
সুপারিশের ভিত্তি জানতে চান বিএনপি নেতারা;
কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি;
কুমিল্লার দেবিদ্বারে সার ডিলার নিয়োগে সুপারিশপত্র বা ডিও লেটার (D.O. Letter) প্রদান নিয়ে বিএনপির ত্যাগী নেতাকর্মীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। ১০নং দক্ষিণ গুনাইঘর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে না জানিয়ে কেন ডিও লেটার দেওয়া হলো, তা নিয়ে দেবিদ্বার বিএনপি নেতাদের কাছে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় নেতারা। দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে দলের আন্দোলন-সংগ্রাম ও মিছিলে সক্রিয় থাকা অনেক নেতাকর্মী সুপারিশপত্র না পাওয়ার অভিযোগ তুলে এই নিয়োগপ্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।
১০নং দক্ষিণ গুনাইঘর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি মোঃ মাসুদ রানা এবং সাধারণ সম্পাদক মোঃ জিয়াউর রহমান (জিয়া) বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে বিএনপির নেতাকর্মীরা বিভিন্ন প্রতিকূলতার মধ্যেও রাজপথের আন্দোলন-সংগ্রামে অংশ নিয়েছেন। মিছিল-মিটিংসহ দলীয় কর্মসূচিতে সক্রিয় থেকেছেন অনেকে। কিন্তু সার ডিলারের ডিও লেটার দেওয়ার ক্ষেত্রে দীর্ঘদিন দলের রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন না—এমন ব্যক্তিরা সুপারিশ পেয়েছেন বলে তাঁদের অভিযোগ।
তাঁরা প্রশ্ন তোলেন, “যাঁরা দীর্ঘদিন দলের সঙ্গে থেকে রাজনৈতিক মামলা, কারাবরণ, নির্যাতন ও নানা প্রতিকূলতার মুখোমুখি হয়েছেন, তাঁদের অনেকে কেন ডিও লেটার পেলেন না? অন্যদিকে, অতীতে বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন না বলে যাঁদের বিষয়ে অভিযোগ উঠেছে, তাঁদের সুপারিশ দেওয়ার ক্ষেত্রে কী বিবেচনা করা হয়েছে?”
দক্ষিণ গুনাইঘর ইউনিয়ন বিএনপির এই দুই নেতা আরও বলেন, সার ডিলার নিয়োগের সুপারিশ দেওয়ার ক্ষেত্রে যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা, কৃষকদের সেবা দেওয়ার সক্ষমতা এবং সরকারি নীতিমালা অনুসরণ করা হয়েছে কি না, তা পরিষ্কার হওয়া প্রয়োজন। কারা কোন বিবেচনায় সুপারিশ পেয়েছেন, সংশ্লিষ্ট নেতাদের কাছে তার ব্যাখ্যা চান তাঁরা।
তাঁদের বক্তব্য, “১৭ বছর আমরা বিএনপির সঙ্গে ছিলাম। রাজপথের আন্দোলন-সংগ্রাম, মিছিল-মিটিং—সব জায়গায় নেতাকর্মীদের নিয়ে কাজ করেছি। তাহলে দলের দুঃসময়ে যাঁরা পাশে ছিলেন, তাঁদের অনেকেই কেন সুপারিশ পেলেন না? আর যাঁরা দীর্ঘদিন রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন না বলে অভিযোগ রয়েছে, তাঁরা কীসের ভিত্তিতে সুপারিশ পেলেন—আমরা তা জানতে চাই।”
নেতারা জানান, বিএনপির রাজনীতিতে ত্যাগী নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন এবং