এম এ রাজ্জাক (সুমন)
লৌহজং (মুন্সীগঞ্জ) প্রতিনিধি:
শারদীয় দুর্গাপূজাকে ঘিরে মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার হলদিয়া ইউনিয়নে উৎসবমুখর পরিবেশের মধ্যেই ধর্মীয় সম্প্রীতির এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করা হয়েছে। ইউনিয়নের সাতটি পূজামণ্ডপে শুভেচ্ছা ও বিশেষ উপহার সামগ্রী পৌঁছে দিয়ে সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও পারস্পরিক সহমর্মিতার বার্তা দিয়েছেন হলদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান এবং আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হাজী মোহাম্মদ রাশেদ।
পূজা উপলক্ষে তাঁর পক্ষে জ্যেষ্ঠ পুত্র মো. আরিফ হোসেনের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল ইউনিয়নের বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করে। প্রতিনিধি দলে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) যুগ্ম কর কমিশনার মিজ্ মাসুমা খাতুন। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন মুন্সীগঞ্জ জেলা জাসাসের সদস্য সচিব আশরাফ উদ্দিন খান আশু, হলদিয়া ইউনিয়ন বিএনপির কোষাধ্যক্ষ হাজী মুহাম্মদ মহসিন মোড়ল, স্থানীয় নেতা মো. জহিরুল, মোহাম্মদ ইলিয়াস, ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি মো. উজ্জ্বল মাদবর, মো. লিওন শেখ, মো. শরাফত শেখসহ বিভিন্ন ওয়ার্ডের নেতৃবৃন্দ ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
প্রতিনিধি দলকে প্রতিটি পূজামণ্ডপে পূজা উদযাপন কমিটির নেতারা ফুলেল শুভেচ্ছায় স্বাগত জানান। পরে তারা পূজা কমিটির সদস্য, ভক্ত ও দর্শনার্থীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং উৎসবের শুভেচ্ছা জানান। এ সময় প্রতিটি মণ্ডপে বিশেষ উপহার সামগ্রীও তুলে দেওয়া হয়।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। যুগ যুগ ধরে সব ধর্মের মানুষ পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সৌহার্দ্যের বন্ধনে একসঙ্গে বসবাস করে আসছেন। ‘ধর্ম যার যার, উৎসবের আনন্দ সবার’—এই চেতনাকে ধারণ করেই সকলকে সম্প্রীতির বন্ধন আরও সুদৃঢ় করতে হবে। তারা বলেন, সনাতন ধর্মাবলম্বীরা যাতে নির্বিঘ্নে ও আনন্দঘন পরিবেশে দুর্গাপূজা উদযাপন করতে পারেন, সে লক্ষ্যেই বিভিন্ন পূজামণ্ডপের সার্বিক খোঁজখবর রাখা হচ্ছে।
এ সময় বক্তারা হলদিয়া ইউনিয়নের উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে হাজী মোহাম্মদ রাশেদের অবদানের কথাও তুলে ধরেন। তারা আগামী দিনেও এলাকার শান্তি, সম্প্রীতি ও উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে সবার সহযোগিতা কামনা করেন। পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে আয়োজকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। স্থানীয় সনাতন ধর্মাবলম্বীরাও বলেন, এমন আন্তরিক উদ্যোগ পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও সামাজিক বন্ধনকে আরও শক্তিশালী করবে।