত মাহমুদ জেল হাজতে;

ঐতিহাসিক সলঙ্গা বিদ্রোহ দিবস;

  • Update Time : সোমবার, ২৭ জানুয়ারী, ২০২৫
  • ২১৫ বার পঠিত



মোঃ সোহরাওয়ার্দী
ব্যুরো প্রধান রাজশাহী

১৯২২ সালের ২৭ জানুয়ারি তদানীন্তন ব্রিটিশ সরকারের লেলিয়ে দেওয়া পুলিশ বাহিনীর গুলিতে সলঙ্গার হাটে বিলেতি পণ্য বর্জন আন্দোলনের কর্মীসহ সাড়ে চার হাজার সাধারণ মানুষ শহীদ হন।
ব্রিটিশ শাসনামলে সাম্রাজ্যবাদবিরোধী অসহযোগ আন্দোলন ও খেলাফত আন্দোলনে জনতা উদ্বেলিত হয়ে বিলেতি পণ্য বর্জন করে স্বদেশি পণ্য ব্যবহারের সংগ্রাম শুরু করেছিলেন। এমনি একটি আন্দোলনের ঢেউ এসে আছড়ে পড়ে সলঙ্গায়। সে সময় তৎকালীন পাবনা জেলার (বর্তমান সিরাজগঞ্জে) সলঙ্গায় একটি ব্যবসায়িক জনপদ হিসেবে সপ্তাহে দু’দিন হাট বসত। ১৯২২ সালের ২৭ জানুয়ারি ছিল বড় হাটবার। মাওলানা আবদুর রশিদ তর্কবাগীশের নেতৃত্বে অসহযোগ ও খেলাফত আন্দোলনের কর্মীরা হাটে নামেন বিলেতি পণ্য কেনাবেচা বন্ধ করতে। আর এই স্বদেশি আন্দোলনের কর্মীদের রুখতে ছুটে আসেন পাবনা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আর এন দাস, জেলা পুলিশ সুপার ও সিরাজগঞ্জ মহকুমা প্রশাসক এস কে সিনহাসহ ৪০ জন সশস্ত্র পুলিশ।
সলঙ্গার গো হাটায় ছিল বিপ্লবী স্বদেশি কর্মীদের অফিস। পুলিশ কংগ্রেস অফিস ঘেরাওপূর্বক গ্রেফতার করে মাওলানা আবদুর রশিদকে। সঙ্গে সঙ্গে তাকে মুক্ত করতে বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। বিদ্রোহে ফেটে পড়ে সলঙ্গার সংগ্রামী জনতা। জনতার ঢল ও আক্রোশ দেখে ম্যাজিস্ট্রেট জনতাকে ছত্রভঙ্গ করার জন্য গুলি চালাতে নির্দেশ দেন। শুরু হয় বুলেট-বৃষ্টি। ৪০টি রাইফেলের মধ্যে মাত্র একটি থেকে কোনো গুলি বের হয়নি। এ রাইফেলটি ছিল একজন বাঙ্গালী পুলিশের। হত্যাকাণ্ডে হতাহতের সরকারি সংখ্যা চার হাজার পাচশত (৪৫০০) দেখানো হলেও বেসরকারি বিভিন্ন সংস্থার মতে এর সংখ্যা দশ হাজার (১০০০০) এরও অধিক।
মাওলানা আবদুর রশিদ সলঙ্গা বিদ্রোহের মাধ্যমে উপনিবেশিক শাসনের ভিত নড়িয়ে দিয়েছিলেন। সলঙ্গার রক্তসিক্ত বিদ্রোহ শুধু বাংলার মাটিকে সিক্ত করেনি, সিক্ত করেছে সমগ্র উপমহাদেশ। যে রক্তে ভেজা পিচ্ছিল পথে অহিংস, অসহযোগ আন্দোলনে যা কিছু অর্জিত হয়েছে, তা সলঙ্গা বিদ্রোহেরই ফসল।

সংবাদটি শেয়ার করুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
Copyright © Frilix Group
Theme Customized By BreakingNews