
সোহরাওয়ার্দী হোসেন
স্টাফ রিপোর্টার :
ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে গণঅধিকার পরিষদ সমর্থিত মেয়র পদপ্রার্থী এবং দলটির ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি আব্দুল রহিম এলাকার সামগ্রিক উন্নয়ন, মাদক নির্মূল এবং মেহনতী মানুষের অধিকার আদায়ের সুনির্দিষ্ট রূপরেখা নিয়ে গণসংযোগ ও পথসভা চালিয়ে যাচ্ছেন। তাঁর এই জনমুখী ও আপসহীন নেতৃত্ব সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।
মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান
তরুণ প্রজন্মকে মাদকের গ্রাস থেকে রক্ষা করতে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করেছেন মেয়র পদপ্রার্থী আব্দুল রহিম। তিনি পরিষ্কার জানিয়েছেন, নির্বাচিত হলে এলাকার অলিগলি থেকে মাদক ব্যবসা ও জুয়ার আসর চিরতরে নির্মূল করা হবে। মাদকসম্রাট ও এর নেপথ্যের পৃষ্ঠপোষকদের কঠোর আইনের আওতায় আনতে প্রশাসনকে সাথে নিয়ে কঠোর সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলা হবে বলে তিনি প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
কৃষক, শ্রমিক ও মেহনতী মানুষের ন্যায্য অধিকার
দিনমজুর, কৃষক, শ্রমিক এবং প্রান্তিক মেহনতী মানুষের নায্য অধিকার প্রতিষ্ঠাকে তিনি তাঁর রাজনৈতিক ও সামাজিক আন্দোলনের মূল ভিত্তি হিসেবে উল্লেখ করেছেন। খেটে খাওয়া মানুষের ঘাম ঝরানো শ্রমের সঠিক মূল্যায়ন এবং তাদের নায্য মজুরি নিশ্চিত করার কথা তিনি জোর দিয়ে বলেন। এ প্রসঙ্গে স্থানীয় ভ্যান শ্রমিক আব্দুল বারেক আবেগাপ্লুত হয়ে বলেন, “আব্দুল রহিম ভাই সবসময় আমাদের সুখে-দুঃখে পাশে থাকেন। আমাদের পেটের ভাতের ও অধিকারের কথা এমন জোরালোভাবে আর কেউ বলেন না। আমরা তাঁকে আমাদের মেয়র হিসেবে দেখতে চাই।”
অবকাঠামোগত উন্নয়ন পরিকল্পনা
উত্তর সিটি কর্পোরেশনের বিভিন্ন এলাকার বর্তমান বেহাল দশা তুলে ধরে আব্দুল রহিম রাস্তাঘাট সংস্কার, ড্রেনেজ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন, মানসম্মত স্কুল-কলেজ প্রতিষ্ঠা এবং কবরস্থানগুলোর সুষ্ঠু রক্ষণাবেক্ষণ ও সম্প্রসারণের দীর্ঘমেয়াদী মহাপরিকল্পনা ঘোষণা করেন। সাধারণ নাগরিকদের নাগরিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করাই তাঁর প্রধান লক্ষ্য বলে জানান তিনি।
সর্বস্তরের মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত
দল, মত, ধর্ম ও বর্ণ নির্বিশেষে উত্তর সিটির সব শ্রেণির মানুষের কাছে সমানভাবে গ্রহণযোগ্য হয়ে উঠেছেন আব্দুল রহিম। তাঁর সহজ-সরল জীবনযাপন, সততা এবং মানুষের বিপদে ঝাঁপিয়ে পড়ার মানসিকতার কারণে এলাকার সর্বস্তরের মানুষ তাঁকে পরম স্নেহে ও ভালোবাসায় আগলে রাখছেন। পথসভায় স্থানীয় জনতা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নিয়ে তাঁর হাতকে শক্তিশালী করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।