মোঃ নাসিরউদ্দিন সটাফ রিপোর্টার ;
রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলায় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা-২০২৬ অত্যন্ত আনন্দঘন, সুশৃঙ্খল ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে। পূজা চলাকালীন উপজেলার প্রতিটি মণ্ডপে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, পারস্পরিক সম্প্রীতি এবং ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য বজায় থাকায় সর্বস্তরের মানুষ সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
পূজা সুষ্ঠু ও সার্বিকভাবে নিরাপদ করতে নিরলস ভূমিকা পালনকারী সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ ও আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়েছে। বিশেষ ধন্যবাদ জানানো হয়েছে স্থানীয় মাননীয় সংসদ সদস্য মহোদয়কে, যাঁর দিকনির্দেশনা এবং উপস্থিতিতে উৎসবে বাড়তি আনন্দ যুক্ত হয়েছে। পাশাপাশি উৎসবের নিরাপত্তা ও সুশৃঙ্খলা সুনিশ্চিত করার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ জানানো হয়:
জেলা প্রশাসন: জেলা প্রশাসক স্যারের সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ, প্রত্যক্ষ নজরদারি ও সময়োপযোগী দিকনির্দেশনা এই আয়োজনকে আরও সুশৃঙ্খল ও নিটোল নিরাপত্তা বেষ্টনীতে রূপ দিয়েছে।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী: পুলিশ, আনসার, গ্রাম পুলিশসহ সকল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিষ্ঠাপূর্ণ দায়িত্ব পালন এবং গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যদের সতর্ক নজরদারির কারণেই কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।
পূজা উদযাপনে যুক্ত ব্যক্তিবর্গ: সনাতন ধর্মাবলম্বী নাগরিকবৃন্দ, উপজেলা দুর্গাপূজা মনিটরিং কমিটি এবং বিভিন্ন পূজা উদ্যাপন কমিটির সক্রিয় ভূমিকা ও সহযোগিতা পুরো আয়োজন সফল করেছে।
স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও নাগরিক সমাজ: স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং সাধারণ সচেতন নাগরিকদের ইতিবাচক ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সহযোগিতায় সম্প্রীতির এক অপূর্ব নিদর্শন তৈরি হয়েছে।
দুর্গাপুর হয়ে উঠুক সম্প্রীতির ‘আনন্দবাজার’
উৎসব শেষে এক বার্তায় ব্যক্ত করা হয়—“আনন্দ বাজারে কিনতে পাওয়া যায় না; আনন্দ আয়োজন করে নিতে হয়।” রাজশাহী জেলার প্রগতিশীল ও শান্তিকামী এই জনপদটি যেন সর্বদা এমনই এক ‘আনন্দবাজার’-এ রূপ নেয়, যেখানে পারস্পরিক সহযোগিতা, শ্রদ্ধা, সৌহার্দ্য ও সামাজিক সম্প্রীতির বার্তা ছড়িয়ে পড়বে প্রতিটি ঘরে ঘরে।
স্থানীয়রা আশা প্রকাশ করেন, শারদীয় উৎসবের এই বন্ধন প্রতিটি হৃদয়ে আরও দৃঢ় হবে এবং আইনশৃঙ্খলা ও সামাজিক নিরাপত্তার এই ইতিবাচক আবহ পুরো দুর্গাপুর উপজেলাকে সার্বিকভাবে সমৃদ্ধ করবে। সর্বস্তরের মানুষের এই ঐক্যবদ্ধ অংশগ্রহণ স্থানীয় অসাম্প্রদায়িক চেতনার ভিত্তিকে আরও মজবুত করেছে।