
ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাকর্মীদের মূল্যায়নের দাবি;
কুমিল্লা প্রতিনিধি:
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) দেবিদ্বার উপজেলার ১০ নম্বর দক্ষিণ গুনাইঘর ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি গঠন ও সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আলহাজ্ব ইঞ্জিনিয়ার মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর নির্দেশনায় এবং থানা আহ্বায়ক কমিটির সহযোগিতায় আয়োজিত এ সভায় ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক কাঠামো শক্তিশালী করা, তৃণমূল নেতাকর্মীদের সক্রিয়তা বৃদ্ধি এবং যোগ্য ও পরীক্ষিত নেতৃত্বকে মূল্যায়নের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন সাংবাদিক মো. মাসুদ রানা। সভা সঞ্চালনা করেন সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ জিয়া।
সভায় বক্তারা বলেন, দলের সুদিনে নয়, দুঃসময়ে যারা রাজপথে সক্রিয় ছিলেন এবং মামলা-হামলা ও নানা প্রতিকূলতা উপেক্ষা করে সংগঠনের পাশে থেকেছেন, আগামী দিনের নেতৃত্ব নির্বাচনে তাদের যথাযথ মূল্যায়ন করা প্রয়োজন। দলের কঠিন সময়ে যারা সংগঠনের পাশে ছিলেন, তারাই পরীক্ষিত ও ত্যাগী কর্মী হিসেবে নেতৃত্বে আসার যোগ্যতা রাখেন।
নেতাকর্মীরা আরও বলেন, ৫ আগস্টের পর বিএনপিতে যোগ দেওয়া সবাইকে সুযোগসন্ধানী হিসেবে বিবেচনা করা ঠিক হবে না। নতুনদের মধ্যেও যোগ্য ও সক্রিয় নেতাকর্মী থাকতে পারেন। তবে দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ত্যাগ, দলের দুর্দিনে ভূমিকা এবং সুদিনে এসে সুবিধা নেওয়ার প্রবণতার মধ্যে পার্থক্য কমিটি গঠনের সময় বিবেচনায় রাখা জরুরি।
তারা বলেন, ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দ কিংবা কোনো বিশেষ গোষ্ঠীর প্রভাব নয়; বরং ত্যাগ, শ্রম, দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ভূমিকা, সাংগঠনিক দক্ষতা, তৃণমূলে গ্রহণযোগ্যতা ও দলের প্রতি আনুগত্যকে প্রাধান্য দিয়ে আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হলে ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক ভিত্তি আরও শক্তিশালী হবে।
সভায় বক্তারা ১০ নম্বর দক্ষিণ গুনাইঘর ইউনিয়নের তৃণমূল পর্যায়ে বিএনপির সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে নেতাকর্মীদের মধ্যে ঐক্য, পারস্পরিক সহযোগিতা ও সমন্বয় বাড়িয়ে দলের সাংগঠনিক ভিত্তি সুদৃঢ় করার আহ্বান জানান।
সভায় উপস্থিত ছিলেন ও বক্তব্য রাখেন— মো. মুমিনুল ইসলাম ভূঁইয়া মুন্না (শাকতলা), মো. হুমায়ুন আহমেদ, দেলোয়ার মাস্টার, মো. জাকির হোসেন মোল্লা, মো. সুমন খন্দকার, মো. শামীম সরকার, মো. সিদ্দুর রহমান, মো. মোস্তফা মোল্লা, মো. শাহ-আলম, মো. শরিফ আহমেদ, আব্দুল হান্নান, আব্দুল মতিন গাজী, জাকির সরকার, বিল্লাল মেম্বার, তাজুল ইসলাম সরকার, জালাল সরকার, মাসুম সরকার, মো. হাসেম ও বাবুল সরকারসহ বিএনপির স্থানীয় নেতাকর্মীরা।